× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার
কলকাতা  কথকতা    

বাংলাদেশি পর্যটকদের টুরিস্ট ভিসা মঞ্জুর করুন,  নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাতর আবেদন মন্ত্রীকে  

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী,  কলকাতা  | ১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:৫৯

বাংলাদেশের পর্যটকদের ফিরিয়ে দিন,  আমাদের ব্যবসা বাঁচান।  কলকাতা হোটেলস গেস্টহাউস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের কাছে এই আবেদন রাখা হয়েছে।  বুধবার সংস্থার প্রতিনিধিরা নবান্নে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলেন আনলক -  ফাইভে  বেশকিছু ব্যবসা আবার পুনরুজ্জীবনের পথে গেলেও নিউ মার্কেট,  সদর স্ট্রিট,  মির্জা গালিব স্ট্রিট ও পার্ক স্ট্রিট প্রায় শুনশান।  কারণ,  এই অঞ্চলগুলোর  পঞ্চান্ন থেকে ষাট শতাংশ কাস্টমার বাংলাদেশি নাগরিক।  করোনা ভাইরাস এর কারণে গত সাতমাস টুরিস্ট ভিসা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশিরা আসতে পারছেন না।  নাভিশ্বাস উঠছে ব্যবসার।  এই অঞ্চলের দুশোটি হোটেলের চারহাজার ঘর প্রায় তালাবন্ধই পড়ে  আছে।  ফরেন এক্সচেঞ্জ কেন্দ্র ও টুরিস্ট ফার্মগুলোর একই অবস্থা।  সাত মাসে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।  এস এস হগ মার্কেট অর্থাৎ নিউ মার্কেট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনও জানিয়েছে বাংলাদেশি ক্রেতার  অভাবে তাদের ব্যবসাও মার খাচ্ছে।  পান্ডেমিক এর আগের থেকে মাত্র কুড়ি পঁচিশ শতাংশ কাস্টমার আসছেন।  গতবারের পূজার তুলনায় এবার বিক্রিবাটা মাত্র দশ শতাংশ।

মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন  সহানুভূতির সঙ্গে ব্যাপারটি শুনেছেন।  পূজার পর তিনি বিষয়টি নিয়ে অগ্রসর হবেন বলে জানান।  ইতিমধ্যে,  পুরো বিষয়টি জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি চিঠি দেয়ার পরামর্শও তিনি দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Wahid Emon
১ নভেম্বর ২০২০, রবিবার, ১:০৫

গেল কয়েক বছর এত বেশি বাংলাদেশি কলকাতা সহ ভারতের বিভিন্ন শহরের চিকিৎসা ও বেড়ানোর জন্য কি গিয়েছিল যে কলকাতায় অবস্থানরত বিভিন্ন হোটেল রেস্টুরেন্ট মালিক কর্মচারীরা বাংলাদেশীদের কে হেয় ও অবজ্ঞা করতো, আমরা বাংলাদেশীরা ওদেশে গিয়ে টাকা খরচ করি সেটা তারা কিছু মনেই করতো না, তারা এমন আচরণ করতো যেনো কলকাতার ব্যবসায়ীরা আমাদের কে দয়া করে থাকতে ও খেতে দিচ্ছে- খুব কষ্টকর একটা অভিজ্ঞতা ছিল গত দুই বছরেl তবে বর্তমানে বাংলাদেশীরা যাচ্ছে না আমি অনেক খুশি, এছাড়া অনেকদিন বন্ধ থাকুক ভারতে যাওয়া, অবশেষে বলবো ধন্যবাদ Covid-19

মোঃ আল আমিন
১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:৩৬

কলকাতাকে আমি ভালোবাসি। সেই শৈশব থেকেই যখন নচিকেতা, কিশোর কুমার, বাপ্পি লাহিড়ী, মান্নাদে দের মত শিল্পিদের গান শুনতাম তখন থেকেই কলকাতা যাওয়ার খুব ইচ্ছে হতো। তাছাড়া সীমান্ত নামক একটি বিভাজনের দেয়াল পার হলেই ঐ পারে আমার ভাষায় কথা বলা ভাই- বোনদের বসবাস!!! কিন্তু আজ অনেক মাস যাবত কলকাতায় যেতে পারছি না কিংবা কেউ যপতে পারছে না এতে আমি প্রচন্ডরকম খুশি। কারন এতে করে আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের অভ্যেস গড়ে উঠছে, বিশেষ করে পোষাক। আর একটি কারন হচ্ছে ভিসা বন্ধ থাকায় আমাদের আভ্যন্তরীন ট্যুরিজম ব্যবসাটিও চাঙ্গা হয়ে উঠছে। তবে কলকাতার ভাইদের জন্যও শুভকামনা রইলো।

liakat
১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:০৬

pls stop all kind of indian vissa

Khokon
১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ২:৫৯

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এ দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ রূপে নিজেদের উপরই নির্ভর করা দরকার। আমরা আজ ৫০ বছর স্বাধীনতা উৎযাপন করতে যাচ্ছি এই কথা স্মরণ রেখে দেশের উন্নতির জন্য অবশ্যই নিজেদের উৎপাদন ক্ষমতাএবং স্বনির্ভরতা অর্জন করা জরুরি। যতদুর সম্ভব ভারতের পণ্য বর্জন করে নিজেদের উৎপাদন বাড়ানো, নিজেদের দ্রব্য নিজেদের মধ্যে ব্যাবহারের তাৎপর্য তুলে ধরা হয় তাহলে পরের উপর নির্ভর সিলতা অনেকটা কমে যাবে। পাশ্ববর্তী দেশ হিসাবে ইন্ডিয়া এমন কিছু আচরণ করে যা মানুষকে বিভ্রান্ত করা চড়া আর কিছুই দিতে পারে নাই !

অন্যান্য খবর