× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করবে টিসিবি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৫:৪৪

কয়েকদিন ধরেই আলুর বাজারে অস্থিরতা চলছে। হঠাৎ করেই ৩০ টাকা কেজির আলু বেড়ে হয় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। সরকার আলুর দর নির্ধারণ করে দেয়ার পরও এখনো দাম কমেনি পণ্যটির। এ অবস্থায় টিসিবির মাধ্যমে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা করে আলু বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। রোববার বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে কোল্ডস্টোরেজ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি একথা জানান।
 
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে টিসিবি ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি শুরু করবে। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে তিন স্তরে যে দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সেটা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১০:০১

Don't know why the price of potatoes gone up this year. In Canada we bought 4.5 KG bag for 2.99 dollars. This year Canada already harvested potatoes but price of same bag is 5.99 dollar.

আবুল কাসেম
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৮:২৮

এমন একটা শ্রেণির লোক সমাজে রয়েছে যারা সবসময় উপেক্ষিত থেকে যায়। তাদের ব্যাপারে সময়ে সময়ে আলোচনা হয়, কিন্তু কার্যক্ষেত্র খুব কমই তারা সুবিধার ছোঁয়া পায়। এরা না পারে টিসিবির ট্রাকে লাইনে দাঁড়াতে না পারে উচ্চ মূল্যে বাজার থেকে কিনতে। এমতাবস্থায় মধ্যবিত্ত এই শ্রেণির নাগালের বাইরে থেকে যায় টিসিবির ট্রাকের পেঁয়াজ, আলু, চাল, ডাল, তেল। মূলত টিসিবির পণ্য গরীব ও নিম্নবিত্তের জন্য খুবই উপকারী। উচ্চবিত্তবান শ্রেণির লোকেরা বাজার থেকে উচ্চ মূল্যে কিনতে পারে। নিম্নবিত্তরাও ট্রাকের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে পারে। মধ্যেবিত্তদে নাভিশ্বাস উঠে। তারা না পারে ট্রাকের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না পারে উচ্চ মূল্যে বাজার থেকে কিনতে। এখানে বৈষম্য প্রকটভাবে দেখা যায়। অথচ মধ্যবিত্তদের বসবাস সমাজে সংখ্যায় বেশি। টিসিবির ট্রাকে কম দামে পণ্য বিক্রির সুবিধা ভোগ করার সুযোগ পায় সমাজের নিম্ন শ্রেণি। তারা সংখ্যায় মধ্যবিত্ত শ্রেণির চেয়েও কম। সুতরাং বাজারে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এই ব্যবস্থা একেবারেই অকেজো এবং প্রমাণিত সত্য হলো, টিসিবির ট্রাকে কম দামে পণ্য বিক্রি হলেও বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তেই থাকে। সমাজে উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের একত্রিত সংখ্যার চেয়েও মধ্যবিত্তের সংখ্যা অনেক বেশি। অতএব তাদের সমস্যা উপেক্ষা করা বা দৃষ্টির আড়ালে রেখে দেয়া বাঞ্ছনীয় নয়। নিম্নবিত্তকে সুবিধা দিতে হবে এবং সেটা অনস্বীকার্য। কিন্তু সার্বিকভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সর্ব শ্রেণির জন্যই উপকার হয়। শোনা যায় বাজার নিয়ন্ত্রিত হয় সিন্ডিকেটের ইশারায়। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দৌরাত্ম বহাল আছে। তারা প্রমাণ করতে পেরেছে, তারা বহু গুণ বেশি শক্তিশালী। মাননীয় কৃষি মন্ত্রী যখন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন তখন আমাদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা আরো বৃদ্ধি পায়। প্রকৃতপক্ষে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙা সরকারের জন্য অসম্ভব ? নাকি দলের পরিচয় দিয়ে এখানেও কিছু অসাধু লোকের দৌরাত্ম চলছে। সন্ত্রাস, জঙ্গি উত্থান সহ অনেক কিছুই সরকারের সফল নিয়ন্ত্রণে আসলেও বাজার অনিয়ন্ত্রিত থাকায় কেমন যেনো বেখাপ্পা লাগছে !

অন্যান্য খবর