× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী বিকেএসসিপিবি’র

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৪:৩৪

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ পরিষদ বাংলাদেশ(বিকেএসসিপিবি)।
 
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
 
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মো. আনিছুর রহমান মাস্টার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পুরো বিশ্বের মতো আমরাও দিশেহারা। কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজগুলোর অবস্থাও শোচনীয়। গত ১৭ই মার্চ থেকে সরকারি আদেশ মোতাবেক সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যায় কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৬০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ আছে। এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২ লক্ষ শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত আছেন এবং প্রায় এক কোটিরও অধিক শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করে আসছে এই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজগুলো নানা কারণে অর্থনৈতিক দূরাবস্থার শিকার। আমাদের শিক্ষক, কর্মচারীগণ সামান্য বেতনে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।  করোনার এই মহামারীতে এই সকল শিক্ষক কর্মচারী মানবেতর জীবন যাপন করছে।  কারণ ছাত্র/ছাত্রীর টিউশন ফি হলো প্রতিষ্ঠানের এক মাত্র আয়ের উৎস যা গত ১৭ই মার্চ থেকে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজগুলো  বেশির ভাগ ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত। এই মহাদূর্যোগে কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজগুলোর বাড়ি ভাড়া ও শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।
যার ফলে শিক্ষাক্ষেত্র এক বিরাট বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে চলেছে।
 
তিনি আরো বলেন, ১লা নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজগুলো খোলার অনুমতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে স্ব-উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে রক্ষার জন্য এই শিক্ষা খাতকে “শিক্ষা উদ্যোক্তা” ঘোষণা করা হোক। সরকার যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে সহজশর্তে ও সল্প সুদে ব্যাংক ঋণ –এর ব্যবস্থা করে দেয়। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর জন্য একটি পৃথক বোর্ড গঠন করা অথবা একটি রেগুলেটরি কমিশন গঠন করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানাচ্ছি।
 
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের আহব্বায়ক লায়ন মো. কাবুল মিয়া, যুগ্ম আহব্বায়ক হরেরাম দাস, মো. মোস্তাফিজুর রহমান মুজাহিদুল, মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সদস্য মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় সদস্য আলমগীর কবির প্রমুখ।
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nazim Uddin
২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৫:২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেই কি শিশুরা নিরাপ? এখন শিশুরা কতটুকু নিরাপদে আছে?

Kazi
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:২৭

জীবন রক্ষা বড় না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা বড় ? আপনাদের কাছে জানতে চাই । শিশুদের আপনাদের প্রতিষ্ঠানে পাঠালে টাকা (বেতন ) পাবেন। এরা কচি শিশু । করোনা থেকে বাঁচার পদ্ধতি জানে না। এমনকি ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ জানে বলে সন্দেহ আছে। তাই অবুঝ শিশুদের রক্ষা কে করবে ? যেখানে টাকা ই আপনাদের কাছে মুখ্য ।

Kamal hossen
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৭:৪৯

Right

মোঃ মুজিবুর রহমান
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:৩১

শিক্ষা প্রতিষ্ঠন খুলে দেওয়া হক

Shohrabul
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:১০

Ae "BongoBondhu" naam ta use korar ekta nitimala amadyr nation er jonno ENERGENCY hoy a gaycy. Noy to daykha jaby, ko din por so called educated social criminal ra o, ae naam er opo-baybohar shuru korby. So, please ekta nitimal craete kory daily news paper a disclose korun.

অন্যান্য খবর