× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৬ ডিসেম্বর ২০২০, রবিবার
মৌলভীবাজার উপনির্বাচন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
২২ নভেম্বর ২০২০, রবিবার

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এমএ রহিম (সিআইপি) এর বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। গত বুধবার রাতে মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আলমগীর হোসেন নিজে বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় এ মামলা রুজু করেন।

শ্রীমঙ্গল থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৭ই অক্টোবর উপজেলার কালাপুর ইউনিয়ন এর মেরী গোল্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশন পেট্রোল পাম্পে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আব্দুর রহিম শহীদ ও তার সঙ্গীয় মৌলভীবাজার কুসুমবাগ শপিং সিটির মালিক জনৈক বাবুল ওই পেট্রোল পাম্পের অফিস রুমে বসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১০/১৫ জন সদস্যদের মাঝে টাকা ভর্তি খাম সদৃশ বস্তু বিতরণ করেন মর্মে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজয়ী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান।
এর প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাচন অফিসার, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ও যুব উন্নয়ন অফিসার শ্রীমঙ্গল সমন্বয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি সরজমিন সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে ও বিভিন্নভাবে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়েছে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমএ রহিম শহীদ ভোটারদের মাঝে উপঢৌকন, বখশিশ বিতরণ করেছেন মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ফলে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০১৬ এর ১৭ (গ) বিধি ভঙ্গ করার অপরাধে শ্রীমঙ্গল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনের প্রার্থী এমএ রহিম শহীদ সিআইপি বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা লঙ্ঘন করে নির্বাচনের দিন সকাল ৯ টার দিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিছবাহুর রহমান দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তার গুণ্ডাবাহিনী দ্বারা ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ১২, ১৩, ১৪ নং সেন্টারে আমার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দিয়ে ১০টার মধ্যে সকল ভোট কাস্ট করে ফেলে।
শুধু সদর উপজেলায় ১১ নং সেন্টার ছাড়া বাকি সেন্টারগুলোতে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট টেবিল কাস্ট করান। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার পাননি। এ ব্যাপারে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুছ ছালেক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। ওসি আরো জানান, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় তিনি ভোটারদের কাছে টাকা বিতরণ করেন এ অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর