× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশের প্রায় ৫০০ তরুণী উদ্ধার মুম্বই, গুজরাটের পতিতালয় থেকে

ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা , কলকাতা | ১৩ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:১৫

মুম্বই ও গুজরাট পুলিশের যৌথ হানায় দুই শহরের পতিতালয় থেকে ৫০০ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার হয়েছে। ইচ্ছার বিরুদ্ধে এদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল। ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে নারী পাচার চক্রের একটি নেটওয়ার্কও উদ্ঘাটিত হয়েছে। গুজরাটের দুই ব্যবসায়ী কেদার জৈন ও ধর্মেন্দ্র জৈন এই নারী পাচার চক্রের কিং পিন। তাদের গ্রেপ্তার করার পর আয়েজ সাঈদ এবং টিটু গাজি নামের দুই টাউটকেও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তবে, উদ্ধার হওয়া মেয়েদের কাছে জনৈক বাবু ভাইয়ের কথা শোনা গেছে। যার হদিস এখনও পুলিশ পায়নি।
উদ্ধার হওয়া বেশিরভাগ বাংলাদেশি মেয়েদের পাওয়া গেছে এশিয়ার মধ্যে অন্যতম বৃহৎ পতিতাপল্লী গ্রান্ট স্ট্রিটে। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ও ভারতে চাকরি দেয়ার নাম করে স্বাস্থ্যবতী বাংলাদেশি তরুণীদের ফুসলিয়ে নিয়ে আসা হত মুম্বইয়ে।
সেখানে এবং গুজরাটে পতিতাপল্লীতে ঠাঁই হতো এদের। দুই বাংলাদেশি তরুণীকে মডেল করার স্বপ্ন দেখিয়ে মুম্বই আনা হয়। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বাংলাদেশি তরুণীদের কেদার ও ধর্মেন্দ্র জৈন কিনে নিতো পঁচাত্তর হাজার টাকা থেকে একলাখ টাকা দরে।
তারপর মুম্বই ও গুজরাটের পতিতালয়ে তারা মেয়ে সরবরাহ করতো একলক্ষ পঁচিশ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা দামে। নথ ভাঙানিয়া অর্থাৎ অপাপবিদ্ধ বাংলাদেশি কিশোরীদের দর উঠতো দুলাখ টাকা পর্যন্ত। বাংলাদেশেও সহযোগী নারী মাংসের ব্যবসায়ীদের চক্র ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দীর্ঘদিন এই কাজ করছে বলে পুলিশের অনুমান। বাংলাদেশের চক্রটিকে ধরার জন্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
nasir uddin
১৩ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:৫৯

Indian BSF is active in killing Bangladeshi cattle lifters and they are very much trigger happy in doing so. Our BGBs are good in sleeping and counting money. These women traffickers do indeed have 'Likes' from both ends. Shame.

রাসু
১৩ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:৫৭

জন্মই এদেশে একটা ইন্ডাস্ট্রি। সেটা একেকটা এন্টিটি একেক ভাবে ব্যবহার করে। রাষ্ট্র শ্রম হিসাবে এক্সপোর্ট করে আর কেউ কেউ মানব পাচার করে...

Md.Mostafizur Rahman
১৩ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ১০:১৯

ভারতের পতিতালয় বাংলাশি নারী পাচার ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্যকরা প্রসঙ্গে আমার প্রশ্ন বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষার দায়িত্তে নিয়োজিত বাহীনির প্রতি। ওরা সীমান্তে কি পাহারা দেয়? মুম্বই ও গুজরাট পুলিশের যৌথ হানায় দুই শহরের পতিতালয় থেকে ৫০০ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি পড়ে লজ্জায় আমার সন্তানকে আমার লেখার রুম থেকে বের করে দিয়ে তারপর পড়লাম ও লিখলাম। ইচ্ছার বিরুদ্ধে এদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল। ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে নারী পাচার চক্রের একটি নেটওয়ার্কও উদ্ঘাটিত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো পাচার চক্রটি কি সরকারের বা প্রশাসনের চেয়ে বেশী শক্তিশালি? গুজরাটের দুই ব্যবসায়ী কেদার জৈন ও ধর্মেন্দ্র জৈন এই নারী পাচার চক্রের কিং পিন। তাদের গ্রেপ্তার করার পর আয়েজ সাঈদ এবং টিটু গাজি নামের দুই টাউটকেও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তবে, উদ্ধার হওয়া মেয়েদের কাছে জনৈক বাবু ভাইয়ের কথা শোনা গেছে। যার হদিস এখনও পুলিশ পায়নি। উদ্ধার হওয়া বেশিরভাগ বাংলাদেশি মেয়েদের পাওয়া গেছে এশিয়ার মধ্যে অন্যতম বৃহৎ পতিতাপল্লী গ্রান্ট স্ট্রিটে। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ও ভারতে চাকরি দেয়ার নাম করে স্বাস্থ্যবতী বাংলাদেশি তরুণীদের ফুসলিয়ে নিয়ে আসা হত মুম্বইয়ে। বিষয়টি নিয়ে সরকার এখন কি ভাবছে বা কি করবে তা দেখার অপেক্ষায়। সংবাদটি প্রকাশের জন্য মানবজমিন পত্রিকার সকলকে ধন্যবাদ।

Kazi
১২ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:১৪

বাংলাদেশ ভারত থেকেও স্বচ্ছল । অথচ লুটপাটের কারণে দেশের জনগণ উন্নয়ন ও স্বচ্ছলতার অংশীদার হতে পারছে না। আমাদের চাইতে অস্বচ্ছল দেশের পতিতালয়ে এদেশের নারী উদ্ধার । অথচ ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস এখন বাংলাদেশ।

অন্যান্য খবর