× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

গোবিন্দর কাণ্ড

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক | ১৭ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১১:৪৫

তারকা হয়েও তারকাসুলভ আচরণ গোবিন্দর বরাবরই অপছন্দের। ইন্ডাস্ট্রির বাকি তারকারা যেখানে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করতে অভ্যস্ত, গোবিন্দর অত মাথাব্যথা নেই নিজের বাহন নিয়ে। হৃতিক রোশন হোক বা প্রিয়াংকা চোপড়া। অন্য তারকারা যেখানে নিত্যনতুন গাড়ি কিনতে ভালবাসেন, সেখানে গোবিন্দ এক বার মহিষ কিনে এনেছিলেন! ব্যক্তিগত জীবনে তিনটি জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ গোবিন্দর জীবনে। তার মায়ের নির্দেশ, তার পুজো করার সময় এবং তার ডায়েট। এই তিনটি বিষয়ে এক চুল এ দিক থেকে ও দিক হওয়ার উপায় নেই। গোবিন্দর ডায়েটে দুধ থাকবেই থাকবে। অন্য কোনও হেলথ ড্রিঙ্ক নয়।
সুস্থ থাকার জন্য তিনি নির্ভর করেন খাঁটি দুধের উপর। গোবিন্দর এক জন নির্দিষ্ট দুধ বিক্রেতা ছিলেন। তিনি রোজ জুহুতে অভিনেতার বাড়িতে প্রচুর পরিমাণ দুধের যোগান দিতেন। বহু দিন তার কাছ থেকে দুধ কেনার পরে গোবিন্দ দুধের গুণমান নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়েন। তার অভিযোগ ছিল, ওই দুধ বিক্রেতা আর খাঁটি দুধ দিচ্ছেন না। বার বার বলা সত্ত্বেও ওই বিক্রেতা দুধে জল মেশানো বন্ধ করেননি বলে অভিযোগ গোবিন্দর। শেষে তিনি তার কাছ থেকে দুধ কেনা-ই বন্ধ করে দেন। গোবিন্দ কিন্তু নতুন কোনও দুধ বিক্রেতার কাছে গেলেন না। পরিবর্তে তিনি একটা মহিষই কিনে ফেললেন। জুহুতে নিজের বাড়িতে গোবিন্দ আনলেন তার নতুন পোষ্যকে। মহিষের দেখভালের জন্য বহাল করলেন নতুন লোক। ব্যবস্থা করলেন মহিষের থাকার জায়গা। গোবিন্দ এবং তার পরিবার খাঁটি দুধের সরবরাহ পেলেও বিবাদ দেখা দিল অন্যত্র। জুহুর মতো অভিজাত এলাকায় মহিষ দেখে আপত্তি তুললেন গোবিন্দর প্রতিবেশীরা। জুহুর ‘জলদর্শন’ আবাসনে থাকতেন গোবিন্দর পরিজনরা। সেখানকার অন্য আবাসিকরা আপত্তি জানিয়ে বলেন, আবাসনের বাসিন্দারা গাড়ি রাখতে পারেন। মহিষ নয়। জুহুতে গোবিন্দর বিলাসবহুল বাংলোও ছিল। আবাসনে রাখতে না পেরে মহিষ নিয়ে গোবিন্দ চলে যান নিজের বাংলোয়। এ বার আর খাঁটি দুধ পেতে কোনও সমস্যা থাকল না। কিন্তু গোবিন্দর পুরনো দুধ বিক্রেতা আবার ফিরে এলেন। শোনা যায়, প্রতি মাসে গোবিন্দর পরিবারে নাকি কয়েক হাজার টাকার দুধ কেনা হত। বছরে সেই টাকা পৌঁছত লাখের কাছাকাছি। এই উপার্জন হাতছাড়া হয়ে যাওয়া মানতে পারছিলেন না ওই দুধ বিক্রেতা। তিনি এসে গোবিন্দর কাছে ক্ষমা চান। ভবিষ্যতে দুধের গুণমান খারাপ হবে না, সেটাও নাকি তিনি কথা দিয়েছিলেন। এর পর পুরনো দুধ বিক্রেতাকে ফের বহাল করেন গোবিন্দ। আর তার পোষ্য? তাকে ফিরিয়ে দেন তার কাছে, যার কাছ থেকে কিনেছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মাহবুবুর রহমান শিশির
১৭ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৬:২৫

আগাগোড়া একজন মানবিক মানুষ মনে হলো এঁকে। অভিনন্দন।

অন্যান্য খবর