× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে ‘বীর’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৩:৫৭

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দ ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। সব ক্ষেত্রেই ‘বীর’ ব্যবহার করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আগে এ বিষয়ে আদেশ জারি করে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

গেজেটে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮’ এর ধারা ২(১১) এ মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ওই আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং একাদশ সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kawse
৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৫:৫৪

My father was freedom fiter

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৭:২২

বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন এবং অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে।যেমন; মুক্তিযুদ্ধাদের মাসিক সম্মানী বৃদ্ধি করেছেন। ২। মুক্তিযুদ্ধাদের নামের আগে বীর মুক্তিযুদ্ধা লেখার জন্য গেজেট প্রকাশ করেছেন। ৩। মুক্তিযুদ্ধাদের মৃত্যুর পর গার্ড অব অনার প্রদান করে সম্মান দেওয়া হয় ইত্যাদি।সরকারীভাবে এত সম্মান দেওয়ার পরও স্বাধীন বাংলাদেশে কিছু বেসরকারী প্রতিষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধাদের মূল্যায়ন করে না তার বাস্তব প্রমানের একটি তথ্য তুলে ধরতে চেষ্টা করছি।গত কয়েকদিন আগে evercare Hospital (সাবেক এপেলো হাসপাতাল) এ ঘটে যাওয়া ঘটনা। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা তার মেয়েকে evercare Hospital (সাবেক এপেলো হাসপাতাল) এ দেখতে যাওয়ার জন্য হাসপাতালের মেইন গেইটে নিয়োজিত এলিট ফোর্সের সিকিউরিটি গার্ডকে বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় পত্র দেখিয়ে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু ঐ মেইন গেইটে নিয়োজিত এলিট ফোর্সের সিকিউরিটি গার্ড বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হাসাপতালের ভিতরে ডুকতে দেয়নি শুধু ঐ বীর মুক্তিযুদ্ধাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল ভাষায় কথা বলেছে। এমন হাজারো ঘটনা স্বাধীন বাংলাদেশে অহরহ ঘটছে।বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমার ছোট্ট একটি প্রশ্ন; সরকারীভাবে মুক্তিযুদ্ধাদের এত সম্মান দেখানোর পরও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি গার্ড এর নিকট মুক্তিযুদ্ধাদের পরিচয় পত্রের অসম্মান কেন? এর কী কোন সমাধান হবে না।

zohir
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৪০

foroz namazer khobor nai, nofol niye tanatani !!!

nurul choudhury
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৩০

Real freedom fighters do not care for this fake BIR title. They fought for the country not for this title. How about Bangladeshis who promoted the cause for independence on the streets of foreign countries. They are freedom fighters too. Are they entitled to use this "BIR" title ?

Amir
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:২৬

অনেক আপিল এখনও নিষ্পত্তি হয়নি,অমুক্তিযোদ্ধা এখনও তালিকায় আছে ; এগুলো আগে ঠিক করেন, জাতি জানে মুক্তিযোদ্ধারা ‘বীর’ না কি, গৌন বিষয় নিয়ে সময় ক্ষেপন কেন?

C.A.Halim
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৪:৪৫

Good decission taken by Muktijoddha Kallyan Trust & the Ministry of Libration War affairs.

অন্যান্য খবর