× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার

পাকিস্তানে ইমরান খানের সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ জোরদার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ মাস আগে) নভেম্বর ২২, ২০২০, রবিবার, ৬:০৮ পূর্বাহ্ন

বিরোধী দলগুলোর তীব্র চাপের মুখে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশটিতে চলছে ইমরান খান বিরোধী বিক্ষোভ। ২০১৮ সালে জালিয়াতির মাধ্যমে ইমরান খানের জয়ের অভিযোগটি তারা আবারো সামনে নিয়ে আসছেন। একইসঙ্গে সেনাবাহিনীর দিকেও আক্সগুল তুলছে বিরোধীদলগুলো। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।  

খবরে বলা হয়, জনসমাগম আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পাক সরকার। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করেই রাস্তায় নেমে এসেছে হাজার হাজার মানুষ। পেশওয়ারে বিশাল জনসভার কথা রয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর সাহায্যে তিনি নির্বাচনে জয় পাননি। নির্বাচনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সম্পর্কই নেই।

তা সত্বেও ১৬ই অক্টোবর থেকে পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) একের পর এক বিক্ষোভ আয়োজন করে চলেছে। এতে যোগ দিচ্ছে কট্টোর ইসলামপন্থী দলগুলো থেকে বামপন্থী দলগুলোও। নিয়মিত পাঞ্জাব, সিন্ধু ও বেলোচিস্তানে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ চলছে। এবার বাকি থাকা খাইবার পাখতুনখোয়াতেও সমাবেশ ডাকা হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর কথা হচ্ছে, ইমরানের এই সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। অর্থনীতির চরম দুর্দশা চলছে পাকিস্তানে। এই অবস্থার জন্যেও তারা ইমরান খানের সরকারকে দায়ি করছেন।

এদিকে বিক্ষোভ থামাতে দমন-পীড়ণের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। ১৯শে অক্টোবর করাচিতে সমাবেশের পর নওয়াজ শরিফের জামাতা সফদর আওয়ানকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তান পুলিশ। তবে এরপরেই জানা যায়, তাকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানায় স্বাক্ষর করতে অপহরণ করা হয়েছিল সিন্ধু প্রদেশের পুলিশ প্রধানকে। অপহরণ করে তাকে নিয়ে আসা হয় গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর অফিসে। সেখানে জোরপূর্বক তাকে নওয়াজ শরিফের জামাতার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় স্বাক্ষর করানো হয়। ঘটনার প্রতিবাদে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ফেটে পড়ে সিন্ধুর পুলিশ কর্মকর্তারা। তারা সবাই একসঙ্গে ছুটির আবেদন করে। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দেন পাক সেনাপ্রধান। তদন্তের পর বরখাস্ত করা হয় পাকিস্তানের একাধিক সেনা কর্মকর্তা ও আইএসআই কর্মকর্তাকে। যদিও বিবিসি জানিয়েছে, এখনো দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি সরকারবিরোধী সমাবেশের বক্তব্য প্রচারেও গণমাধ্যমগুলোকে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। সেন্সর করতে হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে দেয়া বক্তব্য।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর