× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার
মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপনির্বাচন

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান এম. এ. রহিম

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, মৌলভীবাজার থেকে | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:২৫

জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম. এ. রহিম সিআইপি। ইতিমধ্যে এম. এ. রহিম সমর্থক গোষ্ঠীর ব্যানারে জেলার ৭টি উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চালাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। স্থানীয় হাটবাজার আর লোকসমাগমের স্থানগুলোতে টানানো হচ্ছে ব্যানার ও ফেস্টুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। আর সেই সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়ার। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এখন প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সাবেক বৃটিশ কাউন্সিলর, গেল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এম. এ. রহিম সিআইপির অনুসারী, সমর্থক ও দলের তৃণমূলের কর্মীরা। গতকাল নিজ বাসায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নির্বাচনী বৈঠক শেষে রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন-আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র জীবন থেকে তার আদর্শ লালন করে কাজ করছি। তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সব সময়ই মাঠে আছি এবং থাকবো। যে ভাবে ওয়ান ইলেভেনের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য দেশ ও বিদেশে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকার কারণে কারাবরণ করতে হয়েছে। তারপরও বিন্দুমাত্র বিচলিত হইনি। জেলা পরিষদ নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করি। প্রত্যেক রাজনীতিবিদেরই স্বপ্ন থাকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার। জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে জনমানুষের কল্যাণে কাজ করার। কারণ জনপ্রতিনিধি হওয়া ছাড়া অনেক কাজই ইচ্ছা করলেও করা সম্ভব হয় না। তাই একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমারও জনপ্রতিনিধি হওয়ার ইচ্ছা থাকাটা স্বাভাবিক। আর আমার দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের ইচ্ছা আমি যেন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। গেল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমি অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই। নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এমন ভালোবাসার ঋণে আমি আবদ্ধ। ওদের জন্য কাজ করি বলেই তারা আমাকে পাশে রাখতে চায়। যদি দল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাওয়া-পাওয়াকে মূল্যায়ন করে আমাকে মনোনয়ন দেন তা হলে আমি অবশ্যই দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জয় উপহার দিতে পারবো বলে দৃঢ় আশাবাদী। রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন- ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে আমার সখ্য। স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমাকে অনুপ্রাণিত করতো। সে সময়ে তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলাম। আজও তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। দলের সুদিনে ও দুর্দিনে মৌলভীবাজার জেলার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে দলীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। ১৯৭৫ সাল থেকে ছাত্রলীগকে গতিশীল করতে কাজ করেছি। মনে পড়ে ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারে মশাল মিছিল ও কালো পতাকা প্রদর্শনের কারণে জেল খেটেছি। প্রবাসে থাকাকালীন সময়ে সেখানেও দলের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। দেশে আসার পর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সেখানে আর স্থায়ীভাবে ফিরে যাইনি। এখন আমার জন্ম মাটি মৌলভীবাজারেই ব্যবসা-বাণিজ্য আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। আমি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষার আলো সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প- কারখানা নির্মাণ করেছি এবং করছি। যাতে কিছুটা হলেও এ অঞ্চলের কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষ এবং সমাজ কল্যাণে আমার মহৎ উদ্দেশ্য থাকার কারণেই হয়তো স্থানীয় জনগণ আমাকে তাদের হৃদয়ে ঠাঁই দিয়েছেন।
এম. এ. রহিম ১৯৮২ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃটেন যান। যুক্তরাজ্যে গিয়ে তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি সেখানকার অবহেলিত বাঙালি কমিউনিটিকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নানা সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি প্রথমে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হন। পরে সাংগঠনিক ও সহ-সভাপতিও নির্বাচিত হন। যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতেও ওতপ্রোতভাবে জড়ান এবং টাওয়ার হ্যামলেটের ১ম বাংলাদেশি বৃটিশ কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। যুক্তরাজ্য থাকাকালে সেখানকার বাঙালি কমিউনিটি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির একজন সফল নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। একজন সফল কাউন্সিলর হিসেবেও পেয়েছেন একাধিক সম্মাননা পুরস্কারও।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর