× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

ধর্ষণের ঘটনায় ১৭ দিনের মধ্যে রায়, আসামির যাবজ্জীবন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:১১

বাগেরহাটে একটি ধর্ষণ মামলায় দ্রুততম বিচারের নতুন নজির তৈরি হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনার মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হয়েছে। চার্জ গঠনের এক সপ্তাহের মাথায় বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. নূরে আলম আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে একমাত্র আসামি আব্দুল মান্নান সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।  সেইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মোংলা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের এই মামলায় চার্জ গঠন হয় ১২ই অক্টোবর। আর রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এই মামলার আসামি আব্দুল মান্নান সরদার মোংলা উপজেলার মাকোড়ডোন গ্রামের ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকার প্রয়াত আহম্মদ সরদারের ছেলে। গত ৩রা অক্টোবর বিকালে সে বিস্কুট খাওয়ার প্রলোভন দিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। ওইদিন রাতেই মেয়েটির মামা মোংলা থানায় আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোংলা থানার এসআই বিশ্বজিত মুখার্জ্জী ১১ই অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১:৪৬

এই রায়টি ব্যতিক্রমি, যুগান্তকারী, নজির স্থাপনকারি ও বাদীপক্ষের, সাথে জনগণের জন্যও স্বস্তিদায়ক হলেও আসামি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ভোগ করবে কিনা নাকি বিশেষ মুহূর্তে বিশেষ কারণে জেল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায় তার নিশ্চয়তা নেই। তবে সে যাই হোক তদন্তকারি কর্মকর্তা ও বিচারক একটি স্মরণযোগ্য এবং প্রসংশাযোগ্য কাজ করেছেন। এই খবরটা সারা দেশে ব্যপক প্রচার করা হলে অপরাধ করার আগে কেউ অন্তত একবার চিন্তা করবে। এখন এটা তো হলো নিম্ন আদালতের রায়। এরপর উচ্চ আদালত রয়েছে। আসামিরা উচ্চ আদালতে গেলে সেখানের রায়ও যদি অল্প সময়ের মধ্যে হয় তাহলে সেটাও হবে একটা দৃষ্টান্ত। তাহলে অপরাধীরা অন্তত কিছুটা খামোশ খেতে পারে।

Amir Hussain
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১০:২৪

এ রকম প্রশাসন ও বিচারক চাই। ধন্যবাদ সকলকে।

জসিম
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১০:১৯

১০০%ঠিক

Md. Harun al-Rashid
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:৫৯

বিচারকের সদেচ্ছা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার সক্ষমতা প্রকাশ করে- যা তাড়হুড়োর বা শ্লথগতির বিচার প্রক্রিয়ার অপবাদ থেকে মুক্ত থাকবে। কারন অপরাধী যখন আক্রান্ত কতৃক তাৎক্ষনিকভাবে সনাক্ত হয় ও তদন্তের মুখে অপরাধী আত্নস্বীকৃত হয় তখন এমনটিই হওয়া বাঞ্চনীয়। এতে ধর্ষন অপরাধের অভিপ্রায়ে সুযোগ সন্ধানী চক্র কিছুটা হলেও ভীত হবে।

Kazi
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৯:২৫

Good news. If such accelerated decision is taken in all cases some change may occur insha Allah

Amir
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:২১

ধর্ষণ মামলায় চার্জ গঠনের এক সপ্তাহে বিচার-----হ্যাঁ ম্যারাথন গতিতেই এই সমস্ত মামলার কার্যক্রম শেষ করতে হবে ,বছরের পর বছর মামলা ঝুলিয়ে রাখার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

অন্যান্য খবর