× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

মাদক আত্মসাতের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

বাংলারজমিন

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

ভৈরবে জব্দ করা মাদক আত্মসাতের অভিযোগে থানা পুলিশের এক এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল সকালে তাঁকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। প্রত্যাহার হওয়া এসআইয়ের নাম হানিফ সরকার। সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ। জানা গেছে, হানিফ সরকার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভৈরব থানায় যোগ দেন। শহরের ঢাকা-সিলেট সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভৈরব থানা পুলিশের ইমার্জেন্সি ডিউটি (চেক পোস্ট) চালু রয়েছে। এটি দুই পালায় চলে। প্রথম পালা সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
পরেরটি রাত ৮টা থেকে পরের দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত। ডিউটিতে একজন এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা থাকেন। ঘটনার দিন গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টার ডিউটিতে নেতৃত্ব দেন হানিফ সরকার। তাঁর সঙ্গে সঙ্গীয় ফোর্স হিসেবে চারজন কনস্টেবল ছিলেন। এদিন বেলা আড়াইটার দিকে তাঁরা যান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর ভৈরব প্রান্তে। সেখানে গিয়ে কয়েকটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। বেলা তিনটার দিকে একটি বাস থেকে কিছু গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার করা গাঁজার পরিমাণ আট কেজি। কিন্তু এসআই হানিফ সরকার জব্দ তালিকায় জব্দ গাঁজার পরিমাণ কম দেখিয়েছেন বলে পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে অভিযোগ যায়। খবর পেয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দেন এসপি। পরে ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। ফলে গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়। অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে প্রত্যাহার হওয়া এস আই হানিফ সরকার সাংবাদিকদের জানান, তিনি ‘পরিস্থিতির শিকার’।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
MD.NASRUL ISLAM RIPO
২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৪:৩৯

সরকারি চাকুরীরতরা বর্তমানে অনেক ভালো আছেন , ভালো বেতন পান অধকাংশরা । এই করোনা দুর্যোগে অনেক প্রাইভেট চাকুরেরা চাকুরী হারিয়েছেন । অনেকে কম বেতন পাচ্ছেন । সরকারি চাকুরীজীবিদের চাকুরী হারানোর কোনো ভয় নাই , বেতন কমছে না- তারপরেও এদের লোভ কমছে না ......... । মাদক ব্যাবসা থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা -কর্মীরা আর্থিক সুবিধা নিয়ে থাকে বলে এই অপরাধ আশানুরুপ কমছে না । রক্ষকরা ভক্ষক হলে অপরাধ কমবে কিভাবে ।

samsulislam
২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার, ৭:৩৩

কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে!আর সামান্য গাঁজার জন্য গাঁজাখুরি?

অন্যান্য খবর