× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার

মৌলভীবাজারে যৌন হয়রানি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময়

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, মৌলভীবাজার থেকে | ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:১১

মেজনিন প্রকল্পের সহযোগিতায় এবং যৌন হয়রানি নির্মূলকরণ নেটওয়ার্ক মৌলভীবাজার এর আয়োজনে যৌন হয়রানি, বাল্যবিয়ে ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকালে মৌলভীবাজার পৌর মিলনায়তনে মেজনিন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত জেলার ২৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা যৌন হয়রানি নির্মূলকরণ নেটওয়ার্ক, মৌলভীবাজারের যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মুহিবের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন মাসুদ, জেলা যৌন হয়রানি নির্মূলকরণ নেটওয়ার্ক আহ্বায়ক রাশেদা বেগম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেবাশীষ হালদার। মূল প্রবন্ধ যৌন হয়রানি, বাল্যবিয়ে, সাইবার বুলিং প্রতিরোধে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ বিষয়ে মুক্ত আলোচনা পর্বে সকল অংশগ্রহণকারী আলোচনা করেন। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বটি পরিচালনা করেন রেডিও পল্লী কণ্ঠের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার মো. মেহেদী হাসান। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল্লা আল মামুন, মো. মখলিছুর রহমান, অনু রানী ভৌমিক, মোহাম্মদ খালিছউর রহমান, মো. বশির আহম্মেদ, মো. আব্দুল মজিদ, খালেদ চৌধুরী প্রমুখ।

 বক্তরা বলেন, যৌন হয়রানি, বাল্যবিয়ে ও সাইবার বুলিং নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয় এটি সমাজের সকলের বিষয়। নৈতিকতা জাগ্রত করতে হবে। কোনো প্রকারেই অপরাধীকে প্রশ্রয় প্রদান করা যাবে না। কোনটি ভালো কোনটি খারাপ তা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। প্রযুক্তির ভালো দিকসমূহ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে আর খারাপ দিকসমূহ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। আমরা যেন প্রত্যকে যার যার নিজের অবস্থান থেকে যৌন হয়রানি, বাল্যবিয়ে, সাইবার বুলিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা ও সংবেদনশীলতা তৈরি এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় কমিউনিটির উদ্যোগী ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে সমাজে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই সমাজ থেকে এসব সমস্যা নির্মূল করতে পারি। ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবক সম্পর্ককে জোরদার করার ওপর শিক্ষকদের গুরুত্ব প্রদানের জন্য আহ্বান জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর