× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

ফেলুদা এবার দুঘণ্টায় বলে দেবে, আপনার করোনা হয়েছে নাকি হয়নি!

ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:০৭

দুই বাঙালি বিজ্ঞানীর একশোদিনের অতন্দ্র, নিরালস চেষ্টা অবশেষে স্বীকৃতি পেল। ড্রাগ কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়া অনুমোদন করল ফেলুদাকে। কি এই ফেলুদা? এটি হল সার্স-কোভিড- ২ নিরূপণের একটি কিট। যা দুঘণ্টায় বলে দেবে আপনি করোনা আক্রান্ত কিনা? ব্যায় মাত্র ছশো টাকা। ভারতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি মন্ত্রক রোববার রাতে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই আবিষ্কারকে যুগান্তকারী বলে অভিহিত করেছে। দুই বাঙালি বিজ্ঞানী দেবজ্যোতি চক্রবর্তী ও সৌভিক মাইতির অবদান এই কিট। দিল্লির কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের দুই বিজ্ঞানী টাটা সংস্থার সাহায্যে এই রিসার্চ চালান। পান্ডেমিক শুরু হওয়ার পর তাঁরা গবেষণা শুরু করেন।
একশো দিন সময় লাগলো গবেষণা শেষ হতে। যেহেতু দুই বঙ্গতনয়ের আবিষ্কার তাই তাঁরা সত্যজিৎ রায়ের অমর গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলুদার নামে এই অনুসন্ধানী কিট এর নাম রেখেছেন। জেনোমে বেসড এই কিট এবার বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও কারিগরি মন্ত্রক। মন্ত্রক জানিয়েছে, স্পর্শকাতরতার পরীক্ষায় ছিয়ানব্বই শতাংশ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছোঁয়ায় আটানব্বই শতাংশ সাফল্যের গণ্ডী অতিক্রম করেছে ফেলুদা। ভারতীয় বিজ্ঞানীরাও বলছেন, এ এক অসাধারণ আবিষ্কার। আর্থসামাজিকভাবে দুর্বল দেশের জন্যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mohammad Sorwar
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:৪৫

Congratulations,

Kazi
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৯:২৫

শুধু রাজনৈতিক বিদ্ধেষের কারণে এন্টিজেন কিট অনুমোদন পেলনা। ভারতে রাজনৈতিক রেষারেষি যতই থাক তাদের দেশের বৈজ্ঞানিকদের আবিষ্কার শুদু অনুমোদন দেয়নি তাদের স্বীকৃত ও দিয়েছে। তাই আমাদেরকে অন্যের দ্বারস্ত হতে হয়। তারা হবে না। দাদার বাড়ি থেকে এখন আমরা কিনব। চোরাই পথে আনতে গুলি খেয়ে সীমান্তে অনেকে মরবে। আর চোরাই পথে নকল মাল তো আসবেই। তৎসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নকল মাল আমদানি করে টাকা মারার পথ সুগম হল।

অন্যান্য খবর