× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা : তিন পুলিশের জবানবন্দি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৭:৫৩

সিলেটে পুলিশের নির্যাতনে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য। তারা তিন জন ঘটনার রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকালে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক মো. জিহাদুর রহমানের খাস কামরায় পুলিশ কনস্টেবল দেলোয়ার, সাইদুর ও শামীম ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার দিন এই তিনজন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তাই তদন্তের স্বার্থে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।
সিলেট মেট্টোপলিটনের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান নিহতের ঘটনা তদন্তে গত ১১ই অক্টোবর এসএমপির উপ-কমিশনার (ডিসি-উত্তর) আজবাহার আলী শেখের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। বন্দরবাজার ফাঁড়িতেই পুলিশের নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পায় কমিটি। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া, টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এসএমপি’র বন্দরবাজার ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এএসআই আশেক এলাহী, কুতুব আলী, কনস্টেবল সজীব হোসেনকে।
এর মধ্যে এসআই আকবর হোসেন পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জন পুলিশ লাইনে কড়া নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে ১১ই অক্টোবর ভোরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন । রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।
এ ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু আইনে এসএমপির কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী। নিহত রায়হানের শরীরে ১১১ আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ফরেনসিক রিপোর্টে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাতগুলো লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপি-, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর