× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

আমতলীতে জমি অধিগ্রহন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

বাংলারজমিন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ২:১২

বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের চলাভাঙ্গা মৌজায়  তিন ফসলী জমিতে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃক বিদ্যুত উপকেন্দ্র নির্মানের জন্য  ৫০ একর জমির অধিগ্রহণ বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন  করেছেন   আমতলী সদর ইউনিয়নের  কৃষকসহ সাধারন মানুষ । শনিবার বিকালে  খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজার মুল সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ভুক্তভুগি ইউনিয়নের   জনসাধারন  । বৈরী আবহাওয়াার মধ্যেও  প্রায়  ২ হাজার নারী পুরুষের  অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
(উল্লেখ্য এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)র   অর্থায়নে প্রস্তাবিত কনস্টাকশন অফ পায়রা গোপালগঞ্জ  আমিন বাজার ৪০০ কেভি ট্যান্সমিশন সিসটেম প্রকল্পের আওতায় বরগুনা জেলায় একটি ৪০০কেভি সুইচিং  উপকেন্দ্র নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে । উক্ত উপকেন্দ্র নির্মানের জন্য  বরগুনার আমতলী উপজেলার সদর  ইউনিয়নের চলাভাঙ্গা  মৌজায়  ৫০ একর জমি অধিগ্রহন করার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।)
আমতলী সদর  ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, চলাভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান কবির ,  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক  মো. মজনু মৃধা, উপজেলা যুবলীগ সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বাদল প্যাদা ,  চলাভাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা আলহাজ্ব মো. রাশেদুল ইসলাম, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.  আবুল হোসেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন, ভুক্তভোগীদের দাবি তিন ফসলি জমি  অধিগ্রহন  করে বিদ্যুত উপকেন্দ্র নির্মান করা হলে পথে বসতে হবে এলাকার গরীব অসহায় সাধারন কৃষকদের, তারা জানান এই জমি  অধিগ্রহন  হলে অনাহারে দিন কাটাবে পেশাজীবী কৃষকদের । সামান্য জমি নিয়ে গেলে তাদের এলাকা ছেড়ে চলে  যেতে হবে অন্যত্রে।
ভূক্তভোগী কৃষক  জনসাধারনরা জানান , ৫ নং ওয়ার্ডের  চলাভাঙ্গা মৌজায় ৫০ একর জমি অধিগহন করে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানের জন্য  পাওয়ার গ্রীড কেম্পানী অব বাংলাদেশ  সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । চলাভাঙ্গা মৌজায় তিন ফসলী জমি  অধিগ্রহন করা হলে এ এলাকার কৃষকদের পথে বসা ছাড়া কোন উপায় নাই।  কারন  এ গ্রামের বেশির ভাগ  মানুষ গরীব  কৃষক।
তারা তাদের  জমিতে শাক সবজিসহ জমিেিত তিনটি ফসল উৎপন্ন করে জীবন নির্বাহ করে।  এসব গরীব কৃষকদের  জমি অধিগ্রহন করা হলে তাদের  পথে বসা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা।  এ ছাড়া   চলাভাঙ্গা মৌজার যে জমি অধিগহন করার কথা বলা হয়েছে  ঐ  জমির দাগের পাশেই চলাভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চলাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,  চলাভাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ , চলাভাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিক, চলাভাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা  ও ঐতিহ্যবাহী খুড়িয়াখেয়াঘাট বাজারসহ অনেক স্থায়ী স্থাপনা রয়েছে । এখানে বিদ্যুত উপকেন্দ্র নির্মান করা হলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
 ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা আরো বলেন,  আমতলী সদর  ইউনিয়নের  চলাভাঙ্গা গ্রামের পার্শ্ববর্তী  টিয়াখালী মৌজায়  সরকারী জমিসহ  ব্যাপক  অনাবাদী  জমি রয়েছে সেখানে  বিদ্যুত  উপকেন্দ্র  নির্মান  করলে জনসাধারনের কোন ক্ষতি হবেনা জনবসতি কম ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা ও ভূক্তভোগিরা  টিয়াখালী মৌজায়  বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানের জন্য সরকারের কাছে দাবী  জানান ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর