× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ অক্টোবর ২০২০, বুধবার

শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন পেতে এখনো বহু দেরি

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৯:১৮

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস মহামারি। এরমধ্যে দেশে দেশে বাবা-মা’রা দুটো প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। একটি হলো, কবে আমি করোনার ভ্যাকসিন পাবো? অপরটি হচ্ছে, কবে আমার সন্তান ভ্যাকসিন পাবে? বিষয়টি দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, দুই প্রশ্নের উত্তর এক নয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গণমাধ্যমটির কলামিস্ট কার্ল জিমার জানিয়েছেন, পূর্ণ বয়স্করা শিশুদের তুলনায় অনেক আগেই ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছেন। সেখানে শিশুদের জন্য কার্যকরী করোনার ভ্যাকসিন আসতে লেগে যাবে আরো বছরখানেক সময়।
এরইমধ্যে বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকটি করোনার ভ্যাকসিন শেষ ধাপের পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই আমরা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভ্যাকসিন পেয়ে যাবো। তবে, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকরী ভ্যাকসিন পেতে এখনো সময় লাগবে।
হয়তো অনেক বেশিই সময় লাগবে। এ নিয়ে শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইভান আন্ডারসন নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, এখন আমি মোটামুটি নিশ্চিত আগামী বছরের স্কুল শুরু হওয়ার পূর্বে আমরা শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন পাচ্ছি না।
এ বছরের জানুয়ারি মাসে যখনই কোভিড নাইন্টিনের ভাইরাস আলাদা করে চিহ্নিত হয়েছিল তখন থেকেই এর বিরুদ্ধে কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো ও গবেষকরা এর ভ্যাকসিন তৈরিতে সর্বশক্তি ব্যয় করেন। ফলে দ্রুতই সফলতা পাওয়া গেছে। এখন বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিনই কার্যকরী প্রমাণের দ্বারপ্রান্তে। রাশিয়া এরইমধ্যে তাদের ভ্যাকসিনকে শতভাগ কার্যকরী দাবি করে অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। বৃটেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিনগুলোও শেষ ধাপের পরীক্ষা চালাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত শিশুদের জন্য নিরাপদ ভ্যাকসিনের গবেষণাই শুরু হয়নি। যখন গবেষকরা দেখবেন তাদের ভ্যাকসিন পূর্ণ বয়স্কদের মধ্যে কার্যকরী তখনই তারা শিশুদের মধ্যে এর প্রয়োগ করবেন। এরপর সেই ট্রায়ালের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই ভ্যাকসিনের উন্নয়ন ঘটানো হবে।
তবে যখনই এই ট্রায়াল চালু হবে এরপর প্রায় এক বছর সময় লাগবে শিশুদের জন্য এই ভ্যাকসিনকে নিরাপদ ঘোষণা করতে। ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব ধাপগুলোকে আবারো পার করতে হবে এবং অনুমোদন আদায় করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর