× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার
নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর

হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান, ছেলে এরফান গ্রেপ্তার

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ২:০৬

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এরফান ছাড়াও আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিক জানায়নি র‍্যাব।

এর আগে র‍্যাবের একটি দল হাজী সেলিমের বাসা ঘিরে তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম এ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, শুধু গতকালের ঘটনা নয় সাম্প্রাতিক কিছু বিষয় নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট কেন এমন প্রশ্নের বিষয়ে তিনি বলেন, কোথায় অভিযান চালাতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করতে হয়। সেজন্য ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসেছেন।
অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছিলেন, হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমসহ এজাহারভুক্ত আসামিদের খুঁজছে পুলিশ।




উল্লেখ্য, গতকাল রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির কলাবাগান সিগন্যালের পাশে ‘সংসদ সদস্য’ স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। পরে জনরোষের মধ্যে গাড়িটি ফেলে এর নম্বরপ্লেট ভেঙে চলে যান হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ডরা। গাড়ির নম্বর– ঢাকা মেট্টো- ঘ ১১-৫৭৩৬। ওই সময় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছিলেন, মারধর করা ব্যক্তি হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ড। এ ঘটনায় রাতেই ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান। পরে আজ সকালে হাজি সেলিমের ছেলেসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওয়াসিফ আহমেদকে রক্তাক্ত দেখা যায়। ভিডিওতে দাবি করা হয়, মারধর করে তার দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
md. sirazul islam sa
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১০:২২

একজন সেনাবাহিনির মেজর যখন কোনো সুরক্ষা পায়না , যখন একজন সেনাবাহিনীর সদস্যর স্ত্রী যখন নিরাপত্তাহীনতা ভুগে মারা যায় , যখন একজন চৌকশ সৈনিক দাত হারিয়ে সম্মান খোজার চেষ্টা করে । যে দেশের নিরাপত্তাবাহিনীর নিরাপত্তা নাই সে দেশের সাধারন মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার হাতে । লেজুর বৃত্তি ছাড়ুন আর মার খাওয়া বন্ধু করুন । আপনারা যদি আপনাদের নিরাপত্তা না দিতে পারেন পাশের দেশের নিরাপত্তাকর্মি দেশের সম্ভৃম টেনে ধরবে ।

শাজিদ
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:৪৮

যেই দলেরই হউক ঘুষখোর, লুন্টনকারী, সন্ত্রাসী, খুনি লম্পট ধ্বর্ষক চাঁদাবাজেরা যদি জাতির জন্য আইন প্রনেতা হয় দয়া করে বলুন তো সেই আইন কাকে রক্ষা করবে এবং কাকে কারাগারে পাঠাবে?

হাবিবুর রহমান
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৪:২৪

পেশাদারিত্ব ছেড়ে দলের লেজুড়বৃত্তি করলে যেকোন বাহিনীর কপালে এরকম দুর্ঘটনা আছে....

আব্দুস ছালাম
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:০৬

দেশবাসী গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে , আমিও কৌতূহলী এর উপযুক্ত বিচার নিয়ে। আমরা দৃষ্টান্তমূলক বিচার আশা করছি।

Amir
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৫:০৩

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি---বাবার বলে বলিয়ান না হয়ে নিজের বিবেকের বলে পথ চলো দেখবা শান্তি আর শান্তি!

Md. Harun al-Rashid
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৪:২৬

সুপ্রশিক্ষিত জনাব ওয়াসিফ আহমেদ অন্যায় ও নির্দয় ভাবে কথিত জন প্রতিনিধি ও তার পেটুয়া মাস্তান বাহিনী দ্বারা আক্রান্ত হয়েও আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে রাষ্ট্র ব্যবস্হায় আস্হা রেখেছেন। এবার আমরা দেশবাসি দেখতে উদগ্রীব থাকবো কত দ্রুততায় জনাব ওয়াসিফ ন্যায় বিচার পান।

মোতাহার
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৩:৪৯

আওয়ামী জাহেলিয়াতে এটাই তো হবে।

Justice
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ২:৪২

পাপের ভার পূর্ণ হলে গজব নাজিল হয়! হাজীর ঘরে পাজী! এইবার ঠেলা সামলা! সবাই মিলে নৌকা ফুটা করে ফেলতেছে, প্রধানমন্ত্রী কি বুঝেন না?

Khokon
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১:২২

দাঁত ভেঙেছে ও তো সামান্য ? ওরা তো ই দেশের বীর পুরুষ। বাপের পর ছেলে, তারপর মেয়ে, নাতি ওরা তো শক্তি ? দেশ চলে ওদের জোরে, তাই মারাটা তেমন আচর্য হওয়ার কিছুই নেই ? আজ জেলে, কাল সকালে নেতাদের সাথেই নাস্তার টেবিলে, সাবাস বাঙালি !!

fastboy
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ২:১৫

A KE NOTUN KISU.

অন্যান্য খবর