× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

আড়াইহাজারে দৃষ্টিনন্দন ৫০ স্কুল তৈরি করলো এলজিইডি

বাংলারজমিন

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি | ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:০২

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা এলজিইডি’র আওতায় ৫০টি দৃষ্টিনন্দন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানের সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগের তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। গাজীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ দু’টি ভবনের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে আধুনিক একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন। এটি এলজিইডি’র আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ১ম পর্যায় এর আওতায় ৩তলা বিশিষ্ট এই ভবনটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লোকমান হোসেন বলেন, ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের আগের ভবনগুলো পুরাতন জরাজীর্ণ ও শ্রেণিকক্ষের সংকট ছিল।
এতে করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কষ্ট হতো। ২০১৯ সালে বিদ্যালয়টিতে দৃষ্টিনন্দন নতুন ভবন নির্মাণ হওয়ায় শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১০ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে ৭ নারী ও ৩ জন পুরুষ শিক্ষক। আগের তুলনায় শিক্ষার্থীও বেড়েছে। শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৪৬২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরো বলেন, বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ করায় আমরা সুন্দর পরিবেশে শিক্ষা ক্রার্যক্রম চালাতে পারছি। বিদ্যালয়টির নির্মাণ কাজ সুন্দর ও টেকসই হয়েছে। উপজেলার অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও এমন দৃষ্টিনন্দন ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। বিদ্যালয়ে সুন্দর পরিপাটি পরিবেশের ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে জানান সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আড়াইহাজার উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ৫০টি দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। পরিপাটি একটি পরিবেশে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন। সুন্দর পরিবেশে পাঠদান হলে শিশুদের মন-মানসিকতাও বিকশিত হবে। দৃষ্টিনন্দন ভবনের কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ পাল্টে গেছে। এতে করে শিক্ষার্থীদেরও স্কুলে আসার আগ্রহ বাড়বে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর