× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৬ ডিসেম্বর ২০২০, রবিবার

ডোম ঘরে যৌনাচার, আর কি বাকি রইল?

মত-মতান্তর

শামীমুল হক
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার
সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন

কোথায় যাচ্ছে পৃথিবী? আর পৃথিবীতে বাস করা মানুষগুলো? চারদিকে কি দেখছি? কি শুনছি? মাথা গুলিয়ে যায়। চোখ আপনা আপনি ঝাপসা হয়ে উঠে। এক ঘটনাকে টেক্কা দেয় আরেক ঘটনা। যেন মধ্য যুগের বর্বরতাও হার মেনেছে ডিজিটাল যুগে এসে। কেন এমন হচ্ছে? মৃত লাশকে ধর্ষণ! এটা কল্পনা করা যায়? বিকৃত মানসিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে ভাবা যায়? মৃত্যুর পরও নারী নিরাপদ নয় কুলাঙ্গার মুন্নাদের কাছে। কোন বিশেষনে বিশেষন করব বিকৃত মানসিক মুন্নাকে? এক বছরে পাঁচ লাশকে ধর্ষণ করেছে। ঠান্ডা মাথায় ধর্ষণ করে ঘুরে বেরিয়েছে। হেসে খেলে দিন পার করেছে।
একটুও তার বুক কাঁপেনি। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বুদ্ধিমত্তায় ডোম ঘরের ধর্ষক মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় মুন্না ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করছে। তবে সে কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত নয় বলে জানিয়েছে। মুন্না বলেছে, রাতে মর্গে সে একাই থাকত। নিরিবিলি পরিবেশ এবং কোনো লোকজন না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে। তার কথা, মৃত মানুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক দোষের কিছু না। কত বড় কলিজা হলে এমন কথা বলতে পারে সে।
 গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর লাশ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে সিআাইডি।  সবকটি ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত মুন্না। এই কিশোরীদের বয়স ছিল ১১ থেকে ১৭ বছর। আত্মহত্যার পর তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছিল। লাশগুলোর সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ করেছিলেন ডোমের সহযোগী বিশ বছরের মুন্না ভক্ত ।
মুন্নার বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ায়। সে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের কোনো কর্মচারী নয়। হাসপাতালের ডোম যতন কুমারের ভাগ্নে হওয়ার সুবাদে মুন্না সেখানে কাজ করত। মর্গে আসা মরদেহগুলো সে গ্রহণ করত। আত্মহত্যাকারী ওই কিশোরীদের লাশ বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে মর্গে আনা হয়। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার এসব লাশ কাটার সময় নির্ধারণ ছিল পরদিন। রাতের বেলা লাশগুলো মর্গে রাখা হতো। মুন্না থাকত সেখানেই। লাশ পাহারার দায়িত্বও ছিল তার ওপর। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বিকৃত মানসিকতা চরিতার্থ করত মুন্না।
সিআইডি জানিয়েছে, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম ধরা পড়েছে। প্রযুক্তির কল্যাণে একটি হাসপাতাল মর্গের ঘটনা ধরা পড়েছে। সারা দেশের অন্য হাসপাতালগুলোতেও অনেক ডোম কাজ করেন। তারা যে এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে না সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। খুঁজলে আরও অনেক পাওয়া যেতে পারে। তাই অন্যান্য হাসপাতালে সিআইডির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কিভাবে ঘটনা ধরা পড়ে? বেশ কয়েক তরুণীর অপমৃত্যুর ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে হাই ভেজাইনাল সোয়াবে (এইচভিএস)’ সিআইডির ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য ছিল মৃত্যুর আগে ওইসব তরুণী ধর্ষিত হয়েছেন কিনা তা জানা। চলতি বছর ছয় মাসে মোহাম্মদপুর ও কাফরুল থানার অন্তত পাঁচটি ঘটনায় পুরুষ বীর্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এ আলামতের পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রোফাইল একই ব্যক্তির বলে প্রমাণিত হয়। একের পর এক তরুণীর শরীরে একই ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা দেখে চমকে ওঠেন ডিএনএ ল্যাবের কর্মীরা। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তৎপরতা শুরু করেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
প্রথমে তাদের সন্দেহ হয়- এটা কোনো সিরিয়াল কিলারের কাজ হতে পারে। ধর্ষণের পর ওই কিশোরীদের হত্যা করা হতে পারে। অথবা ধর্ষণের অপবাদ সইতে না পেরে তারা আত্মহত্যা করেছেন। এর রহস্য বের করতে মাঠে নামেন সিআইডি। প্রথমেই তারা খোঁজার চেষ্টা করেন- ওইসব কিশোরীর শরীরে বলপ্রয়োগজনিত কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা। কিন্তু অনুসন্ধানে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা মৃত্যুর আগে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাই মর্গকে ঘিরেই সন্দেহ তৈরি হয়। মর্গে কর্মরত ডোমদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। অন্য ডোমদের জিজ্ঞাসাবাদ করা অবস্থায় মুন্না ভক্ত বিষয়টি আঁচ করতে পেরে  পালিয়ে যায়। এতে তার প্রতি সন্দেহ তীব্র হয়।
বৃহস্পতিবার  রাতে মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে সংগ্রহ করা ডিএনএ আলামত পরীক্ষা করা হয়। এ আলামত ডিএনএ ল্যাবে থাকা আলামতের সঙ্গে মিলে যায়।
মুন্না ভক্ত চার বছর ধরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে কাজ করে। ঢাকায় তার থাকার জায়গা নেই। সে মর্গেই থাকে। লাশকাটা ঘরেই ঘুমায়। ভালো লাশের দিকেই তার নজর ছিল। আত্মহত্যাজনিত কারণে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদেরই সে ধর্ষণ করেছে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সেলিম রেজা জানিয়েছেন, এই যৌন বিকৃতিকে নেক্রোফিলিয়া বলা হয়।
এমন নেক্রোফিলিয়ায় দেশে আর কোন ম্ন্নুা জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তাই হয়তো দেশের ডোম ঘরগুলোতে নজরদারি করা শুরু হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা লাশের সঙ্গে এমন হবে এটা কোনদিনই ভাবেনি কেউ। ডিজিটাল যুগে এসে মানুষ মধ্য যুগকে ছাড়িয়ে যাবে- এটা ভাবনার বাইরে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
হোসেন মাহবুব কামাল
২৩ নভেম্বর ২০২০, সোমবার, ৬:৩১

শামীম ভাই অভূতপূঅব একটি লেখা।তবে মর্মন্ত্তুদ। একে অামি জানোয়ারের সাথে তুলনা করবো না এতে তারা লজ্জা পাবে। এই ঘৃণ্য নরপিশাচেেে ফাসি হলে ও কম হবে।

মুহম্মদ সাদিক দিদার
২২ নভেম্বর ২০২০, রবিবার, ৭:০৯

ফাসি চাই

Md.Jahangir Alam
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ৪:১৭

All these heinous acts will not stop if all these culprits are not brought to justice through Shariyah law. শরিয়াহ আইনের মাধ্যমে এই সমস্ত অপরাধীকে বিচারের আওতায় না আনলে এই সমস্ত জঘন্য কাজ বন্ধ হবে না।

Mahmud
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ৪:১৪

muslim biddeser churanto rup

আবুল কাসেম
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ২:২৩

কি আর বাকি থাকলো! জাতীয় চরিত্রের কঙ্কালসার হীন এক কদর্য রূপ প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে, কোনো না কোনো রূপ ধারণ করে আমাদের চোখের সামনে দাঁড়িয়ে যায়। চোখ ছানাবড়া হয়। আক্কেল গুড়ুম হয়। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। দিকবিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে ভাবি, আমরা এ সমাজেরই অংশ, এ সমাজের আমরা বাসিন্দা। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, যে সব কলুষিত পাপের আঁধার সমাজকে ঢেকে দিচ্ছে আমরাও সে অন্ধকারের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছি!? চরিত্রহীন উন্নয়ন ইউরোপের আমেরিকার বৈশিষ্ট্য। আমেরিকায় মিনিটে মিনিটে ধর্ষণ সংঘটিত হয়। ইউরোপেও অবাধ যৌনতার অনুমোদন আছে। কিন্তু আমারা আল্লাহর বান্দা। আমরা মুসলমান। আমাদের আদর্শ আল্লাহর কুরআন ও রাসুলের স. সুন্নাহ। দুনিয়ার জীবনের চোখ ধাঁধানো চাকচিক্যময় উন্নয়ন-ই আমাদের শেষ পরিনতি নয়। আমাদের শেষ পরিনতি পরকালের সাফল্য, আল্লাহর আজাব থেকে মুক্তি। সুতরাং দুনিয়াতে যখন যা খুশি আমরা করতে পারিনা। আমাদের সন্তানের বিপদগামীতার জন্য আমরা পিতা মাতারা যেমন দায় এড়াতে পারিনা। তেমনি জাতীয় চরিত্র হীনতার দায় এড়াতে পারেননা জাতীয় নেতৃবৃন্দ। সর্বত্র আজ কোনো না কোনো অনিয়ম, অন্যায় ও পাপের কাজ অনায়াসে করে যাচ্ছে চরিত্র হীন দুষ্কৃতকারীরা। আমাদের দায় এখানেই যে, সমাজ সংশোধনের জন্য উন্নত নৈতিকতার শিক্ষার ক্ষেত্রে এবং সমাজের তরুণ-যুবুকদের চরিত্র গঠনের কী ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। আমরা কী আমাদের ধর্মীয় নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে পাশ্চাত্য মুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছি কিনা, নাকি নিজের মনের অজান্তেই আমরা আমাদের চিরন্তন ধর্মীয় বৈশিষ্ট্য ও নৈতিক শিক্ষা হারিয়ে পাশ্চাত্যের মধ্যে বিলীন হওয়ার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছি তা একটি জলন্ত প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারিমে হযরত ইউসুফ আলাইহি সসালামের অতি উচ্চ মানের মহান চরিত্রের বর্ণনা দিয়ে আমাদেরকে চরিত্র গঠনের শিক্ষা দিয়েছেন। সেই মহান শিক্ষা আমাদের পরিবারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সমাজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত চর্চা করতে হবে। মনে মগজে ধারণ করতে হবে। আমরা চাই অর্থনৈতিক ও নৈতিক উন্নয়ন সমান্তরালে চলবে। তাহলে অন্যায় থেকে আমরা মুক্তি পাবো। শুধু 'অন্যায়' বললে সকল প্রকার অপরাধকেই চিহ্নিত করা যায়। আল্লাহ তায়ালা কুরআন মজিদে হযরত ইউসুফ আলাইহি সসাল্লামের চরিত্র সংরক্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে। ইরশাদ হচ্ছে, "আর যখন সে তাঁর পূর্ণ যৌবনে উপনীত হলো, আমি তাঁকে ফায়সালা করার শক্তি ও জ্ঞান দান করলাম। এভাবে আমি নেক লোকদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। যে মহিলাটির ঘরে সে ছিলো সে (মহিলাটি) তাকে (ইউসুফকে) নিজের দিকে আকর্ষণ করতে থাকলো এবং একদিন সে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বললো, 'চলে এসো।' ইউসুফ বললো, 'আমি আল্লাহর আশ্রয় নিচ্ছি, আমার রব তো আমাকে ভালোই মর্যাদা দিয়েছেন (আর আমি এ কাজ করবো!) এ ধরনের জালেমরা কখনো কল্যান লাভ করতে পারে না।' মহিলাটি তার দিকে এগিয়ে এলো এবং ইউসুফও তার দিকে এগিয়ে যেতো যদি না তার রবের জ্বলন্ত প্রমাণ প্রত্যক্ষ করতো। এমনটিই হলো, যাতে আমি তার থেকে অসৎবৃত্তি ও অশ্লীলতা দূর করে দিতে পারি। আসলে সে ছিলো আমার নির্বাচিত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। অতপর ইউসুফ আগে ও সে তার পেছনে দরজার দিকে দৌড়ে গেলো এবং সে ইউসুফের জামা পেছন দিক থেকে ছিঁড়ে ফেললো। উভয়ই দরজার ওপর তার স্বামীকে উপস্থিত পেলো। তাকে দেখতেই মহিলাটি বলতে লাগলো, 'তোমার পরিবারের প্রতি যে অসৎ কামনা পোষণ করে তার কি শাস্তি হতে পারে? তাকে কারাগারে প্রেরণ করা অথবা কঠোর শাস্তি দেয়া ছাড়া আর কি সাজা দেয়া যেতে পারে?' ইউসুফ বললো সে-ই আমাকে অশ্লীল কাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে চেয়েছিলো। সে মহিলার আপনজনদের মধ্য থেকে একজন এসে বললো যদি তার (ইউসুফের) জামার সামনের দিক ছেঁড়া থাকে তাহলে মহিলা সত্য বলছে এবং সে (ইউসুফ) মিথ্যাবাদীদের একজন। আর যদি তার (ইউসুফের) জামা পেছন দিকে ছেঁড়া থাকে তাহলে মহিলা মিথ্যা কথা বলছে এবং সে (ইউসুফ) সত্যবাদীদের একজন। অতপর সে (গৃহস্বামী) যখন দেখলো, তার জামা পেছন দিক থেকে ছেঁড়া তখন সে বললো, কোনো সন্দেহ নেই এটা তোমাদের (নারীদের) ছলনা ; আর সত্যিই তোমাদের ছলনা জঘন্য। হে ইউসুফ তুমি (এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা) ছেড়ে দাও এবং (হে নারী) তুমি তোমার অপরাধের জন্য (আল্লাহর কাছে) ক্ষমা প্রার্থনা করো, কেননা তুমিই হচ্ছো আসল অপরাধী।" সূরা ইউসুফ। আয়াতঃ২২-২৯। একজন সুন্দরী রাজরানী স্বয়ং নিজের থেকে ব্যভিচারের আহ্বান জানিয়েছেন। হযরত ইউসুফ আলাইহিস্ সালাম আল্লাহ তায়ালার ভয়ে কম্পমান ছিলেন। তাই তাঁর পক্ষে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়েছে। এই শিক্ষাটা আমাদের সমাজে ও শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। এছাড়া অন্যান্য অপরাধ থেকেও বিরত এবং মুক্ত থাকার শিক্ষা কুরআন মজিদে রয়েছে। সে সব শিক্ষাও আমাদের আত্মস্থ করা উচিত এবং অপরিহার্য। আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে ইরশাদ করেন- "হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে; পরে তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে; যাতে তোমরা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাবান যে অধিক আল্লাহ ভীরু। আল্লাহ সবকিছু জানেন এবং সব খবর রাখেন।" সুরা হুজরাত। আয়াতঃ১৩।

Asst.prof.fazlul haq
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ২:১৫

এসব শোনাও পাপ।সকল ধষক ই বিকৃত রুচির পুরুষ। তাই তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচয় ধষক। এই মন্নাকে ফাশি দেয়া হোক।

Mohammed Faiz Ahmed
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ২:৩৩

এই জানোয়ারদের চনু কেটে দেওয়া হক,তাহলে সারা জীবন মনে থাকবে এবং তাদের দেখে অন্যরা এত অসভ্যতামি থেকে বিরত থাকবে।

Faruk
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ২:১২

যখন ছোট ছোট অপরাধের শাস্তি হয়না তখন সেই সমাজে বট গাছের শিকড়ের মত সব শেষ করে ফেলে... আদ-সামুদ জাতিও এর এক প্রমান...

Md. Harun al-Rashid
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ১:৩১

মরেও নিস্তার নেই। এ নিয়ে আহা উহুও নিঃশব্দে ছাড়াতে লাগে। আচ্ছা মজলুমের ফরিয়াদ কে শুনবে! কোন কোন ক্ষেত্রে সয়োমটো রায়ও বিষাক্ত খাবারে দু' একটা কিসমিসের মত মনে হয়। কোথায় লাশের তত্ত্বাবধায়ক হাসপাতাল কতৃপক্ষ? ঐটা কি ডোমের প্রশাসনে চলে নাকি কোন যথাযথ কতৃপক্ষ আছে? যখন দেখি ঢাকা মেডিকেলের প্রিয় ফরেনসিক বিজ্ঞানি (নাম অনূহ্য রাখলাম) কত দক্ষতায় ও শততকর্তব্যকর্মনিষ্ঠতায় এ সব লাশের সূরতহাল ও রিপোর্ট বিবৃত করেন তখন তার কন্ঠে একটা মমতা ও উষ্ণতা লক্ষ করি। আর এখানে? আমরা চাই এরাও জবাবদিহিতায় আসুন।

Md. Fazlul hoque
২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ১২:০৪

এটি সামনে এসেছে আর তাই আলোচনা হচ্ছে । incident এর root cause বিশ্লষণ না করে একটা বদমাইশ মুন্না কে শাস্তি দিলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবেনা । মহিলা মরদেহ যদি মহিলা ওয়ার্ডে মহিলা ডোম দিয়ে কাটার ব্যবস্থা করা হয় তবে এই সমস্যার 99% স্হায়ী সমাধান হয়ে যাবে । রাষ্ট্র যদি পরিকল্পনা নেয় তবে ধাপে ধাপে এটি করা সম্ভব ।

Nasimur rahman
২০ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ১১:১২

শৱিয়াহ আইনেৱ মাধ্যমে এসমস্ত কুলাঙ্গারদেৱ বিচাৱ কৱা নাগেলে এই সমস্ত ঘৃনিত কর্মকাণ্ড থামবেনা ।

অন্যান্য খবর