× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

পিয়াজ: খুচরা বাজারে কমার প্রভাব নেই

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:১৩

পাইকারি বাজারে পিয়াজের দাম কিছুটা কমলেও খুচরায় এর প্রভাব পড়েনি। পাইকারি দরের চেয়ে ২০/২৫ টাকা বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে পণ্যটি। এদিকে ভারত থেকে আসা বেশির ভাগ পিয়াজ নষ্ট হওয়ায় পাইকারিতে আবারো দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, পাবনা অঞ্চলের ভালো মানের পিয়াজের পাইকারি মূল্য প্রতিকেজি ১০০ টাকা থেকে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে। তবে খুচরায় বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায়। খুচরায় ভারতীয় পিয়াজ ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা আর দেশি ক্রস জাতীয় পিয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মাঝামাঝিতে খুচরায় দেশি পিয়াজ ১২০ টাকা, ক্রস পিয়াজ ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
মগবাজারের মুদি দোকান রাজ্জাক এন্টারপ্রাইজের দোকানি জানান, তার দোকানে কেবল পাবনা অঞ্চলের পিয়াজ রয়েছে।
কেনা দাম বেশি হওয়ায় প্রতিকেজি ১১০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে তাকে।
আরেক দোকানি আব্বাস আলী দাবি করেন, গত দুই দিনে খুচরায় পিয়াজের দাম কেজিতে অন্তত ২০ টাকা করে কমেছে। তিনি ৮৫ টাকায় দেশি, ৮০ টাকায় ক্রস এবং ৬৫ টাকায় ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি করছেন।
রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে প্রতিকেজি দেশি কিং পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়, যা দু’দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ৭২ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। আমদানি করা এলসি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে যা দু’দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
এদিকে কাওরান বাজারের পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি দেশি কিং পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। আর আমদানি করা এলসি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে।
শ্যামবাজারের পিয়াজ আমদানিকারক ও নিউ আলমাস ট্রেডার্সের মালিক মো. আমজাদ আলী বলেন, দু’দিন আগের তুলনায় আজ দাম বেশ কমেছে। অনেক পিয়াজ পচে নষ্ট হয়েছে। না হলে আরো কমে পাওয়া যেত। তবে পিয়াজের দাম আরো কমবে।
আরেক ব্যবসায়ী কাজল বলেন, কেজিতে দেশি পিয়াজের দাম ৫ টাকার মতো বেড়েছে। গতকাল ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি করা দেশি পিয়াজ ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কিছু পিয়াজ ৭২ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে ভারতীয় পিয়াজ গতকালের মতো ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি। ভারত থেকে আসা পিয়াজ নষ্ট হওয়ায় দাম কিছুটা বাড়লেও এবার পিয়াজের বাজার গত বছরের মতো অস্বাভাবিক হবে না। আমাদের ধারণা, এখন যে দাম আছে মোটামুটি এই দামই স্থিতিশীল থাকবে। হয়তো ৫-১০ টাকা এদিকে সেদিক হবে। আর যদি ভারত নতুন করে ফ্রেশ মাল দেয়, তাহলে দাম কমে যাবে।
ভারতে পিয়াজের মূল্য বৃদ্ধির খবরে গত শুক্রবারই দেশে পিয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। দুইদিনের ব্যবধানে ৪০ টাকার পিয়াজের দাম উঠে ৬০ টাকায়। সপ্তাহের মাঝামাঝিতে ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবরে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরায় পিয়াজের দাম শতকের ঘর ছাড়িয়ে যায়।
বাজার স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত বিকল্প দেশ থেকে আমাদানির উদ্যোগ, এলসি মার্জিন সীমিতকরণ, আমদানি শুল্ক কমিয়ে আনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি গত ১৩ই সেপ্টেম্বর থেকে টিসিবি’র মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজিতে পিয়াজ বিক্রি শুরু হয়।
সরকারের দাবি, দেশে প্রতি মাসে প্রায় দুই লাখ টন চাহিদার বিপরীতে এখনো প্রায় ৫ লাখ টন পিয়াজ মজুত রয়েছে। এরপরও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যবসায়ী ও মজুতদার সিন্ডিকেট বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। মিশর, তুরস্কসহ বিকল্প দেশগুলো থেকে আমদানি শুরু হলে কৃত্রিম সংকট টিকবে না বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর