× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল থেকে | ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:০৯

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কাগুজিআটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে গতকাল ভোরে মোহনপুর যমুনা নদীর ঘাটে ফেলে রেখে যায় ধর্ষকরা। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী ওই দিন দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়। তার  শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী ওই কলেজছাত্রী জানান, উপজেলার কাগুজিআটা গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও এনামুল বিভিন্ন সময় রাস্তায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। সোমবার সন্ধ্যায় সে স্থানীয় মোহনপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওতপেতে থাকা শফিকুল, এনামুল, জালাল, খালেক, আলতাব হোসেন তার মুখ বেঁধে নৌকায় তুলে যমুনা নদী তীরবর্তী শফিকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে আটকে রেখে তারা ৫ জন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার ভোরে নৌকাযোগে মোহনপুর নদীর ঘাটে ফেলে রেখে যায়। অসুস্থ অবস্থায় সে বাড়ি ফিরে পরিবারকে বিষয়টি জানান। এরপর স্বজনরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন কলেজছাত্রী।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের আগে তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে গোপালপুর থানা অফিসার ওসি মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। ভিকটিম আমাদের কাছে আসছে। এ বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
নাসির
২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার, ১২:৪০

আল্লাহর দোহাই যারা ক্ষমতায় আছেন জরুরী সংসদ ডাকেন। ছোট ছোট মেয়ে রা স্বাধীন দেশে এভাবে ধর্ষন হবে মানতে পারি না। ৭ দিনের মধ্যে জানয়ারগুলিকে ফাসি দেন। জন সমক্ষে। প্রথমে তাদের ধাকায় রেস্কর্সে খাচায় রাখতে হবে। ৭ দিন দোররা মারতে হবে। ৮ দিনের দিন ফাসি। যে বিচারক বিচার না করে জামিন দিবে তাদের ২০ বছর জেল জরিমানা করুন। কাওকে জামিন দিলে শরীরে চিপস ইম্পলান্ট করুন জাতে মনিটর কএয়া জায়।

অন্যান্য খবর