× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০২০, সোমবার

নন ইস্যুকে ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৭ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:৫৫

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রক্তের দাগ ও ষড়যন্ত্রের নকশা তারাই হচ্ছে গণতন্ত্রের মুখোশপরা ফেরিওয়ালা। গতকাল তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি’র অপরাজনীতিই দেশের গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে সবচেয়ে বড় বাধা বলেও উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সরকারের পদত্যাগ চেয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে বিএনপি’র নির্বাচনের দাবির প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। অথচ এসময়ে কোনো ইস্যু খুঁজে না পেয়ে তারা নন ইস্যুকে ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে। বিএনপি একবার নিরাপদ সড়ক, আবার কোটাবিরোধী আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ ধর্ষণবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে ভর করে সরকারের পদত্যাগ চেয়েছিল, যা হালে পানি পায়নি বলেও উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। আর বিএনপি’র সরকারের পদত্যাগের দাবি জানানোর কোনো প্রয়োজন নেই।
কারণ, সময় হলেই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। রাজপথে জনগণের উত্তাল ঢেউ উঠবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলেন, তা নিজে বিশ্বাস করতে পারেন কিনা সন্দেহ আছে। তিনি বলেন, ঢেউ তারা টেমস নদীর পাড় থেকে গুলশান অফিসে তুলতে পারেন, কিন্তু পদ্মা-মেঘনা-যমুনার পলিবিধৌত মুজিবের বাংলায় নয়। বিএনপি’র আন্দোলনের হাঁক-ডাক আষাঢ়ের আকাশের মতো, সোশ্যাল মিডিয়া আর গণমাধ্যমে যতটা গর্জে বাস্তবে রাজপথে ততটা বর্ষে না বলেও জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই বলে বার বার মিথ্যা ও পুরনো অভিযোগ করে চলছে। সরকার নাকি ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না বলেও তারা চিৎকার করছে। বিএনপি’র নেতাদের এসব অভিযোগের জবাবে সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, এদেশে আওয়ামী লীগের মধ্যেই পরমতসহিষ্ণুতা আছে। আর আছে বলেই বিএনপি’র নেতারা অনবরত মিথ্যাচার করতে পারছেন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম ৩ মাসেই ৫০ সাংবাদিক হামলার শিকার এবং সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস থেকে ৩৪ জন সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করেছিল, তখন খোদ গণমাধ্যম রিলেটেড সংগঠন ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’-এর এক রিপোর্টে তা প্রকাশ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা এখন গণমাধ্যমের প্রতি লোক দেখানো লিপ সার্ভিস দিচ্ছে। গণতন্ত্র এক চাকার বাইসাইকেল নয়, এটি একটি ভারসাম্যমূলক কাঠামো, সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর