× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

বোদায় গৃহবধূকে অপহরণের পর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

বাংলারজমিন

বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি | ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৫০

পঞ্চগড়ের বোদায় এক গৃহবধূকে (২৫) অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের সোনাপাড়া গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে জাহিদুল ইসলাম রতন (২৫), একই গ্রামের নবাব উদ্দিনের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৩০), পঞ্চগড় সদর উপজেলার নিমনগর গ্রামের আবুল হকের ছেলে শহীদুল ইসলাম (২৭) ও একই উপজেলার শিকারপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে নুর আলম (২৪) পঞ্চগড় সদরের রেলস্টেশন এলাকায় মাক্রোবাসের ভিতর তাকে গণধর্ষণ করে বলে জানায় ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে বোদা থানায় ওই ৪ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গণধর্ষণের মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাদের আটক করে গতকাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারের বিআরটিসি স্টেশন থেকে ওই গৃহবধূ (২৫)কে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় জাহিদুল ইসলাম রতন। পরে  পঞ্চগড় সদরের রেল স্টেশন এলাকায় মৈত্রী তেলের পাম্পে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসের ভিতর চালকসহ ৪ জন ধর্ষণ করে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে বোদা বাসস্ট্যান্ডে ফেলে পালিয়ে যায়।
ওই গৃহবধূ স্বামীর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বলে পরে বোদা থানায় এসে চার ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পুলিশ রাতেই চার আসামিকে আটক করে এবং ধর্ষণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি আটক করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোদা থানার ওসি (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া মামলা ও আটকের বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
B A Khandakar
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:১০

ধর্ষণকে কিভাবে থামানো যাবে? ১) ধর্ষকদের গ্রেফতার করে এমন ভাবে পেটানো দরকার যে পিটিয়ে হাড় হাড্ডি ভেঙে দেওয়া দরকার যাতে আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে না পারে। ২) ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ গোড়া থেকে কেটে দেওয়া। ৩) ঔষুধ ইনজেকশন দিয়ে পুরুষত্বহীন বা খোঁজা করে দেওয়া। তৃতীয় পদ্বতি অনেক দেশেই প্রচলিত আছে এবং এটাই অধিক গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়। অন্যথায় বাংলাদেশে ধর্ষণ থামানো যাবে না।

অন্যান্য খবর