× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার

গাজীপুরে কলেজছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে | ১৭ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৮:৪৬

গাজীপুরে এক কলেজছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এ ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিএমপি’র সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর আনন্দ ও রানা নামের দু’জন গ্রেপ্তার হলেও মূল আসামি নাঈম এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করার পরও এই গণধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিকটিম ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে এইচএসসি পড়ুয়া ভিকটিমকে তার এক বন্ধু নাঈম জয়দেবপুরের বাসা থেকে ফোন করে ডেকে নেয়। বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে একটি অটোরিকশায় প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে শিমুলতলী এলাকায় নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমসহ তিনজনকে দেখতে পায় ভিকটিম।
সেখানে জঙ্গলের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোর করে তিনজনে দল বেঁধে ধর্ষণ করে। এদের হোতা নাঈম মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে দুবার। ধর্ষণে বাধা দিলে এ সময়  তাকে শারীরিকভাবে জখম করা হয়। পরে ধর্ষণকারীরা ছাত্রীকে নানাধরনের হুমকি দিয়ে অটো স্ট্যান্ডে রেখে দ্রুত সটকে পড়ায় তার চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে তুলে দেয়। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে তাকে নেয়া হয় শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরীক্ষার পর সেখানেই ভর্তি রয়েছে ভিকটিম। ভিকটিমের বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর তার মা একটি ব্যাংকের পরিচ্ছন্নতা কর্মী। জেলা শহরের একটি বেসরকারি কলেজে পড়ুয়া ভিকটিমের সঙ্গে ধর্ষণকারীদের হোতা নাঈমের পরিচয় হয় একই সঙ্গে লেখাপড়ার সুবাধে।
জিএমপি’র ডিসি (ডিবি) মো. জাকির হাসান জানান, এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে আনন্দ ও রানাকে সদর থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি নাঈমকে গ্রেপ্তারের জোর তৎপরতা চলছে। তিনি আশা করছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। অন্যদিকে, ভিকটিম বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতাল রয়েছে। তার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এই কলেজছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্থানীয় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বলছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার না হলে তারা আন্দোলনের ডাক দেবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর