× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার

২৩ টাকা কেজিতে ১৫০০০ টন পিয়াজ পাঠানোর প্রস্তাব তুরস্কের

প্রথম পাতা

মিজানুর রহমান | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:৩৮

কেজিপ্রতি ২৩ টাকা দরে ৩ থেকে ১৫ হাজার টন পর্যন্ত পিয়াজ রপ্তানির প্রস্তাব করেছে তুরস্ক। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে 
বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশটি এ সুবিধা দিচ্ছে। তবে পিয়াজ ক্রয় এবং আমদানি-রপ্তানি হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতে, ব্যবসায়ী পর্যায়ে। এ নিয়ে দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে ঢাকার বিবেচনায় একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে আঙ্কারাস্থ বাংলাদেশ মিশন। ওই প্রস্তাবে তুরস্কের পিয়াজের স্বাদ, রং, ভেরাইটি এবং সাইজের ভিন্নতার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। আঙ্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আল্লামা সিদ্দিকী গতকাল সন্ধ্যায় টেলিফোনে মানবজমিনকে বলেন, তুরস্কের বাজারে পর্যাপ্ত পিয়াজ রয়েছে। ঢাকা যা চাইবে তা-ই দেয়া যাবে। বিষয়টি আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি।
তিনদিন আগে ঢাকায় এ সংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাঠিয়েছি। চাহিদাপত্রসহ আমদানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পেলে যত দ্রুত সম্ভব শিপমেন্ট হবে। দুই দেশের অভ্যন্তরীণ ট্রান্সপোর্ট ব্যয়সহ সর্বসাকুল্যে ঢাকার বাজার পর্যন্ত তুরস্কের পিয়াজ পৌঁছাতে টন প্রতি ২৭০ থেকে ২৭৫ ডলার দাম পড়বে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমদানির পরিমাণ যত বাড়বে ব্যয় তত কমে আসবে। আঙ্কারার বাংলাদেশ মিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঢাকাকে জানিয়েছেন, তুর্কি ব্যবসায়ীদের অনেকেই বাংলাদেশে পিয়াজ রপ্তানির আগ্রহ দেখিয়েছেন। বেশ ক’জন ব্যবসায়ী কোটেশন জমা দিতে মিশনে যোগাযোগ করেছেন। ঢাকার চাহিদাপত্র এবং সিদ্ধান্ত পেলে মিশন তুলনামূলক প্রাইস এবং উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভালো মানের পিয়াজ পাঠানোর চেষ্টা করবে। তুরস্কের বাজারে একাধিক রং, মান এবং জাতের পিয়াজ রয়েছে জানিয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, অতীতে বাংলাদেশে অল্প-বিস্তর পিয়াজ রপ্তানি করেছে তুরস্ক। বাংলাদেশের পছন্দের বিষয়টি তুর্কি ব্যবসায়ীদের কাছে অজানা নয়। তা-ই পিয়াজের স্বাদ বা মান নিয়ে প্রশ্ন নেই, বরং জরুরি হচ্ছে ঢাকার সিদ্ধান্ত পাওয়া। তুরস্কের বাজারে রপ্তানিযোগ্য পিয়াজের মধ্যে মধ্যম মানের যে পিয়াজ রয়েছে টন প্রতি তার মূল্য (পরিবহন খরচসহ) কোনো অবস্থাতেই ২৭৫ ডলারের বেশি হবে না জানিয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, সে হিসাবে ঢাকায় পৌঁছাতে তুরস্কের পিয়াজের মূল্য পড়বে টনপ্রতি ২৩ হাজার টাকা (কেজিপ্রতি মূল্য ২৩ টাকা)। ভারতের পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের আচমকা সিদ্ধান্তে ঢাকার বাজার যেভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে তুরস্কের পিয়াজ আমদানি হলে সেটি স্থিতিশীল হতে বাধ্য এমন মন্তব্য করে ওই কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, আমদানি মূল্য কেজিপ্রতি ২৩ টাকার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সর্বোচ্চ ৫০ ভাগ মুনাফা এবং ৫ ভাগ ডেমারেজ (পচনশীল পণ্যের জন্য) ধরা হলেও খুচরা বাজারে তুরস্কের পিয়াজের মূল্য ৩৮-৪০ টাকার মধ্যে থাকার কথা। আর এটি নিশ্চিত করা গেলে অস্থিতিশীলতা তো নয়ই, পিয়াজের বাজার নিয়ে কোনো উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তাই থাকবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Fazlu
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ২:৩৪

স্বাভাবিক অবস্থায় আমরা ভারত থেকে পিয়াজ পাব। কারণ ভারতের উদবৃত্ত পিয়াজ নষ্ট না করে সেটা বিক্রি করতে হবে। সেক্ষেত্রে ভারতের জন্য বাংলাদেশ খুব কম পরিবহন খরচের একটা সহজ লভ্য কাঁচাপণ্যের বাজার। তবে একই জলবায়ু ও ভৌগোলিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ ও ভারত অবস্থিত হওয়ায় যেকোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে উভয় দেশই সুনির্দিষ্ট কৃষিপণ্যের সংকটে পড়তে পারে। তখন ভারতে উদবৃত্ত পণ্য (পিয়াজ) না থাকলে বাংলাদেশকে দিবে কোত্থেকে? সেজন্য কিছুটা ব্যয় বাড়িয়ে হলেও প্রতিটা আমদানী নির্ভর পণ্যের একটা বিকল্প বাজার বাংলাদেশকে অবশ্যই সৃষ্টি করতে হবে।

Mohsin ahmed
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ১০:৪৪

আমার মতে ভারত থেকে পেয়াজ আমদানি আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত। তারা আমাদের বন্ধু বলে দাবি করে কিন্তু বন্ধুত্বের ন্যুনতম দায়িত্বটুকুও তারা পালন করে না। তাছাড়া ভারতকে বন্ধু নয় প্রতিবেশি হিসেবে ধরা যায়। তারা কোনো ঘোষনা ছাড়াই পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। তাদের থেকে কি আমরা বিনা পয়সায় পেয়াজ আনি নাকি..? নাকি তারা আমাদের দান করে..? সব কিছু বিবেচনায় ভারতের থেকে আমদানি সম্পুর্ণভাবে বন্ধ করা হোক। তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশের সাথে বানিজ্য বৃদ্ধি করা হোক।

Faruque Ahmed
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:১০

ভারত আমাদের প্রতিবেশী। প্রতিবেশী এবং বন্ধুর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যদি কোনও প্রতিবেশী বন্ধু হয়ে যায় তবে সবচেয়ে ভাল। তবে মুক্তিযুদ্ধ বাদে ভারত কখনই এরকম প্রতিক্রিয়া দেখায় না। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা আমাদের পাশে ছিল। ভৌগলিক, রাজনৈতিক এবং শেখ মুজিবর রহমান এবং তত্কালীন ভারত সরকারের মধ্যে সম্পর্কের কারণে। মাঝামাঝি সময়ে তারা ইতিমধ্যে অনেকগুলি বিদেশী নীতি পরিবর্তন করেছে। এখন তারা প্রোভুর মতো প্রতিক্রিয়া জানায়। সুতরাং আমাদের উচিত তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কটি যত্ন সহকারে নির্ধারণ করা উচিত। ভবিষ্যতে যে কোন বিষয়েই ভারত নির্ভরশীলতা একদম কমিয়ে দিতে হবে।

Amir
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:৫০

অতীতের মন কষাকষি থেকে বেরিয়ে এসে তুরস্কের সাথে ব্যবসায় সহ অন্যদিকের সম্পর্কও বাড়ানো যায় কিনা এটা সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভেবে দেখা উচিত ।

Rs
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৮:৪৮

আমাদের সরকারের দরদ বেশি ভারতের জন্য তার দিল পুরে যায় একদম,, আলগা পিরিতি, সরকার বুঝবেনা যে ভারত ওপরে বন্ধু,, তাই সরকারের বোধোদয় যে কবে হবে জানা নেই,, ভারতকে বাদ দিয়ে অন্য দেশের সাথে বানিজ্য করলে তারা ভারতের মতো পেটে লাথি মারবে না,, আমার অবাক লাগে সরকার কি বাংলাদেশের নাকি ভারতের?? তার ভারতের জন্য এতো পুড়ে কেন!!

Habibur Rahman
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৮:৩৫

আমাদের সরকারকে অনুরোধ করবো, ভবিষ্যতে যে কোন বিষয়েই ভারত নির্ভরশীলতা একদম কমিয়ে দিতে হবে। কারন অতীতের বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বলা যায় এই দেশটি আমাদের কোন বন্ধুর পর্যায়েই পড়ে না। তাই ভবিষ্যতে আর কখনোই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা উচিত হবে না।

অজিত রায়
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:৩৩

সরকারের বা দূতাবাসের উচিৎ হবে না ব্যবসায় করা। সরকারের উচিৎ হবে স্থানীয় ব্যবাসায়ীদের অনুপ্রাণিত করা। আওয়ামী লীগের অনুগত বহু ব্যবসায়ী আছে যারা গত ১০ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে তাদের বলা যে তোমারা পিঁয়াজ এনে সরকারের মান রক্ষা করো।

samsulislam
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৭:২০

এটা কি বাংলাদেশ বা ভারতের পেঁয়াজের মত।না ডেকা পেঁয়াজ?পালাদেছ তে মোরে দে?

Sakhawat
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৭:৩৭

সুন্দর ও সমযোপযোগী প্রস্তাব, এখানে ভারত থেকে কেনা পিঁয়াজের দাম জানালে আরো তথ্য সম্বলিত হতো । ধন্যবাদ

অন্যান্য খবর