× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েও মনোনয়ন বঞ্চিত শামীম

বাংলারজমিন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৯:১১

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন প্রয়াত সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদের পুত্র ইকবাল আল আজাদ। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েও দলীয় মনোনয়ন পাননি প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম শামীম। দলের উচ্চ পর্যায় থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় হতাশ রেজাউল করিম শামীমের সমর্থকরা। অপরদিকে খোশ মেজাজে আছেন তৃণমূল পর্যায়ে কম ভোট পাওয়া ইকবাল আল আজাদের সমর্থকরা। তবে এবার রেজাউল করিম শামীম  বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবেন না বলে তার বিশ্বস্ত সূত্র জানায়। উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, গত উপজেলা নির্বাচনে রেজাউল করিম শামীম দলীয় সমর্থন পেতে ব্যর্থ হন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক অংশ নির্বাচিত দুই প্রতিনিধির নেতৃত্বে তার বিরোধিতা করে। ফলে হাই কমান্ড থেকে শামীম নৌকার কাণ্ডারি হতে পারেন নি।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে তিনি নির্বাচন করেন। খুব অল্প ভোটে পরাজিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ আল আজাদের কাছে। বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। করোনার কারণে সময় মতো নির্বাচন করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তফশিল ঘোষণার পর সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। স্থানীয়ভাবে উপজেলা সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে উপজেলার নেতারা আলোচনায় বসেন।
তৃণমূল পর্যায়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে ভোটাভুটি হয়। এ সময় রেজাউল করিম শামীম ৫৭ ভোট পান। ইকবাল আল আজাদ পান ৮ ভোট। সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় শামীম অনুসারীরা ছিলেন উৎফুল্ল। কিন্তু অদৃশ্য কারণে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েও নৌকার মনোনয়ন পাননি রেজাউল করিম শামীম। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ প্রয়াত চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদের ছেলে ইকবাল আল আজাদকে মনোনয়ন প্রদান করে। বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা জানান, বিগত নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করায় দলীয় মনোনয়ন পাননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর