× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

স্বাস্থ্যের ৭৫ কোটিপতি: স্যারেরা কি আইনের আওতায় আসবেন?

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১২:২৩

স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি এখন রীতিমতো রূপকথা। একেকজন তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ধরা পড়েন আর আমরা শিউরে উঠি? তাদের সম্পদের হিসাব মিলাতে হিমশিম খান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। পত্রিকার রিপোর্টেও সব লিখে কুলিয়ে ওঠা যায় না। কেউ কেউ আফসোস করেন, আহা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ি চালকও যদি হওয়া যেতো।

এইসব রূপকথার মধ্যে নতুন খবর হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতের ৭৫ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারির খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা এদের প্রত্যেকেই কোটিপতি। ইতিমধ্যে অন্তত ৫০ জনকে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস দেয়া হয়েছে। সোমবার ঢাকার দৈনিক আমাদের সময় এবং দেশ রূপান্তর এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।  দুদক সচিব দিলওয়ার বখত বলেন, আমরা ৭৫ জনের তালিকা তৈরি করে অনুসন্ধান করছি। কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তালিকাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও অবৈধ সম্পদ উৎস ও অর্থ লোপাটের তথ্য পাওয়া যাবে। তা ছাড়া কমিশনের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান। নতুন যাদের নাম আসবে পর্যায়ক্রমে তাদেরও অনুসন্ধানের তালিকায় আনা হবে।’ দেশ রূপান্তরের রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুদকের পরিচালক আব্দুল আউয়াল কর্তৃক পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কমিটির পরিচালকের কাছে অনুসন্ধানের জন্য ৭৫ জনের তালিকা পাঠানো হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের একজন পরিচালক বলেন, ‘এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবাই কোটিপতি বলে আমরা প্রাথমিক তথ্য পেয়েছি। গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর কয়েক কর্মকর্তা ও তাদের স্ত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যে নোটিস দেওয়া হয়েছে।’

৭৫ জনের মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারির সংখ্যা অবশ্য স্পষ্ট হওয়া যায়নি। কিন্তু কিছু দিন পরপরই আমরা স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতিবাজ ধরার খবর দেখি। এদের প্রায় সবাই কর্মচারী। যদিও তাদের সম্পদ দেখে যে কারওই বিস্মিত হওয়ার কথা। আবজাল এখন কারাগারে। দেশ-বিদেশে তার সম্পদের ফিরিস্তি পত্রিকায় বহুবার প্রকাশিত হয়েছে। কয়দিন আগেই এক গাড়ি চালক পাওয়া যায়। যার ঢাকায় তিনটি বাড়ি, একটিতে আবার ২৪টি ফ্ল্যাট। এমন বা তার চেয়ে বেশি সম্পদের মালিক আরেকজন গ্রেপ্তার হলেন এই তো সেদিন।

এখন কথা হচ্ছে, এই কর্মচারীদের কারও হাতেই আলাদিনের চেরাগ নেই। স্যারদের সহযোগিতা ছাড়া তাদের পক্ষে সম্ভব  নয় কোটিপতি ক্লাবের মেম্বার হওয়া। কেবল এই কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনলেই স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি বন্ধ হবে না। কান টানাই দুর্নীতি বন্ধের জন্য যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন, বড় বড় দুর্নীতিবাজদেরও আইনের আওতায় আনা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Banglar Manush
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:২৮

J-o-y B-a-n-g-l-a!!!

মিজানুল হক
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৭:২২

চুনোপুটি ধরা পড়ে,রাঘববোয়ালদের খবর নাই।

Khokon
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:০৮

শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হবে কেন, মনে হয় প্রতিটি দপ্তরেই লুকিয়ে আছে হাজার হাজার টাকার রাঘব বোয়ালরা । দুদক যেখানেই হাত দিয়েছে, সেখানেই তো রাঘব োয়ালরা ধরা পড়েছে। এমন কি দুদকের ঘরেই তো আছে রাঘব বোয়ালরা ?

মোতাহার
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ২:৫৩

স্যার বললে তো অনেক উপরে যেতে হবে, যেখানে হাত বাড়ানোর ক্ষমতা দুদকের নেই। তাই বাঘ শিকার না হোক, ২/২ টি চড়ুই পাখী শিকার করে হলেও তো শিকারী নামটা ধরে রাখা যায়।

মোঃ শহীদুল ইসলাম
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১:০৬

স্বাস্থ্য খাতের যে সকল বড় বড় দুর্নীতিবাজ রাঘব বোয়ালদের ছত্রছায়ায় ও সহযোগিতায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা দুর্নীতি করে কোটিপতি হয়েছে সে সকল বড় বড় দুর্নীতিবাজ রাঘব বোয়ালদের তালিকা তৈরি করে প্রকাশ করা হোক এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Siddq
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১২:৩৫

Why only sirs? Investigate all ministers all police officers and all political pandas. We are running our country through gundatantra and these are consequence. Joy hok gundatantrer. Innocent public can die, never ask any question on that.

Md. Harun al-Rashid
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১:১৪

পত্রিকা মারফত জানা গেল যে প্রকল্পর দাপ্তরিক অবয়ব এতো দীর্ঘ ও বিস্তৃত ভাবে তৈরী করে উপর মহলের অনুমোদনের জন্য উপস্হাপিত হয়। তা অক্ষরে অক্ষরে পঠন ও অনুমোদন সময় ও ধৈর্য সাপেক্ষ ব্যপার। তা ছাড়া অর্থ বৎসরের শেষ কয়টা দিনে অর্থ ছাড়ের মছ্ছবে প্রকল্পের অতিমূল্যায়িত বিষয়গুলি কৌশলে উপস্হাপিত হয় পারস্পারিক বোঝাপাড়ায়। এখানেই অধিকাংশ অপকর্মগুলি হয়। তাই শেষ মূহুর্তে তড়িঘড়ি অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিবীড় পর্যবেক্ষনে রাখলে প্রকল্পের অর্থ তসরুফ কিছুটা হলেও ঠেকানো যাবে।

আশিকুল ইসলাম
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১১:৪২

কেমনে আসবে! সেখানে যে স্যারের স্যারেরা‌ ---------- ‌

Mohammed Faiz Ahmed
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১২:৩১

স্বাস্থ্যের ৭৫ কোটিপতি: স্যারেরা কি আইনের আওতায় আসবেন? mone hoy na.

অন্যান্য খবর