× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

তৃতীয় শ্রেণি পাস করেই ডেন্টাল সার্জন!

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:২৪

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েই ডেন্টাল সার্জন বনে গেছেন নূর হোসেন নামে একজন। শুধু তাই নয় নিয়মিত চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছিলেন রোগীদের। সহকারি হিসেবে নিয়েছেন মেয়ের জামাই এসএসসি পাশ জাহিদুল ইসলামকে। দুজন মিলে খুলেছেন ডেন্টাল ক্লিনিক। এমন কান্ড চলছিল খোদ রাজধানীর খিলগাঁওয়ে। আজ দুপুরে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ভুয়া এই দুই চিকিৎসককে আটক করেছে। জানা গেছে, তিলপাপাড়া ৭ নম্বর সড়কের একটি বাসার নিচে আগে ডা. জিহান কবির নামে একজন দন্ত চিকিৎসক বসতেন। করোনার শুরুতেই তিনি সেখান থেকে চলে যান।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন নূর হোসেন। আগে একটি দন্ত ক্লিনিকে সহকারি হিসেবে কাজ করার কারণে এ ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতা ছিল। রাতারাতি সাইনবোর্ড পাল্টে নিজে হয়ে যান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। বিষয়টা জানতে পেরে র‌্যাব সেখানে ওঁৎ পাতে। দেখা যায়, এক রোগীর রুট ক্যানেল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নূর হোসেন। এ সময় তাকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত। শ্বশুর নূর হোসেনকে দেয়া হয় দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং জামাই জাহিদুল ইসলাম দেয়া হয়েছে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, দাঁত শরীরের অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি অংশ। অথচ এ বিষয়টা নিয়ে তারা প্রতারণা করে আসছিল। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচার শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গোপন তথ্য অনুযাযী, রাজধানীর বিভিন্ন অলি-গলিতে এমন আরো অনেক ভুয়া ক্লিনিক ডাক্তার আছে, আমরা ধারাবাহিকভাবে সেগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
A ,R ,Sarker
২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৪:১৪

Qualifications /certificate is not enough to measure the worth of anything. Practical knowledge is better.

Kazi
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৭:৪০

যে দেশে প্রতারক এত বেশী তা কন্ট্রল করা অত্যন্ত দুঃসাধ্য । প্রতি মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাহায্যে তদন্ত করেও সম্ভব হবে কি ?

liakat
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১:৫২

why arrest him he has experience.if educated doing durnity

shiblik
২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ১:১৫

র‌্যাবের খুব ভালো একটা উদ্যোগ। এরকম করে প্রতিদিন ৫/৬ টাকে ধরলে, এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে পারলে আমাদের আর বিদেশে যেতে হবে না চিকিৎসার জন্য।

Milton
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:৫৮

Who cares about that? What is the qualification of most of our MPs, Ministers or even Secretaries? Are they meant to be eligible for the posts they are occupying? Rules of law only touches the marginal defaulters, not the one who masterminds it. Shame!!!

অন্যান্য খবর