× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

পদ্মা সেতুতে বসলো ৩৪ তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৫১০০ মিটার

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ থেকে | ২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:১৭

পদ্মা সেতুর ৩৪তম স্প্যান বসানো হয়েছে। রোববার সকালে সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৭ ও ৮ নম্বর পিয়ারের ওপর স্প্যান ২-এ বসানো হয়। এর ফলে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৫ হাজার ১০০ মিটার। ৩৩তম স্প্যান বসানোর ছয় দিন পর বসলো ৩৪তম স্প্যানটি।

নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূলসেতু) দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, সকাল ১০টার দিকে স্প্যান বসানোর কার্যক্রম শেষ হয়। এর আগে শনিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি বহন করে পৃথিবীর সবচয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওনা দেয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পিয়ারের কাছে পৌঁছে ক্রেনটি। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় স্প্যান বসানো যায়নি।


প্রকৌশলীরা জানান, স্প্যান বসানোর জন্য দু’দিন সময় নেয়া হয়। প্রথমদিন বৈরী আবহাওয়ার জন্য পিলারের উপর বসানো যায়নি। কিন্তু আজ অনুকূল আবহাওয়া থাকায় দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সফলভাবে বসানো সম্ভব হয়।

পদ্মা সেতুতে বাকি থাকলো ৭টি স্প্যান বসানো। ৩০ অক্টোবর ৮ ও ৯ নম্বর পিয়ারের ওপর ৩৫তম স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সর্বশেষ স্প্যান বসবে আগামী ১০ ডিসেম্বর।

মূলসেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
juned
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ২:৩৬

alhamdulillha ai sorkar bar bar dorkar

Obak
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১২:৫২

দৃশ্যমান থেকে চলমান কবে হবে ? ৫ বছর জায়গায় ১০ বছর পার হলো, খরচ ৩ গুন্ বাড়লো চলতে শুরু করবে কবে আল্লা জানে

Faruque Ahmed
২৫ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:৪৩

তবুও আমরা আয়কর এবং ভ্যাট ইত্যাদি প্রদান করতে উপভোগ করি। এটি বাংলাদেশের উন্নতির কারণে। অন্যথায় দিতে বাধ্য হতে পারে তবে উপভোগ করতে পারে না।

অন্যান্য খবর