× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

ত্রিশাল-কানিহারী সড়কের বেহাল দশা

বাংলারজমিন

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৭:৪৩

ময়মনসিংহের ত্রিশাল-কানিহারী পাকা সড়কে বড় বড় গর্ত। গত কয়েকদিনে বৃষ্টির সময় ভ্যান, রিকশা, সিএনজি, পিকআপ, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ অর্ধশত যানবাহন অদৃশ্য ওই গর্তে পড়ে উল্টে গেছে। এতে আহত হয়েছেন অনেকে। ৪ কিলোমিটার সড়ক নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ-এলজিইডির মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়া ময়মনসিংহের ত্রিশালের ত্রিশাল-কানিহারী সড়ক সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট এলজিইডি বিভাগের। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে সংস্কার কাজ হয়েছিল স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল (এলজিইডি) বিভাগের অধীনে থাকা ১০ কিলোমিটারের ত্রিশাল-কানিহারী সড়কের। নিম্নমানের সংস্কার কাজ হওয়ায় বছর না ঘুরতেই সৃষ্টি হয় ভাঙন ও গর্তের।
গত এক বছরে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই যানবাহন উল্টে একটা না একটা দুর্ঘটনা ঘটছেই। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রামপুর ইউনিয়নের কাকচর, কানিহারী ইউনিয়নের বড়মা, সুরুলিয়ার কান্দা, তালতলা, এলংজানি, দেওপাড়া, সেনবাড়ী, বিয়ার্তা, কুষ্টিয়া ২য় খণ্ডসহ ১০/১২টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়া ওই সড়ক সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট এলজিইডি বিভাগের। পৌরসভার রাস্তার পর থেকে কাকচর গ্রাম হয়ে বড়মা মোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে বলে উপজেলা প্রকৌশলী দাবি করলেও বিষয়টি অস্বীকার করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহেদুজ্জামান। সরজমিন দেখা যায়, ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে ১০ কিলোমিটারের ওই সড়কজুড়ে। সবচেয়ে বড় গর্তের দেখা মিলে রামপুর ইউনিয়নের কাকচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির সামনে। বর্ষার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কছিমুদ্দিন নায়েব ও মুন্সিবাড়ির উঠোনে জমে থাকা পানি ত্রিশাল-কানিহারী সড়কের উপরে উঠে পড়েছে। সড়কের দক্ষিণ পাশে ফিসারির বাঁধ। এতে পাকা সড়কের মাঝখানে পানিতে থৈ থৈ। বুঝার কোনো উপায় নেই পানির নিচে প্রায় ৩ ফিট গর্ত। এ যেন এক মরণফাঁদ। আতিকুল ইসলাম খোকা, নুরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন, সুরুজ আলী, বাবুল মিয়া, ইজ্জত আলী, ইলিয়াস আলীসহ স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনে ভ্যানগাড়ি, রিকশা, সিএনজি, পিকআপভ্যান, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ অর্ধশত যানবাহন অদৃশ্য ওই গর্তে পড়ে উল্টে গেছে। এতে আহতও হয়েছেন অনেকে। কানিহারী ইউনিয়নের এলংজানি গ্রামের দড়িবাড়ির সামনে বিশাল এক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান জসিম উদ্দিন, শাহজাহান, হারুনসহ স্থানীয়রা। কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জল জানান, ব্যাপক খানাখন্দে ১০ কিলোমিটারের ত্রিশাল-কানিহারী সড়কের বেহাল দশা। আমার ইউনিয়নের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ উপজেলা সদরে চলাচল করেন ওই সড়ক দিয়ে। দ্রুত সংস্কার কাজ না হলে চরম দুর্ভোগে পড়বে এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, পৌরসভার রাস্তার পর থেকে কাকচর হয়ে বড়মা মোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়ক জনপথ বিভাগ তাদের অধীনে নিয়ে গেছে। গেজেটও হয়েছে। তবে গত বছর বড়মার মোড় থেকে সেনবাড়ী পর্যন্ত সড়কের টেন্ডার হয়েও তা বাতিল হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে আবার নতুন করে টেন্ডার দিয়ে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
 
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর