× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

আদালত চত্বরে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি

বাংলারজমিন

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৬

গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা মামলা তুলে নিতে আদালত চত্বরে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন মামলার বাদী নিহত গৃহবধূর বাবা সোহরাব গাজী।
অভিযোগ সূত্রে ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, তালতলী উপজেলার ছাতনপাড়া এলাকার সোহরাব গাজীর মেয়ে সালমা আক্তারের ২০১৫ সালে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের লস্করপুর এলাকার খালেক আকনের ছেলে এমাদুলের সঙ্গে। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে সালমার বাবা নগদ টাকা ও স্বর্র্ণালঙ্কার সহ ৩ লক্ষ টাকার মালামাল দেন। বিয়ের ৩ বছর যেতে না যেতেই যৌতুকলোভী জামাতা এমাদুল মাহেন্দ্র গাড়ি ক্রয় করার অযুহাত দিয়ে আরও ৩ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। দরিদ্র সোহরাব গাজী জামাতার যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারলে সালমার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে যৌতুকের দাবিতে গত ১৮ই অক্টোবর সালমার ওপর দিনব্যাপী অমানুষিক নির্মম নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় ওইদিন দুপুরে রান্নাও করতে পারেননি সালমা।
পাষ- স্বামীর ইটের আঘাতে সালমার বামচক্ষু নষ্ট হয়ে যায়। এতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। পাষ- স্বামীর নির্মম নির্যাতনে গভীর রাতেই মারা যায় সালমা। পরে তার গলায় রশি বেঁধে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে বাবারবাড়ি খবর দেয়। পুলিশ অমানুষিক নির্যাতনের আঘাতে নষ্ট হয়ে যাওয়া চক্ষুর রক্তাক্ত অবস্থায় সালমার লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় সালমা বাবা বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ এমাদুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমাদুলের ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত এমাদুলের ২ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালত ভবনের সামনে (বাইরে) থাকা সালমার বাবা সোহরাব গাজীকে এমাদুলের মামাসহ তার আত্মীয়রা মামলা তুলে নেয়ার কথা বলে তর্ক করেন। শিগগিরই এ মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেন তারা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন জানান, আদালত ভবনের সামনে নিহত সালমার বাবা সোহরাব গাজীর সঙ্গে এমাদুলের আত্মীয়রা তর্ক (কথাকাটাকাটি) করেছে বলে খবর পেয়েছি। মামলার সঠিক তদন্তপূর্বক আদালতে শিগগিরই চার্জশিট দাখিল করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর