× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

জাতিকে ধ্বংস করার জন্যই এই অটো পাস: ডা. জাফরুল্লাহ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৫:৩৯

করোনার অজুহাতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে অটো পাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, জাতিকে ধ্বংস করার জন্যই অটো পাস। পরীক্ষায় করোনার কারণটা একেবারেই অজুহাত। গার্মেন্টস চলছে, অফিস আদালত চলছে দেখে বোঝার কোনো কায়দা নেই এখানে করোনার প্রভাব আছে। তাই স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা কোনভাবেই সুযোগ নাই। এটা আমার জাতিকে ধ্বংস করে দেয়ার একটা অজুহাত। এই সরকার অটো পাশের সরকার।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এডুকেশন রিফর্ম ইনিশিয়েটিভ আয়োজিত 'করোনাকালীন পরীক্ষায় অটো পাস: শিক্ষার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা একটা কল্যাণকর বাংলাদেশ চাচ্ছি, যেখানে পরীক্ষা দিয়েই সবকিছুতে উত্তীর্ণ হতে হবে। আগের দিনের রাজনৈতিক কর্মীরা পরীক্ষা দিয়েই ধাপে ধাপে উপরে আসতেন।
এখন তো তা না, তাদেরকে বসিয়ে দেয়া হচ্ছে। এই পরিবর্তন না হলে কিছু হবে না। এই পরিবর্তন করা আমি মনে করি খুব কঠিন কাজ না।

তিনি আরো বলেন, আজকে যদি একটা সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক সরকার থাকতো, তাহলে মাথা উঁচু করে বলতে পারি- আগামী ১৫ দিনে ওষুধের মূল্য অর্ধেক হয়ে যাবে। স্বাস্থ্য খাতের সকল খরচ অর্ধেক হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত লাভ দিয়ে এটা করা সম্ভব। ডাকাতি করে নয়। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা যেটা করছেন, সেটা ডাকাতি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
metoo
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১১:৩০

Jodi school khulto bolten satro satri k mere felar chokranto cholse.apnaraceait kortesilen kissu ekta bolts .abar jodi school college khulto student ra andolon korto bolten sobai mile rastaie namten.polapaine er issa xm na houk r apnara sorkar k be kaidai fele uddesso Basil Morten.

Mohsin ahmed
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৮:৫৭

সরকার সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। আপনারা শুধু সমালোচনাই করতে পারেন। ওনার জায়গায় আপনি থাকলে ঠিক এই সিদ্ধানই নিতেন।

nejam kutubi
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৮:৫১

গার্মেন্টস চলছে। অফিস আদালত, দোকান মার্কেট সবই খোলা। বন্ধ কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

Dr. Md Abdur Rahman
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৮:৪৭

Auto promotion-auto pass is a CURSE for the nation. Govt. can change their decision and all the exams can be taken in a shortest possible time without any YEAR LOSS. More over our innocent children have to face difficulties in future with these auto promotion-auto pass in abroad. I have appealed to the Honorable PM about two months before not to accept this destructive proposals at all.

আবুল কাসেম
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৭:২২

গার্মেন্টস চলছে। অফিস আদালত, দোকান মার্কেট সবই খোলা। বন্ধ কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু কওমি মাদ্রাসাগুলো আশ্চর্যজনকভাবে করোনা ভাইরাসকে পাশ কাটিয়ে চলছে পুরোদমে। এতোদিন আমাদের ধারণা ছিলো কওমি মাদ্রাসাগুলো বুঝি স্বাস্থ্য সচেতন নয়। ধর্মান্ধ এবং ব্যকডেটেড। অথচ তারা এই করোনা কালে যেনো আমাদের ঘুম ভাঙিয়ে দিলো। আমরা যেখানে করোনা সংক্রমণের ভয়ে তটস্থ। এমন বিরূপ পরিস্থিতির ভেতর দিয়েও দুই কি আড়াই মাস যাবত কওমি মাদ্রাসাগুলো স্বাস্থ্য বিধি মেনেই পুরোদমে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অভিভাবকরা সাহস পায়না ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে। সরকারও শিক্ষাঙ্গন খুলে দিতে অপ্রস্তুত ও দ্বিধাগ্রস্ত । বিষ্ময়কর ভাবে একটা বিষয় আমাকে সত্যিই ভাবনায় ফেলেছে, কওমি আলেমগণ শুধু দয়াময় মেহেরবান আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করেই ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের নিয়ে অবলীলায় নির্ভাবনায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমি দেখেছি করোনা সংক্রমণের ভয়ের থেকেও তাদের মধ্যে আল্লাহর ভয় এবং আল্লাহর উপর কি সুন্দর একটা তাওয়াককুল তাদেরকে নির্ভাবনায় রেখেছে এবং কি একটা বিষ্ময়কর নিশ্চিন্তে তাদের দিন পার করে দিচ্ছে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে আল্লাহ তায়ালার উপর নির্ভরশীলতা বা তাওয়াককুল করার বিষয়ে বহু বর্ণনা ও আলোচনা রয়েছে। সত্যিকার অর্থেই আল্লাহ তায়ালার উপর তাওয়াককুল করতে পারলে আল্লাহর একজন বান্দা তাঁর সুরক্ষার মধ্যে চলে যায়। তখন কেউ তার কোনো রকম ক্ষতি করতে পারে না। কোনো রোগব্যাধি তাকে স্পর্শ করতে পারে না। কওমি মাদ্রাসাগুলোর এই চিত্র থেকে আমাদের কিছু শিক্ষনীয় আছে। সবসময় পাক পবিত্র অবস্থায় থাকা, নিয়মিত কুরআন ও হাদিসের চর্চা করা , নিয়মিত দোয়া দুরুদ পড়তে থাকা, সর্বদা আল্লাহর জিকির দ্বারা জিহবাকে ব্যাস্ত রাখা এবং হৃদয় মনে আল্লাহর ভয় পোষণ করা, পাপের কাজ বর্জন করা ও সর্বোপরি আল্লাহ তায়ালার দয়া, অনুগ্রহ ও কৃপায় সম্পূর্ণভাবে নিজেকে সমর্পণ করে দিয়ে পুরোপুরি তাওয়াককুল করতে পারলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আমাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলো খুলে দেয়া যেতে পারে। কারণ করোনা কেন্দ্রিক ভার্চুয়াল শিক্ষায় ১০০ ভাগ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা এবং ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা করোনা পরিস্থিতির জন্য বাতিল করতে হয়েছে। তাই শিক্ষায় আমাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়ে গেছে তা পুষিয়ে নিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের বিরাট আকারে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। শিক্ষাঙ্গন কেন্দ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাওয়াতে কিশোর-কিশোরি ও তরুণ-তরুণীদের সামনে অবসর সময়ের বিরাট এক শূন্যতা বিরাজ করছে । প্রবাদ আছে, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। দেশময় হঠাৎ করে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার লাভ করার পেছনে শিক্ষাঙ্গন থেকে তাদের বিচ্ছিন্নতার ফলাফল কিনা ভেবে দেখতে হবে । কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠা কোনো অপরাধী গ্যাংয়ের কথা এখনো শোনা যায়নি। কিশোর ও তরুণ বয়সটা আমরাও পার করে এসেছি। এ বয়সের দাবি কম বেশি আমাদের সকলেরই জানা আছে। এ বয়সটা আসলে অবসর থাকার বয়স নয়। কোনো না কোনো কিছু নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকতে এ বয়সটা কিশোর-তরুণদের একরকম বাধ্য করে। শিক্ষাঙ্গন থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়াতে তাদের বিরাট অবসর সময় তাদের সামনে বিপথগামীতার পথ খুলে দিতে পারে। অভিভাবক এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিশোর ও তরুণদের প্রতি মনযোগী হয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে কিশোর গ্যাংয়ের পরিধি আরো বেড়ে যেতে পারে। সুতরাং শিক্ষাঙ্গন খুলে দিয়ে কিশোর ও তরুণদের অবসর সময় লেখা পড়া করে কাটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। কর্তৃপক্ষ এ ব্যপারে নিরাপত্তা মূলক স্বাস্থ্য বিধি মানার পরিকল্পনা নেবেন এবং অভিভাবকদেরও তাদের সন্তানের জীবন বিপদগামীতা থেকে রক্ষা করতে সহযোগিতা করে যেতে হবে। আল্লাহর উপর ভরসা করে পুরোপুরি স্বাস্থ্য বিধি মেনে কিশোর-তরুণদের শিক্ষায় মনোনিবেশ ও ব্যতিব্যস্ত করে দিতে হবে। নাহয় কিশোর-তরুনেরা বয়সের তাড়নায় গ্যাং গঠনের ও মাদকসেবনের পরিধি আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। যার ফলে ছোটো ছোটো অপরাধ ও মাস্তানী থেকে বড়ো বড়ো অপরাধীর জন্ম হতে পারে। মোট কথা কিশোর-তরুনদেরকে সৃজনশীল ও গঠনমূলক কাজে কর্মে ব্যতিব্যস্ত রাখা বাঞ্ছনীয়। তাই যতোটা সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারলে উত্তম হবে। ক্লাস ও পরীক্ষা ভাগে ভাগে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আকারে চালিয়ে নিতে পারলে অন্তত নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো। স্বল্প আকারে হলেও পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার একটা গর্ব ও তৃপ্তিবোধ শিক্ষার্থীদের মনকে উজ্জীবিত রাখবে। যা তাদেরকে সুনাগরিক হতে সাহায্য করবে। এতে বহু প্রকার অনিষ্ট ও ক্ষতি সাধনের হাত থেকে তরুণ, যুবক ও কিশোর বয়সীরা এবং সমাজ রেহাই পাওয়া যাবে।

Md. Harun al-Rashid
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৬:৫৫

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিন্ডিকেটের নিকট ভাড়া দিন, ওরা এগুলোকে ধান, চাল, পেয়াজের আড়ৎ বানিয়ে নেবে।

MD.SHAFIKUL ISLAM
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৬:০১

such a good quato by dr. jaforullah that a nation is destroy in future in Bangladesh

অন্যান্য খবর