× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার

একটি আশ্রয় খোঁজার গল্প

অনলাইন

মানিক চন্দ্র দে
(২ সপ্তাহ আগে) নভেম্বর ২০, ২০২০, শুক্রবার, ২:৪৬ পূর্বাহ্ন

সন্ধ্যা পেরিয়ে রাতের কালো চাদরে ঢেকে গেছে আকাশ। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আদিতা বুড়িগঙ্গা ব্রীজের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ভাবছে, এখান থেকে লাফ দিলে সে মরবে তো? যদি না মরে? তারপরতো এম্বুলেন্সের আওয়াজ, পুলিশ, বাড়ির সৎ মা ফ্লোরা গোমেজ, সৎ বোন অলিভিয়া কে পুলিশের জেরা এবং তার পঙ্গু জীবন.. । আর ভাবতে পারেনা আদিতা। মূহুর্তেই মত পালটে ফেলে আদিতা। রাগের মাথায় বের হয়ে আসাটা তার ঠিক হয়নি। কিন্তু আবার ভাবে, আর তো তার ফিরে যাওয়া যাবেনা আগের ঠিকানায়!
কি জোরে জোরে মারলো সৎ বোনটি। যাকে কোলে পিঠে আগলিয়ে বড় করলো, সে কিনা এভাবে মারলো? আমাকে অপয়া বলে গালি দিল? আমি নাকি মাকে খেয়েছি, বাবাকে খেয়েছি।
এখন বসে আছি তাকে আর তার মাকে খাব বলে?
দু'বোনের মধ্যে ঝগড়াটা প্রায়ই লেগে থাকতো। সাথে ছোট বোন অলিভিয়ার কিলটা, চিমটি টা তো আছেই। কিন্তু আদিতা ওকে মারতো না। সে ওর মত নিষ্ঠুর হতে পারতোনা। শুধু নীরবে চোখের জল ফেলতো। তাহলে আজও এমনটাই করতো? বাসা থেকে বেরিয়ে এল কেন? নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করে আদিতা।
আদিতাকে জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায় মা। জর্জ সাহেব খুব ভালবাসতো স্ত্রী লিলিকে। আর বিয়ে করতে চাননি তিনি। কিন্তু বাচ্চা বাঁচাবে কিভাবে ? অগত্যা আত্মীয় স্বজনের চাপে বিয়ে। তার ঘরেই অলিভিয়ার জন্ম। অলিভিয়া দু' বছরের ছোট আদিতার। অলিভিয়ার জন্মের এক বছর পরেই মারা যায় বাবা জর্জ গোমেজ।
সৎ মা দু 'মেয়েকেই সমানভাবে আদর যত্ন করে বড় করে তোলে। দুজনকে সেন্ট ফ্রান্সিসে ভর্তি করিয়ে দেয়। মাষ্টার রেখে দিয়েছে বাড়িতে। কিন্তু অলিভিয়া একবারেই সহ্য করতে পারতো না আদিতাকে। কথায় কথায় অপমান, কিছু বললেই গায়ে হাত উঠাত।
আদিতাদের আর্থিক স্বচ্ছলতা আছে। বাবা তিন তলা বাড়ি রেখে গেছে। একতলা আর তিনতলা ভাড়া। দোতলায় ওরা থাকে। আরোও আছে লেদ মেশিনের কারখানা। এখন এগুলো চালিয়ে আর ভাড়ার টাকায় ভালই আছে মেয়ে দুটিকে নিয়ে সৎমা সিলভি গোমেজ।
আজ আর সহ্য হলোনা আদিতার। যখন অলিভিয়া বলল, তুই আমাদের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলে আমার শান্তি। অপয়া একটা! বাবা মাকে খেয়ে এখন আমার মাকে খাওয়ার জন্য বসে আছে। যেই একথা বলা, অমনি গায়ের জোরে একটা চড় কষিয়ে দিল অলিভিয়ার গালে। মা বাবাকে হারানোর পর সে তো আশ্রয় পেয়েছিল এ মায়েরই কোলে। তাকে নিয়ে অলিভিয়ার এমন কথা! সে তো এই মাকে পেয়েই ভুলে গিয়েছিল সব। অলিভিয়া চড় খেয়ে দ্বিগুণ বেগে ঝাঁপিয়ে পড়ল আদিজার উপর। চুল টেনে একগোছা ছিঁড়ে নিয়ে এল। খামচি দিয়ে হাতের মাংস বের করে দিল। আর গালি ও কান্নাতো আছেই। এদিকে মা ফ্লোরা গোমেজ ছিল কাজের মেয়ের সাথে রান্না ঘরে। চিৎকার, চেঁচামেচি শুনে যেই বেড়িয়ে এল অমনি অলিভিয়া কান্নার আওয়াজ বাড়িয়ে দিয়ে বলল দেখ, আমার গালটাকে রাক্ষসী মেয়েটা থাপ্পর দিয়ে কি করেছে। আরো আদর দিয়ে দিয়ে বেশি করে খাওয়াও ওরে, সোহাগ করো। মা দেখে, সত্যি তো থাপ্পর দিয়ে মেয়েটার গালে হাতের আঙুল কটা বসিয়ে দিয়েছে আদিতা। কিরে, তুই না বড়? তুই ছোট বোনটাকে এমনভাবে গালে পাঁচটা আঙুল বসিয়ে দিলি, রাগ করে বলে মা ফ্লোরা। আদিতার খুব অভিমান হল। মনে মনে বলে অলিভিয়া তো চিরদিনই আমার ছোট থাকবে। কখনোই তো আমার বড় হবেনা। তাই বলে কি এমন অপমান সইতে হবে সব সময়? আমার হাত দিয়ে অলিভিয়ার খামচিতে এখনও রক্ত ঝরছে, চুলগুলো মাটিতে উড়ছে, আর আমার মা এমনভাবে আমাকেই বকল। বড় অভিমান জমা হল আদিতার মনে। আজ সে নতুন করে বুঝল তার মা বাবা সত্যি মারা গেছে। সামনে যাকে সে দেখতে পাচ্ছে সে ওর সৎ মা। তার আসল মা মারা গেছে সেই কবে। তাকে জন্ম দিতে গিয়ে। সে আজ আসলেই বড় একা। পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই তার । একজন হতে পারতো। কিন্তু সেতো জাপান চলে গেছে। আর ফিরবেনা।
আদিতা দুপুরে কিছুই খেলনা। মা ডাকাডাকি করেছে অনেক। কিন্তু সে বিছানায় বসে বসে শুধুই কাঁদছে আর অপেক্ষা করছে। ওদের আড়ালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবে আজ। সন্ধ্যায় সুযোগ পেয়ে গেল। মা প্রার্থনা করছিল। আর অলিভিয়া ওর ঘরে। এই ফাঁকে একটা রিক্সা নিয়ে চলে এল সোজা পোস্তগোলা ব্রীজের উপর।
নদীর দিকে তাকিয়ে আছে আদিতা। মাঝে মাঝে লঞ্চের হুইসেল আর গাড়ির হর্ণ শুনা যাচ্ছে। এই জল, এত জল প্রতিদিন কোথায় যায়? সে মরলে কোথায় যাবে?
আদিতাদের ছোটবেলা থেকে প্রাইভেট পড়ায় অঞ্জন। ধীরে ধীরে বড় হয় আদিতা। অঞ্জন ও স্কুল ছেড়ে নটরডেমে ভর্তি হয়। দুজনের মধ্যে একটা ভাব জমে উঠে। এ ব্যাপারে অবশ্য আদিতাই একটু বেশি এগিয়েছিল। অঞ্জনের বন্ধু আদিতাদের পাশের বাড়ির সিরাজ। সে ই টিউশানিটা নিয়ে দিয়েছিল। সিরাজ ছোট সময় থেকেই আদিতাদের বাড়ি আসে। দুই বাড়ির মধ্যে খুব মিল। খাবার আদান প্রদান থেকে সকল অনুষ্ঠানাদিতে পরস্পর পরস্পরকে দাওয়াত করে। প্রতিদিন সিরাজ আসে। ওরা তিনজন একসাথে খেলে। আদিতা সিরাজকে সিরাজ ভাই বলে ডাকে। একদিন অঞ্জন পড়াতে আসে আদিতাদের। অলিভিয়াকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছে মা ফ্লোরা। বাসায় কেউ নেই আদিতা ছাড়া। আদিতা অঞ্জন কে নিয়ে ছাদে উঠে। সূর্য কে সামনে রেখে অঞ্জন কে প্রতিজ্ঞা করায় যে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবেনা কোনদিন । ওরা দুজন দুজনের হবে। এদিকে সিরাজ সব সময় চোখে চোখে রাখে আদিতাকে। মুখে নিজের কথা কিছু বলেনা। তবে আদিতাকে বলে অঞ্জন কি তোর লগে বেয়াদবি করে? খারাপ কথা কয়? আদিতা বলে, নাতো! সিরাজ বলে দেখিছ , তাইলে আমারে ক'বি। ও আমার বন্দু দেইখ্যা কি অইছে, ওর আড্ডি, পাছলি গুরা কইরা দেমুনা!
একদিন অঞ্জন আদিতাকে প্রস্তাব দেয়, রমনা পার্কে যাওয়ার। আদিতা প্রথম ভয় পেয়ে ইতস্তত করলেও অঞ্জনের কথা রাখতে রাজী হয়। স্কুলের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে দুজনে রমনা পার্কের লেকের পাড়ে একটি ঝোঁপের আড়ালে বসে কথা কয়। শিহরণ লাগে দুজনের শরীরে। কথার চেয়ে পরস্পরের দিকে চেয়ে থাকাটাই বেশি হয় । তখন ওদেরকে স্বর্গের দুটি মানব মানবীর মত পবিত্র মনে হয়। একসময় দুজন বাড়ি যাওয়ার জন্য পার্কের গেটের কাছে যেই আসে, অমনি ওদের সামনে মোটর সাইকেল নিয়ে হাজির হয় সিরাজ। সিরাজকে দেখে আদিতা ভয় পেয়ে যায়। যদি বাড়ি গিয়ে মাকে বলে দেয়?
কিন্তু না। সিরাজ ওর মাকে কিছুই বলেনা। শুধু তাকে বলে, ওর লগে তুই রমনা পার্কে গেলি! ক্যান্ আমারে তোর পছন্দ অয় না। আসলে কিভাবে বলে আদিতা। সিরাজ ভাইকে তো সে ছোটবেলা থেকেই ভাইয়া বলে ডাকে। সিরাজ ঠিকমত লেখাপড়া করেনা। বাবা কাপড়ের ব্যবসায়ী। মুসলিম হাই স্কুল থেকে ক্লাস টেনেই টিসি দিয়ে দিয়েছে। এখন শুধু সে ঘুুরে বেড়ায়। আর বাবার হোটেলে খায়। বাবার কাছে যা চায় তাই পায়। নতুন মোটর সাইকেল কিনেছে। জোরে জোরে হর্ণ দিয়ে মেয়েদের কাছ দিয়ে চালিয়ে যায়।
আদিতা অঞ্জন কে একদিন বলে, চল আমরা কোর্ট ম্যারেজ করি। অঞ্জন রাজী হয়না, বলে তোমার বয়স কম। তাছাড়া আমি স্নাতকটা পাশ করে একটা চাকরি পাই, তারপর। কিন্তু কিছুই হয়না। একদিন মনোবসু বৃত্তি পেয়ে অঞ্জন জাপান চলে যায়। যাওয়ার সময় অবশ্য দুজন দুজনকে ধরে অনেক কেঁদেছিল। পাটুয়াটুলি ঘড়ির মার্কেট থেকে একটা সুন্দর সোনালি ডায়ালের ঘড়ি কিনে দিয়েছিল আদিতা। "আমি পৌঁছেই ঠিকানা দিয়ে তোমাকে চিঠি দিব," বলেছিল অঞ্জন। চিঠি একটাই দিয়েছিল জাপান পৌঁছে। তাতে ছিল শুধুই পৌঁছ সংবাদ। বলেছিল, পরে ঠিকানা দিয়ে আবার বিস্তারিত সব জানাবে। কিন্তু আর কোনদিন চিঠি দেয়নি অঞ্জন । আদিতাদের বাসায় ফোন আছে, নম্বরও জানে অঞ্জন। কিন্তু কোনদিন একটা ফোনও করেনি। একদিন কাউকে না জানিয়েই আদিতা অঞ্জনদের বাড়ি যায় । অঞ্জনরাও খ্রিস্টান। অঞ্জনের বোন জানায় যে তার ভাই ভালই আছে। ওখানে খুব ভাল করছে পরীক্ষায়। ওর ইচ্ছা নাকি পিএইচডি পর্যন্ত করবে। মন খারাপ করে ফিরে আসে আদিতা। এত খবর বাসায় জানায় অথচ নিজের ভালবাসার মানুষটার সাথে কোন যোগাযোগই রাখে না!
সিরাজ যথারীতি আদিতাদের বাসায় আসা যাওয়া করে। আদিতার মা ফ্লোরা দেবী সিরাজকে খুবই পছন্দ করে। এমনিতে সে দেখতে শুনতে ভাল। প্রয়োজনে এটা সেটা করে দেয়। এজন্য ফ্লোরা দেবীর খুব পছন্দ সিরাজকে। সিরাজের সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলেনা আদিতা। সিরাজই গায়ে পড়ে কথা বলে, কিরে কিছু লাগবোনি তর? আদিতা মাথা নাড়ে।
আজতো রাগের মাথায় আত্মহত্যা করবে বলে বুড়িগঙ্গা ব্রীজের উপর চলে এল। কিন্তু আর তার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছা করেনা। কিন্তু কোথায় যাবে সে? তার তো পাখা নেই। থাকলে না বিদেশি পাখিদের মতোই উড়ে যেত জাপান, অঞ্জনের কাছে। এ পৃথিবীতে আপন বলতে তার আর কেউ নেই। কি করবে সে ভেবে পায় না।
হঠাৎ ই তার মনে হল সিরাজ ভাইনা তাকে ভালবাসে বলেছিল? তাহলে ওর কাছেই চলে যাইনা কেন ? এখন আর তার কাছে ধর্ম অধর্ম, সমাজ কিছুই মনে হয়না। ভালবাসাও সে ভুলে গেছে। তার একটা নিরাপদ, নির্ভরশীল আশ্রয় প্রয়োজন। ছোটবেলা থেকেই সিরাজ তাদের খেলার সাথী।
ওদের পরিবারের সাথে ওর ছোটকাল থেকেই মেলামেশা।
এখন বুড়িগঙ্গার জলকে, অন্ধকারকে আদিতার ভৌতিক মনে হয়। সে দৌড়িয়ে একটা রিক্সা নিয়ে সোজা ছুটে যায় সিরাজদের বাসায়। সিরাজের বাবা তখনও বাসায় আসেনি। সিরাজের মা বসে জামাকাপড় ভাজ করছে। হন্তদন্ত হয়ে আদিতা ঘরে ঢুকে বলল, খালাম্মা সিরাজ ভাই কই? খালাম্মা বলল, অর ঘরেই আছে, যাও। আদিতা ঘরে ঢুকেই বলল, সিরাজ ভাই আমি আইয়া পড়ছি। লাফ দিয়ে বিছানায় শোয়া থেকে উঠে সিরাজ বলল, আইয়া পড়ছি মানে? তোদের বাড়িতে বলে আজ কারা আইবো, বিদেছি মেহমান? আমি বাজার ওজার কইরা দিলাম। আর রাগ রাখতে পারলোনা আদিতা। মানে বুঝেন না? এতদিন পিছে পিছে ঘুইরা? আমি বাসা থাইক্যা বাইর অইয়া আইছি, আর যামুনা। অহন আমারে বিয়া করবেন? করলে করেন।
সিরাজ কোন কথা না বলে বিছানা থেকে উঠে শার্টটা গায় দিল। প্যান্ট পড়লো তারপর বললো, চল্। ওরা বেড়িয়ে যাচ্ছে খালাম্মা বলে, ওই কই যাছ? আমি আদিতার লাইগা ইলিছ মাছ ভাজতাছি কইলাম । ওরে কিন্তু নিয়া আইছ। সিরাজ বলে আইছা। তারপর মোটর সাইকেল বের করে সিরাজ আদিতাকে বলল, শক্ত কইরা ধর আমারে। আদিতা ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে। সিরাজ মোটর সাইকেল চালিয়ে ওর বন্ধু আসজাদের বাসায় গেল। বন্ধুকে বলল, ওরে আমি বিয়া করুম। রাতে তো সব বন্ধ অইয়া গেছে। ও তো বাছা থাইক্যা একবারে বাইর অইয়া আইছে। ওরে এক রাইত রাখতে পারবি তর বাছায় ? সিরাজ ওর মা'র সাথে কথা বলল, সিরাজও বলল। ওর মা রাজী হল। প্রায় অনেক রাত পর্যন্ত বন্ধুটির মা আদিতাকে বুঝালো, বাসায় ফিরে যাবার জন্য। বলল, দরকার হয়, আমি তোমারে নিয়া যামু মা, তোমার মারে বুঝামু। বলমু তুমি আমার লগে আছিলা। পাগলামী কইরো না। এক ধর্ম, আরেক ধর্ম। তোমরা অইলা খ্রীষ্টান। আর আমরা মুসলমান। সমাজ মাইনা নিব না। কিন্তু আদিতা আর ফিরে যাবেনা । সমাজ না মানুক সিরাজতো ওরে গ্রহন করেছে। তার ভালবাসা এখন প্রশান্ত মহাসাগরের ওপাড়ে চলে গেছে।একদিন হয়তোবা আরো দূর থেকে দূরতর কোন ধূসর আকাশে গিয়ে মিশে যাবে!
পরদিন সিরাজ এল। ওর বন্ধুকে সহ একটা স্কুটার ডেকে কাজী অফিস ছুটলো।
অবশেষে সিরাজ খুঁজে পেল তার প্রতীক্ষার ধন। আর আদিতা খুঁজে পেল একটি নিরাপদ আশ্রয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
mohammed
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ২:৩৫

Good

অন্যান্য খবর