× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার
কলকাতা কথকতা

এক অভিনব ভার্চুয়াল বিয়ে, পাত্রী ঢাকায়, পাত্র বর্ধমানে

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা | ১৭ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৯:১০

দু’ প্রান্তে দুটি ল্যাপটপ। পাত্রী বসে তার ঢাকার বাড়িতে সাজগোজ করে ল্যাপটপের সামনে। পাত্র বর্ধমানের দাঁইহাটার বাড়িতে বিয়ের জোব্বা পড়ে আর একটি ল্যাপটপের সামনে। দু’ প্রান্তের দুই কাজীসাহেব নিকা কবুল করলেন। ব্যস, বিয়ে হয়ে গেল কুয়েতের সাবেক বাসিন্দা, অধুনা ঢাকায় থাকা মেয়ে সাহারাম ফাতেমার সঙ্গে পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাটার তের নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মির আদম আলির পুত্র মির আবু তালেব আলির।
এপার বাংলা, ওপার বাংলার এই মেলবন্ধনে কব্জি ডুবিয়ে দাওয়াত খেলেন বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় স্বজনরা। মেনুতে ছিল পোলাও, মাংস, মিষ্টির অফুরান আয়োজন। বিয়ের প্রতিটি রীতি মেনে কাজী সাহেবরা আবু তালেব আর সাহারামের বিয়ে দেন। তিন বছরের প্ৰেম করোনাকালে পূর্ণতা পায় এভাবেই।
সাহারাম আর আবু তালেবের পরিচয় হয় ভেলোরে। কিডনির চিকিৎসা করাতে দু’হাজার সতের সাল থেকে ভেলোর যাওয়া আসা করছেন তালেব। সাহারামের বাবা কুয়েত থেকে দুহাজার আঠারোয় বড় মেয়েকে নিয়ে ভেলোরে যান চিকিৎসার জন্যে। সঙ্গে ছিলেন ছোট মেয়ে সাহারাম ফাতেমা। প্রথম দেখাতেই তালেব এবং সাহারাম একে অপরের প্রেমে পড়েন। পরে ওরা কুয়েতে ফিরে যাওয়ার পর দু’জনের যোগাযোগ ছিল ফেসবুকে। লকডাউন এর আগে ঢাকায় এসে আটকে পড়েন সাহারামরা। আন্তর্জাতিক উড়ান বন্ধ। সামনাসামনি নিকার কোনও সুযোগ নেই। তাই এই ভার্চুয়াল বিয়ে। তাতেই মহাখুশি তালেব আর সাহারাম। দুজনেই বলছেন, এই করোনাকালে নিকা তো হল !

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর