× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বৃটেনে, শঙ্কিত বরিস জনসন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার, ৯:৪৭

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন, বৃটেনে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেন্ড ওয়েভ পৌঁছে গেছে। এই সংক্রমণ এখন অনিবার্য। অন্যদিকে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সারা বৃটেনে ব্যাপকহারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইন বিবিসি ও আয়ারল্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়, সরকারের সায়েন্টিফিক এডভাইজরি গ্রুপ ফর ইমার্জেন্সিজ (স্যেজ) বলেছে, ‘আর’ নাম্বার ১.১ থেকে ১.৪ বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘আর’ নাম্বার দিয়ে ওইসব মানুষের সংখ্যাকে বোঝানো হয়, যারা আক্রান্ত এক ব্যক্তি থেকে করোনা ভাইরাস অন্যের কাছে স্থানান্তর করে। এর অর্থ হলো, সংক্রমণ খুব দ্রুত গতিতে ঘটতে পারে।
এ অবস্থায় নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে তাতে এক কোটি ৩৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রীরা। তবে প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেছেন, তারা সবকিছু পর্যালোচনার মধ্যে রাখবেন। অক্সফোর্ডের কাছে ভ্যাক্সিন ম্যানুফ্যাকচারিং ইনোভেশন সেন্টার অবকাঠামো নির্মাণের স্থানে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি কয়েক সপ্তাহ ধরে যে কথা বলে আসছি তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। আমরা এখন দেখছি দ্বিতীয় দফার করোনা সংক্রমণের ঢেউ। আমরা এটা দেখতে পাচ্ছি ফ্রান্স, স্পেন এবং ইউরোপজুড়ে। আমি এ নিয়ে ভীতশঙ্কিত। অনিবার্যভাবে আমরাও এই অবস্থার দিকে যাচ্ছি।
ওদিকে শুক্রবার পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (পিএইচই) শুক্রবার ডাটা প্রকাশ করেছে। এতে সতর্ক করা হয়েছে যে, আরো খারাপ সময় আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ওদিকে অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস (ওএনএস) বলেছে, আক্রান্তের সংখ্যা এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিগুন হতে পারে। ইংল্যান্ডে এই সংখ্যা দিনে ৬০০০ হতে পারে। ওদিকে ওপেন ইউনিভার্সিটির ফলিত পরিসংখ্যানের এমিরেটাস প্রফেসর কেভিন ম্যাকনওয়ে সর্বশেষ ‘আর’ ফিগারকে নিঃসন্দেহে উদ্বেগের বলে বর্ণনা করেছেন।
এ অবস্থায় করণীয় কি? প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেছেন, তিনি দেশে আবার দ্বিতীয় লকডাউন চান না। তবে এটা প্রয়োজনীয় বিষয় যে, লোকজনের উচিত সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ মেনে চলা। এর মধ্যে একত্রে ৬ জনের বেশি এক জায়গায় মিলিত না হওয়ার নিয়ম রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৯:২৯

Masks is important. Make it mandatory, compulsory for everyone. Impose penalties against violations. The spreading will remain under control.

অন্যান্য খবর