× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার

রাখাইন পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় নিরাপত্তা পরিষদকে ঢাকার চিঠি

শেষের পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:৪৯

রাখাইনে বাড়তি সেনা মোতায়েন প্রশ্নে সৃষ্ট উদ্বেগ নিরসনে জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপ চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকার চিঠিতে পরিস্থিতির অবণতির আগে মিয়ানমারকে বিরত রাখা এবং অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারকে স্মরণ করিয়ে  দেয়া প্রয়োজন যে, যেকোনো সামরিক বা নিরাপত্তা অভিযান চলাকালে তাদের  বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও তাদের দায়িত্ব। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমারের সামপ্রতিক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে গত ১৫ই সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা পরিষদে পত্রটি পাঠিয়েছে নিউ ইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন। আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের সেনা মোতায়েন নিয়ে গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোকে তলব করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত শুক্রবার থেকে মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সন্দেহজনক গতিবিধির বিষয়টি ঢাকার নোটিশে আসে। রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে এ জাতীয় সন্দেহজনক গতিবিধি বন্ধ করতে বলা হয়েছে। যেন দুই দেশের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না ঘটে।
সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক সীমান্তে সামরিক বাহিনীর এ জাতীয় চলাফেরা সীমান্তের দু’পাশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সীমান্তে সতর্ক রয়েছে। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নাকচ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় এভাবে সেনা মোতায়েন করা হলে প্রতিবেশী দেশসমূহ তা জানানোর রেওয়াজ থাকলেও মিয়ানমার বাংলাদেশকে অবগত করেনি। সামনে মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন। যে কোনো নির্বাচনের আগে অভ্যন্তরীণভাবে সবসময় পরিবর্তন হয় এবং এটি তারও একটি অংশ হতে পারে। উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনবাহিনীর সহিংসতার শিকার হয়ে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অস্থায়ী আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ উদারতা দেখিয়ে তাদের আশ্রয় দিলেও প্রায় তিন বছর পরেও নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে টালবাহানা করছে মিয়ানমার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর