× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) নভেম্বর ৬, ২০২০, শুক্রবার, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
ফাইল ছবি

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হচ্ছে না মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা। পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন পাবে সবাই। থাকবে না কোন গ্রেডিং বা মার্কিং। এরই প্রেক্ষিতে ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করা যায় এমন সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। এ সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে। ছয় সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের এসব অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে।

এদিকে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। এই অ্যাসাইনমেন্ট ছাড়া পরীক্ষা বা বাড়ির কাজের মতো অন্য কোনো উপায়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যাবে না বলেও বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে অ্যাসাইমেন্ট (কাজ) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নির্দেশনার আলোকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় সপ্তাহের জন্য অ্যাসাইমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। এর আগে পহেলা নভেম্বর প্রথম সপ্তাহের কাজ দেয়া। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির দ্বিতীয় সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট (কাজ) সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের জানানোসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কিশোর বাতায়নের মত কিছু প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল ক্লাসগুলোকে এমনভাবে আপলোড করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশের যেকোনো জায়গা থেকে ক্লাসগুলো দেখতে পায়। কিন্তু অনেকে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে। এ কারণে তাদের পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাস ও অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ড এ এম এম মোকাদ্দেছ
৬ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৭:১৬

করোনার থাবায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সবই চলছে। বন্ধ শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সারাদেশেই। গত ঈদে গ্রামে গিয়েছিলাম। করোনায় বিশ্বাস নেই তাদের। স্কুলের মাঠে একের পর এক লীগ চলছে। ক্রিকেট হয়ে গেল। ফুটবল চলছে। অনলাইন ক্লাস? কে কোথায় কিভাবে করবে? কতজনের বাসায় টিভি আছে? ছিমছাম মুঠোফোনই বা আছে কয়জনের? যে গ্রামে বা ইউনিয়নে বা থানায় গত এক মাস, দুই মাস, কোন করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি সেখানে স্কুল খুলতে বাঁধা কী? শহরে করোনা রোগী আছে, বুঝলাম। কিন্তু গ্রামে ? একযোগে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার শানেনযুল কী? গত এক মাস করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি এমন উপজেলার সংখ্যা কিন্তু একেবারে কম নয় ? সেসব উপজেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে বাঁধা কোথায় ? বিশ্ববিদ্যালয়ে হল আছে। সমস্যা। শহরে যানবাহন দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। এটাও সমস্যা। কিন্তু গ্রামে? হেটে বা সাইকেলেই সবাই স্কুলে যায়। বাঁধা কোথায় গ্রামের স্কুল গুলি খুলতে? মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়া হলো। ঠাসাঠাসি করে ঘুমোয়। তবুও তো করোনা তাদের ছুতে পারেনি। কত শিক্ষার্থী যে ঝরে গেল। কত বাল্যবিবাহ যে হয়ে গেল । কত প্রতিষ্ঠান যে বন্ধ হলো। তার হিসাব কে করবে?

অন্যান্য খবর