× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

বিয়ের প্রলোভনে যৌন সম্পর্ক কি ধর্ষণ?

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১০:২১

দেশে রীতিমতো ধর্ষণের মহামারি চলছে। বাদ-প্রতিবাদ, আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি কোনো কিছুতেই থামছে না এই মহামারি। তবে এর মধ্যে একটি পুরনো বিষয় নিয়েও নতুন করে নানা আলোচনা চলছে। বিয়ের প্রলোভনে যৌন সম্পর্কি কি ধর্ষণ?

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ৯(১)-এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ‘‘যদি কোন পুরুষ বিবাহবন্ধন ব্যতীত [ষোল বছরের] অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করে, অথবা [ষোল বছরের] কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলে গণ্য হবেন৷’’

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এ ব্যাপারে জার্মান ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ধর্ষণে যে জোরপূর্বক বা বলপ্রয়োগের বিষয় থাকে তা এখানে অনুপস্থিত৷ প্রেমের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে যখন শারীরিক সম্পর্ক হয় তখন সেটা ধর্ষণ নয়৷ কিন্তু পরে যখন বিয়ের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয় না তখন ধর্ষণ মামলা করা হয়৷ আমার বিচেনায় এটা প্রতারণা৷ আমার মনে হয় আইনে এটার ব্যাখ্যা এবং আলাদা শাস্তির বিধান থাকা উচিত৷’’

তিনি বলেন, ‘‘ভারতীয় আদালতের রায়েও এটা পরিস্কার করা হয়েছে৷ সেখানে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে প্রেমের সম্পর্কে পারস্পরিক সম্মতিতে দৈহিক মিলন হলে সেটা ধর্ষণ হবে না৷ আমাদের এখানেও আশা করি কোনো মামলায় আদালত এ বিষয়ে নির্দেশনা দেবেন বা আইনের সংশোধন হবে৷’’

মানবাধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘‘প্রেমের সম্পর্কে পারস্পরিক সম্মতিতে দৈহিক মিলনের পর বিয়ে করতে অস্বীকৃতি বড় ধরনের প্রতারণা৷ তবে আমার বিবেচনায় এটা ধর্ষণ নয়৷ বাংলাদেশের দণ্ডবিধিতে এই ধরনের প্রতারণার বিচার ও শাস্তির বিধান আছে৷ কিন্তু যেহেতু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এটা ধর্ষণ তাই দণ্ডবিধির ওই ধারায় কেউ মামলা করেন না৷ সরাসরি ধর্ষণ মামলা করেন৷’’

দণ্ডবিধির ৪৯৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নারীকে প্রতারণামূলকভাবে আইনসম্মত বিবাহিত বলে বিশ্বাস করান, কিন্তু আদৌ ওই বিয়ে আইনসম্মতভাবে না হয় এবং ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, তবে অপরাধী সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে৷ আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এই আইনটি মামলা দায়ের বা চার্জশিটের সময় বিবেচনা করা যায়৷

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আলামিন
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৬:৩৯

বিষয় টা জটিল । এখানে বিচারের মানদন্ড কি ভাবতে হবে। ইসলামিক আইন এ এক রকম । আমাদের দেশি আইন যেটা মুলত বিদেশি তার ধরন ভিন্ন। সত্যি যদি rape হয় তার সাজা কঠোর হবে।

Md Mehedi Hasan
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৬:২০

যেহেতু দুজনের সম্মতিতেই দুইজন সেক্সুয়াল রিলেশনশীপে জরাচ্ছে, ফলে দুজনেই ব্যাভিচারি, আর শাস্তি দুজনের ই পাও্য়া উচিত।

মোহাম্মদ নোমান
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১২:০৭

আসসালামু আলাইকুম।আল্লাহ কে ভয় করুন। দুই জনই ব্যভিচারি।আল্লাহ সবাই কে কোরআন হাদিসের জ্ঞান অর্জন করার তাওফিক দিন।

মুবিন
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৫:৩৩

দুজনই ব্যভিচারী

sakib
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৫:০৮

আইনটি সংশোধন করা খুবই প্রয়োজন, এখানে দুই জনের সম্মতিতে শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে। বিচার দুই জনেরই হওয়া উচিত।

এ এইচ ভুঁইয়া
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৪:০৮

আঠারো বছরের উপর স্বেচ্ছায় বিছানায় গেলে এটাকে ধর্ষন বলা যাবেনা।

afzal
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৩:১৬

ধর্ষণ নয়, দু'জনই ব্যভিচারী

আব্দুল্লাহ আল মামুন
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৩:০৪

হ্যাঁ আমার মতে বাংলাদেশে একটা আইন থাকা দরকার যেখানে ছেলে-মেয়ের সম্মতিতে মেলামেশাকে ধর্ষণ বলা যাবে না এবং উভয়ের শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে

মাসুদ আলম
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ২:৩৭

প্রেমের সম্পর্কে অথবা পরকিয়ায় দু জনের মতামতে সারিরিক সম্পর্ক হলে উভয়কেই সমান স্বাস্তির বিধান করা হোক, সেটা হোক মৃত্যুদন্ড অথবা অন্য কিচু, আজ কাল নারিরাও অনেক ছলন বলনের আশ্রয় নিয়ে পুরুষদেরকে বাদ্য করে সেক্সুয়াল সম্পর্ক গড়ে তুলতে, কিন্তু পুরুষ তা চিৎকার করে বল্লেও কেউ বিশ্বাস করে না, আর সারিরিক সম্পর্ক করতে নারি অথবা পুরুষ যেই পরচোনা করুক, পরিশেষে পুরুষের উপর দায়বার চাপিয়ে মামলা ঠুকে দেয়, এজাতিয় সম্পর্ক যেমন অর্থ নৈতিক লোভ দেখিয়ে, প্রেম করে, পরকিয়া করে, বিবাহের নামে, অথবা জোর পূর্বক ব্যতিত যে কোন সম্পর্ককে দর্ষননের আওতা থেকে বাদ দিয়ে নারী পুরুষ উভয়ের সমান স্বাস্তির বিধান করলে এসব দর্ষন ও কমে যাবে, আর বিনা কারনেনঅভিযোগ তুলতে সাহস পাবে না।

Ismail Hossain Shami
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:৫৭

আইনে ছেলে ধর্ষন স্পর্শ নেই। এখনকার সময় প্রচুর ছেলে ধর্ষন হচ্ছে৷ আর বিয়ের প্রতিশ্রুতি তে মেয়ে রাজি কেন হবে? তার ধৈর্য্য নেই কেন? ওইগুলো পুরুষ বিরোধী আইন৷। আমি ধর্ষনের পক্ষে না৷ তবে আইনের আরো সুষ্ঠু ব্যাখ্যা ও আলাদা শাস্তির বিধান হোক

abul Khair
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:৩১

ধর্ষণ নয়, দু'জনই ব্যভিচারী

Md. Harun al-Rashid
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:৩১

প্রলোভন তো বিবাহ বর্হিভূত শারিরিক সম্পর্ক নামক পাপাচারের জন্য দেয়া হয়। প্রলোভন আর অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতির সমার্থক নয় । অঙ্গীকার করলেও উভয় সন্মতিতে শারিরিক সম্পর্ক স্হাপন মহা পাপ। তাই সেটিও ইসলামিক পরিভাষায় জিনা।

Kazi
২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১১:১১

No doubt it is crime, called rape. In Bangladesh and many countries of the world, pre marriage sex is prohibited, the society and religion of that society doesn't permit. So attempt to convinced with promise to marry is rape. In many other countries sexual relations without marriage is allowed and tradition, in those countries it is not rape.

Alien
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১১:৫০

Prolobon Jemon oporadh temni prolubdho kora o ki oporadh noy?

Alien
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১১:৪২

Baddo ki shudu purush kore? narira ki prolubdho kore na?

অন্যান্য খবর