× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার
আলাপন

হিট-সুপারহিটের পিছনে ছুটি না - ভাবনা

বিনোদন

এন আই বুলবুল | ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:৪৯

আমি হিট-সুপারহিটের পিছনে ছুটি না। সব সময় এমন কিছু কাজ করতে চাই যেটি অনেক দিন থাকবে। ভালো কাজের মধ্যে দিয়ে একজন ভালো অভিনেত্রী হতে চাই। নিজের কাজের ক্ষেত্র নিয়ে এভাবেই কথাগুলো বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর 'মুখ আসমান' শিরোনামের শর্টফিল্ম মুক্তি পেয়ে দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। এর জন্য দর্শকদের পাশাপাশি তার সহকর্মীদের কাছ থেকেও বেশ প্রশংসা পেয়েছেন বলে জানান। ভাবনা বলেন, একটি ভালো গল্প ও চরিত্রকে বাস্তবসম্মত করতে যা প্রয়োজন তার সব আমি করতে চাই। দিন শেষে একজন শিল্পী তার কাজ দিয়েই টিকে থাকেন।
এ শর্টফিল্ম থেকে দর্শকদের যে ভালোবাসা পাচ্ছি তা আমার কাছে অনেক বড় বিষয়। এদিকে চলতি মাসের শেষ দিন থেকে এই গ্ল্যামারকন্যা 'লাল মোরগের ঝুটি' ছবির জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন। তার দুই দিনের শুটিং এখনো বাকি আছে এই ছবির। এর আগে ভাবনা 'ভয়ংকর সুন্দর' শিরোনামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। প্রথম ছবি মুক্তির দীর্ঘদিন পর আবারও চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। এই ছবিতে কাজ করার বিশেষ কারণ কী? উত্তরে তিনি বলেন, আমার প্রথম ছবি মুক্তির পর অনেক ছবির প্রস্তাব পেয়েছি এটি বলবো না। তবে নতুন ছবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেগুলো করিনি। এই ছবিতে কাজের কারণ হলো ছবির গল্প ও নির্মাতা। এই ছবিটির অনেক বাজেট হয়ত নেই। কিন্তু একজন শিল্পীর কাজ করার সুযোগ আছে। এটি নায়ক-নায়িকা নির্ভর ছবি না। মুক্তিযুদ্ধের গল্পের এই ছবিতে অনেক চরিত্র দর্শক দেখবেন। লাল মোরগের ঝুঁটির বাইরে ব্যস্ততা কী নিয়ে? ভাবনা বলেন, আমি একটা কাজ শেষ না করে আরকটা কাজ করতে পারি না। এখন 'লাল মোরগের ঝুঁটি' ছবির চরিত্রে ডুবে আছি। এরপর মোস্তফা কামাল রাজের নতুন একটি সিরিয়ালের কাজ শুরু করবো। প্রায় এক বছর পর আবার নতুন সিরিয়ালের কাজ করবো। 'ভয়ংকর সুন্দর' খ্যাত এই অভিনেত্রী সাম্প্রতিক সময় নিয়েও কথা বলেন। সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য পারিবারিক শিক্ষার খুব প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ভাবনা বলেন, গেলো কিছুদিন আমাদের দেশে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে গেছে। যারা এমন করে তারা পারিবারিক শিক্ষা পায় না বলেই এমন অপরাধ করছে। ছোটবেলায় যদি পরিবারে শিক্ষা দেওয়া হয় একটি মেয়ের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হবে কিংবা আচরণ করতে হয়, তাহলে সেই ছেলে কখনো এমন অপরাধ করবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর