× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

আইকন ইয়েলেন হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ মাস আগে) নভেম্বর ২৪, ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নানা জল্পনা। বলাবলি হচ্ছে প্রথমবারের মতো একজন নারীকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে যাচ্ছেন বাইডেন। তিনি হলেন জ্যানেট ইয়েলেন। বাইডেনের মনোনয়ন দেয়া এই নারীকে যদি সিনেট নিশ্চিত করে তবে তিনিই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কোনো নারী অর্থমন্ত্রী। ৭৪ বছর বয়সী জ্যানেট ইয়েলেন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ছিলেন। অর্থনীতিবিদ হিসেবে তার রয়েছে খ্যাতি। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের অর্থনীতি বিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা ছিলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক সঙ্কট ও আর্থিক মন্দা কাটিয়ে উঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার ছিলেন। কর্মজীবীদের ওপর ব্যাংক পলিসির ক্ষতিকর প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রে অসমভাবে খরচ বৃদ্ধির বিষয়ে অধিক মনোযোগ দেয়ার জন্য তিনি মার্কিনিদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্রী হয়ে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রচলিত রীতি আছে। তাহলো ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার’কে পরবর্তী দু’মেয়াদে নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু ক্ষমতায় আসা নতুন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনের আচরিত এই রীতিকে অবজ্ঞা করেন। ১৯৯০এর দশকে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময় থেকে একটি রীতির প্রচলন হয়েছে। তা হলো, পূর্বসূরিদের নিয়োগ দেয়া ব্যাংক কর্মকর্তাদের তাদের পদে বহাল রাখতেন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ব্যাংককে রাজনীতির বাইরে রাখার জন্য এমনটা করা হতো। কিন্তু ২০১৮ সালে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার পদ ছাড়তে হয় মিসেস ইয়েলেনকে। তারপর তিনি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন। করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য তিনি ওয়াশিংটনকে আরো বেশি কিছু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।


কে এই জ্যানেট ইয়েলেন
একটি ডাক্তার ও প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পরিবারের কন্যা তিনি। বড় হয়েছেন নিউ ইয়র্ক সিটিতে। ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপর ইয়েল থেকে সম্পন্ন করেন পিএইচডি। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার এবং সরকারের কাজ করা ছাড়াও তিনি নিজেকে ব্যস্ত রাখতেন অধ্যাপনায়। তিনি বার্কলিতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় একজন প্রফেসর হিসেবে শিক্ষাদান করেছেন। বিয়ে করেছেন অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জর্জ আকারলোফকে। ১৯৭০এর দশকে ফেডারেল রিজার্ভে একজন গবেষক হিসেবে কাজ করার সময় তার সঙ্গে ইয়েলের পরিচয় হয়। তাদের রয়েছে একটি পুত্র সন্তান। তিনিও অর্থনীতির একজন প্রফেসর।
ইয়েলেন একজন অর্থনীতির শীর্ষ পেশাদার হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির জগতে একজন নারী আইকন হিসেবে পরিচিত হন। ২০১৮ সালে তিনি ফেডারেল রিজার্ভ ছেড়ে আসেন। এ সময় তার প্রতি বিপুল পরিমাণ মানুষ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। কিন্তু তিনি কেন রাজনীতিতে এলেন? এ প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। ওয়াশিংটনে কাজ করার দীর্ঘ ইতিহাস আছে মিসেস ইয়েলেনের। ২০১৪ সালে তাকে ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান হিসেবে নাম ঘোষণা করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে এর আগে তিনি এর পরিচালনা পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন এক দশক ধরে। এর মধ্যে চার বছর ছিলেন ভাইস চেয়ার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর