× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী যৌথভাবে উদ্‌যাপন করবে বাংলাদেশ-ভারত

প্রথম পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সুবর্ণজয়ন্তী আগামী বছর যৌথভাবে উদ্‌যাপন করবে ঢাকা ও নয়াদিল্লি। তাছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীতে আসন্ন ২৬শে মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্‌যাপিত হবে     
। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন, ২৬শে মার্চের ঢাকার আয়োজনে অংশ নিতে এরইমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মোদি বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং নীতিগতভাবে সফরের সম্মতি দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, সামনের বছর ১৭ ও ২৬শে মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দু’টি দিন রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমরা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে চাই। এটি আমাদের বিজয়, ভারতেরও বিজয়। আমরা এটি একসঙ্গে উদ্‌যাপন করবো।
ওই দিনে শুধু বাংলাদেশে অনুষ্ঠান হবে না, অন্য দেশের রাজধানীতেও এটি উদ্‌যাপিত হবে। ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মার ওই সাক্ষাৎ-বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হয়। পরে বৈঠক বিষয়ে মন্ত্রী নিজেই গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেন। বলেন, ভারতের নয়া দূত বিক্রম এবং তার ঊর্ধ্বতন অনেকের সঙ্গে আমার চেনা-জানা বহুদিনের। আমরা সেই যোগাযোগ মেন্টেইন করি। হাইকমিশনার বিক্রমের মেধা ও প্রজ্ঞার ভূয়সী প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তার পদায়নে আমি খুশি। তিনি আমার পছন্দের মানুষ, কথা বলে তার প্রজ্ঞার পরিচয় পেয়েছি। মনে হয়েছে তিনি বাংলাদেশের ইস্যুগুলো ভালোভাবে জানেন এবং চর্চা করেন। দায়িত্ব নেয়ার পর অনেকের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার সঙ্গে আলাপে সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক জেসিসি’র ফলোআপ নিয়ে কথা হয়েছে। জেসিসিতে ভারতীয় ঋণে বাংলাদেশে চলমান প্রকল্পগুলোর নির্বিঘ্ন বাস্তবায়ন নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজকের বৈঠকেও আমরা এ নিয়ে আলোচনা করেছি, যেন আমাদের কোনো বদনাম না হয়। আগামী ১৬ বা ১৭ই ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হতে পারে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরে বৈঠকটি হবে। তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা যায়নি। ভারতের দিক থেকে ১৬ই ডিসেম্বর বৈঠকের আগ্রহ দেখানো হয়েছে। কিন্তু ওই দিন আমরা যথেষ্ট ব্যস্ত থাকবো, ফলে উভয়ের সুবিধাজনক সময় খোঁজা হচ্ছে। মেহেরপুর টু নদীয়া সড়কটিকে ‘স্বাধীনতা সড়ক’ নামকরণের প্রস্তাব আগেই করেছিলেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তা পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল ১৭টি গাড়িতে চড়ে বিদেশি সাংবাদিকসহ অনেকে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে মেহেরপুরে এসেছিলেন। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই সড়ক আজ পরিত্যক্ত প্রায়। আমরা চাই এটি স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে খুলে দিতে। হাইকমিশনার এ বিষয়ে আমার সঙ্গে একমত। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে মোমেন বলেন, এটি কখনো ইস্যু হওয়া উচিত নয়। কিন্তু প্রায়শই হত্যা সংঘটিত হচ্ছে, ইস্যু হয়ে আলোচনায় উঠছে। এটি দুঃখজনক। সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়ে সর্বশেষ জেসিসি বৈঠকেও কথা হয়েছে। তার আগে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের আলোচনায় ভারতীয় পক্ষ স্পষ্ট অঙ্গীকার করেছে এটি ‘জিরো’তে নামিয়ে আনতে। কিন্তু তা এখনো কার্যকর না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে আজকে আমরাও আলোচনা করেছি। যদিও আমাদের সীমান্ত বাহিনীর প্রধানরা (গত মাসেই) প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, কোনো হত্যাকাণ্ড হবে না, কিন্তু হচ্ছে। সীমান্ত হত্যাকে ‘ছোট বিষয়’ আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কিন্তু প্রসঙ্গটি বারবার আসছে। ভারতীয় দূতও এটি স্বীকার করেছেন। তবে এতে ‘দুই পক্ষেরই ঝামেলা আছে’ বলে মনে করেন তিনি (ভারতীয় দূত)। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক বিরাজমান এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপ বা আলোচনায় ঘনিষ্ঠ দুই প্রতিবেশীর অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটি বিশ্বে অনন্য নজির। বিশেষত, একটি মুসলিম এবং নন-মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে এমন সংলাপ বা আলোচনায় সমস্যার সমাধানের রেকর্ড দুনিয়াতে দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু আমরা এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি খুব একটা পাইনি। ভারতীয় হাইকমিশনারকে বিষয়টি বললাম, তিনিও তা মানলেন। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার শান্তিপূর্ণ নির্ধারণের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, এসব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের পরিপক্বতা প্রদর্শিত হয়েছে। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের বিভিন্ন উদাহরণ উল্লেখ করেন। ভারতের সঙ্গে বিশেষ বিমান পরিসেবা এয়ার বাবল শিগগিরই চালু হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি চালু হলে পররাষ্ট্র সচিব নয়াদিল্লি যাবেন। তবে আমার বক্তব্য হলো, বাস ও ট্রেনে মানুষের যাতায়াত চালু করা। কারণ আমাদের অধিকাংশ লোক গাড়িতে এবং রেলে যাতায়াত করে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ভারত ওই বাস ও রেল যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তারা কোভিড নিয়ে খুবই শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। ভারতের আকার বা বিশালত্বের বিষয়টি স্মরণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের বিরাট প্রতিবেশী। তারা আমাদের পাত্তা না দিলেও পারতো। কিন্তু দেশটির সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক, তারা আমাদের উপকারী বন্ধু। ভ্যাকসিন নিয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Abu Saleh Chy
২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৪:১৪

প্রেম আর বন্ধুত্ব যদি সৃষ্টি ও সুন্দরের না হয়ে হিংসা, অবিচার ও শত্রুতার হয় তবে সেখানে প্রেম বা বন্ধুত্ব কোথায় ? প্রেমিক যদি তার মূল্যবোধ না জানে ও না করে তবে সে কেমন বন্ধু বা প্রেমিক? একইভাবে দেশ প্রেমিকদের কাছে যদি তার দেশের মূল্যবোধ না থাকে বা নতজানু মূল্যবোধ থাকে তখন তার দেশ প্রেম কোথায় থাকে আর কি নিয়ে মুক্তি যুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে এতো গর্ব ? আমরা মুক্তি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করছি বলে বেশি দেশ প্রেমিক দাবি করি। প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সেদিন তাদের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়েছে। সে উজাড় করা ভালোবাসা আর সাহায্য কোনোদিন ই ভুলবোনা। সম্ভব হলে আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে ভারতের সে মহান অৱদানের প্রতিদান দিতে চাই । হতে পারে নিজের প্রতিরক্ষার জন্যেই আমাদেরকে এ সাহায্য করেছিল। কিন্তু যেকারোনেই হউক সাহায্য তো সাহায্য। কোনোভাবেই অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই । যদিও প্রতিবেশী হিসেবে প্রতিবেশীকে এইটুকু করা মানুষ হিসেবে মানুষের প্রতি মানবিক দায়িত্ব বা সাধারণ নিয়মেই পরে । তাইতো বলি প্রতিবেশীকে বন্ধু বা প্রতিবেশী দেশকে বলি বন্ধু দেশ। এটি একটি সত্য, সুন্দর ও সুচিন্তা। কিন্তু যদি এমন হয় যে আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ আর অন্যের সর্বোচ্চ সাহায্যে যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি বা শত্রুকে দখল মুক্ত করেছি। পরে এ সাহায্যের ঋণ পরিশুধ করতে রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা ও মর্যাদাটুকু সাহায্যকারীকে দিয়ে দিতে হয় তখন আমার সর্বোচ্চ ত্যাগের অর্জন হয়ে দাঁড়ায় শুন্যের ঘরে এবং লখ্য প্রমাণিত হয় ভুল । অন্যদিকে সাহায্যকারীর সাহায্য প্রমাণিত হয় লোভের টুপ্ দিয়ে উজাড় করে দেয়ার বিনিময়ে নিঃস্ব করে নেয়া। যাইহোক আমরা যে দেশ প্রেমিক, আমাদেরকে বুজতে হবে আমরা কি করছি আর কি হচ্ছে ? আমরা কি দিচ্ছি আর কি পাচ্ছি ? আমরা কি দেবার কথা ছিল আর ওরা কি এখন আমাদের কাছ নিতে চায় ? যে চরম মূল্যে পরম ত্যাগে স্বাধীনতা ও সর্বভোমত্ব অর্জন করেছি এখন কি আবার বিসর্জন দিবো ? ত্যাগের বিনিময়ে যে অর্জন বা অর্জন করতে গিয়ে শত্রু আর মিত্র হলাম এখন যদি মিত্র বা বন্ধু সে কথিত শত্রুর মতো আচরণ করে তখন তার অবস্থান কোথায় দাড়াবে ? বন্ধু না শত্রু হিসেবে ? আমাদেরকেতো আরো ভাবা দরকার যে দেশের জনগণ নিজ দেশ ও জাতিকে ভালোবেসে সংখ্যা লগু সম্প্রদায় হয়েও সংখ্যা গরিষ্টদের কয়েকগুন বেশি আত্মদান করেছে। যদিও ভারত সেসব ভারত প্রেমিক বীর মুসলমানদের কথা ভারতের ইতিহাসে স্থান দেয়নি তবুও ইন্ডিয়া গেটে রয়েছে তার একটি হিসাব। ভারতকে ভালোবেসে আত্ম উৎসর্গকারীর মোট ৯২৩৫৩ জনের মধ্যে ৬২৯৪৫ জন মুসলমান আত্ম উৎসর্গেকারীর নাম লিখা রয়েছে। জেনে রাখা ভালো অর্ধেক সত্য বলা আর অর্ধেক সত্য নিজ সুবিধা ভোগের জন্যে জেনে না বলা বা ইতিহাসে অর্ধেক সত্যকে সংরক্ষিত করা আর অর্ধেকে না করা একটি চরম জগন্যতম অপরাধ। আর যদি তা রাষ্ট হিসেবে কোনো রাষ্ট করে তবে কি বলবো সে ভাষা আমার জানা নেই। ভারতের রাষ্টিও আয়ের একটি বড় আয় পর্যটন আয়। ভারতে মুসলিমদের স্থাপত্য কর্ম ভারতকে দুনিয়ায় বিখ্যাত করে উপস্থাপন করছে এবং পর্যটন আয়ের বড় অংশ এই স্থাপত্য কর্ম থেকে আসে। আর আজ সে মুসলিমদের উত্তরসূরিদের দেশ বিরুধী বলে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে সরকার দিনে দিনে যতসব নিয়ম করছে। তা আমরা এদেশে ৮৫ ভাগই মুসলমান। আমরা যদি বন্ধু ভেবে প্রাণ খুলে তাদের সাথে একাকার হয়ে যাই তাতে কি ভারতের মুসলমানদের বের করে দিয়ে আমাদের জামাই আদর করবে ??? বরং আমরা মুসলিম সখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হবার কারণে হিংসায় ভারতের ৪০ লক্ষ মুসলিমদেরকে বাংলাদেশী বলে বল প্রয়োগের সহিত বাংলাদশে ঢুকিয়ে দিতে চায় ভারতের ক্ষুদ সরকারই। যদিও আমাদের দেশেও এরকম ধর্মবাদী দল আছে আর ভারতে বা হিন্দু ধর্মালম্বীর অনেকেই পরম মানবিক ও সরকারের এই নীতির চরম বিরুধী আছেন । তবে ধর্মীয় অনুশাসনে বা ইসলামে অন্য ধর্মকে আঘাত করা নিষেধ। তাই ভারতের ধর্মবাদী সরকার যা করতে পারে বাংলাদেশের ধর্মবাদীরা তা করতে পারেনা বা করেনা। তাছাড়া বন্ধু রাষ্ট হিসেবে আমাদের সাথে যেসকল আচরণ ভারত করছে তা আর এখানে বলার দরকার নেই। বলতে গেলে ফেলানী কান্ডতো হচ্ছেই এছাড়া আরো কত আবরার কান্ড হতে হবে। মানুষ হত্যা জগন্য অপরাধ হলেও যে গরু চুরি অপবাদে বাংলাদেশিদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়। সে গরু চুরি ও পাচার ভারতের বি এস এফ কর্মকর্তাদের একটি ব্যবসা বলে সম্প্রতি ভারতের সরকারের এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। তারপর আর কিভাবে আমাদের মন্ত্রীরা নিজেদের জনগণকে গরু চুরির দায়ে মৃত্যুর স্বীকার হয়েছেন বলে অপবাদ দেবেন ?

Amir
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:০৯

-----সুবর্ণ জয়ন্তী যৌথভাবে উদ্‌যাপন-----এটি আমাদের বিজয়, ভারতেরও বিজয়। আমরা এটি একসঙ্গে উদ্‌যাপন করবো।........... এটি ভারতসহ অন্যান্য বন্ধুদের সহায়তায় আমাদের বিজয় ছিল,ভারতসহ অন্যান্য দেশের বন্ধুদের আমন্ত্রিত অতিথি করে আমরা স্বাধীনতার এই সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব ।পদাধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য বিচার্য ব্যবহার(judicious use) মূলক হতে হয়, এটা মন্ত্রীমহোদয় নিশ্চয়ই জানেন!

Md Delwar Hussain
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:২৩

boarder killing is not choto bishoy. if your son/daughter would kill at border , you realize . what a shame you are foreign minister of Bangladesh.

অন্যান্য খবর