× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার

প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্য ঘাটতি ১৭ হাজার কোটি টাকা

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

রপ্তানি, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার পরও চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সময়ে ২০৩ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। দেশীয়
মুদ্রায় ঘাটতির এ পরিমাণ ১৭ হাজার ১২৮ কোটি টাকা। তবে ঘাটতির এ অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮০ কোটি ডলার কম। গত বছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ৩৮৪ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ের বৈদেশিক লেনদেনে চলতি হিসাবে ভারসাম্য (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ব্যালেন্স অব পেমেন্টের তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকাসহ (ইপিজেড) রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৯৬৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে ১ হাজার ১৭৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
আলোচ্য সময়ে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশের আয় আগের বছরের তুলনায় ২.৩৭ শতাংশ বেশি হয়েছে। বিপরীতে পণ্য আমদানির ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ১১.৪৭ শতাংশ কমে গেছে।

দেশের অভ্যন্তরে বিনিয়োগের চাহিদা কম থাকায় আমদানিজনিত চাহিদাও কম ছিল। তাই আমদানি ব্যয় ততটা বাড়েনি। তবে দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ চাঙ্গা থাকায় বাণিজ্য ঘাটতি কমে গেছে। প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।
সেবাখাতের বাণিজ্য ঘাটতিও কমেছে। গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে এ খাতের ঘাটতি ছিল ৮৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। চলতি বছরে তা কমে ৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। মূলত বীমা, ভ্রমণ ইত্যাদি খাতের আয়-ব্যয় হিসাব করে সেবাখাতের বাণিজ্য ঘাটতি পরিমাপ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৫৪ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাংলাদেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৭১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ হিসাবে তিন মাসে এফডিআই কমেছে ২৪.৬৯ শতাংশ।
বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে মোট যে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসে তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ দেশে নিয়ে যাওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তাকেই নিট এফডিআই বলা হয়। আলোচিত সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগ আগের বছরের চেয়ে ৬০ শতাংশ কমে ছয় কোটি ৮০ লাখ ডলারে নেমেছে। গত বছর নিট বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১৭ কোটি ডলার।
আলোচ্য সময়ে ৬৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছর একই সময়ে পাঠিয়েছিলেন ৪৫১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৮.৫৫ শতাংশ।
এদিকে সেপ্টেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতির আকার অনেক বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ১৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। এর আগে গত জুলাই-আগস্ট দুই মাসে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর