× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার
পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন

২৫ বছর পর আসন পুনরুদ্ধারের লড়াই বিএনপি’র আসন ধরে রাখতে একাট্টা আওয়ামী লীগ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৪৯

২৬শে সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আসনটি হাতছাড়া বিএনপি’র। এবার সেই আসনটি পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নেমেছে দলটি। নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে বিএনপি’র নতুন অভিযাত্রা শুরু হবে বলে মনে করেন দলটির প্রার্থী। আর বরাবরের মতো আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে একাট্টা আওয়ামী লীগ। কিন্তু নির্বাচনের আগেই দলীয় কোন্দলে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দল দু’টির নেতাকর্মীরা। তারপরও ভোটারদের মধ্যে কোনো সংশয় থাকবে না বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী। নির্বাচনী মাঠে রয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থীও।
অপরদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা পাবনায় নির্বাচনী সফরে এসে বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় করোনাকালে নির্বাচন করছে কমিশন।
আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অংশগ্রহণকারীদের দায়িত্বশীল আচরণেরও আহ্বান জানান তিনি। নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী সকল ব্যবস্থা নেবে কমিশন। ভোটের দিন সকালে ভোটকেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার। নির্বাচন কমিশন কারো পক্ষপাতিত্ব করে না, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা করে। বুধবার (২৩শে সেপ্টেম্বর) সকল ১১টায় পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা মিলে গঠিত পাবনা-৪ আসন। জেলার ৫টি আসনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বরাবরই বিবেচিত। ১৯৯৬ সাল থেকে টানা ২৫ বছর আসনটি রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দখলে। অপরদিকে, দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে আসনটি বারবারই অধরা থেকে গেছে বিএনপি’র। এবার আসনটি পুনরুদ্ধারে নেমেছে দলটি। সেই লক্ষ্যে ভোটারদের মন জয় করতে প্রচারণায় ব্যস্ত দলীয় নেতাকর্মীরা। উপ-নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে বিএনপি’র নতুন অভিযাত্রা শুরু হবে বলে মনে করেন বিএনপি’র প্রার্থী। আর বরাবরের মতো আসনটি ধরে রাখতে একাট্টা আওয়ামী লীগ। তবে ভোটের আগেই দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দল দু’টির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। তারপরও ভোটারদের সরব উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে ভোটাররাই তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করবেন বলে জানান আওয়ামী লীগ প্রার্থী। জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকলেও মাঠে দেখা মিলছে না খুব একটা।
এই আসনে হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, রেজাউল করিম, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এবং আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ জোর করে ক্ষমতা দখলে বিশ্বাসী নয়। ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তাই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে তা হবে বিএনপি’র দুরভিসন্ধী।
অপরদিকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চান সাধারণ ভোটাররা। বলছেন, দুই উপজেলায় সমান উন্নয়ন ও সন্ত্রাস-মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন তারা। তবে বেশির ভাগ মানুষের মধ্যে আগ্রহ কম নির্বাচন নিয়ে। পাবনার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল লতিফ শেখ জানান, আর ভোটারদের আস্থা অর্জনে তাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে উদ্বুদ্ধকরণ নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
গত ২রা এপ্রিল সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মোট ভোটার ৩ লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন। ভোটকেন্দ্র ১২৯টি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর