× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার

ধামরাইয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করে ফেঁসে গেলেন দুই অপহরণকারী

বাংলারজমিন

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৮:৫৩

ঢাকার ধামরাইয়ে পুলিশ পরিচয়ে যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়া দুই অপহরণকারী ধামরাই থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনায় পুলিশ সরজমিন এলে অপহরণের বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে পুলিশ অভিযোগকারী দুই অপহরণকারীকে আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে অপহরণ কাজে ব্যবহৃত পুলিশ লেখা ১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, ধামরাইয়ের নান্নার ইউনিয়নের গোপালকৃষ্ণপুর গ্রামের আওলাদ হোসেনের ছেলে কালামপুর বাসস্ট্যান্ডের কাপড়ের দোকানের কর্মচারী মনির হোসেন (২৫) রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে নিজের বাইসাইকেল নিয়ে দোকান থেকে বাড়ি রওনা দেয়। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ডাবল আমলা কারখানার কাছে পৌঁছালে আমজাদ হোসেন, রিপন  নিজেদের পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় মনির হোসেনকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা ৫৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেলের মাঝখানে বসিয়ে কালামপুর বাজারের দিকে রওনা দেয়। কালামপুর চরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে মনির হোসেনের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেলসহ দুইজনকে আটক করে।
পরে কৌশলে তারা মোটরসাইকেল রেখেই পালিয়ে যায়। এসময় মোটরসাইকেলটি স্থানীয় ইউপি সদস্য হানিফ আলীর কাছে জিম্মায় রেখে মনির হোসেন বাড়ি চলে যায়। সোমবার দুপুরে ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি নেয়ার জন্য গেলে  রিপন ধামরাই থানায় অভিযোগ করে পুলিশ নিয়ে মেম্বারের বাড়িতে আসে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে অভিযোগকারী ও তার সহযোগী আমজাদ অপহরণকারী বলে প্রমাণ পায়। পরে তাদের  দুইজনকে আটক করে।
 এ ব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, ধামরাই থানায় কেউ মিথ্যা অভিযোগ করে পার পাবে না। সে যত বড়ই শক্তিশালী হোক।
     

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর