× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলারজমিন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
২৯ নভেম্বর ২০২০, রবিবার

যমুনা নদীর উপর নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু। বঙ্গবন্ধু সড়ক সেতুর ৩০০ মিটার উজানে হবে দেশের সব থেকে বড় ডেডিকেটেড ডাবল লেনের এই রেলসেতু। আজ রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতুটি নির্মাণ হলে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি  সিরাজগঞ্জ তথা উত্তরবঙ্গের ব্যবসা- বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে প্রত্যাশা সকলের। রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, জাপান এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ১৬ হাজার ৭ শ’ ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই রেলসেতুটি নির্মাণ হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে জাইকা। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হবে। এই রেলসেতু দিয়ে ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ হওয়ার পর ক্রসিং ছাড়াই সেতুর উপর দিয়ে একশ’ কিলোমিটার বেগে একই সঙ্গে দু’টি ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
পাশাপাশি সব ধরনের মালামাল পরিবহন করতে পারবে এই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু দিয়ে। নতুন সেতুর পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে বগুড়া পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করার দাবি জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটির সদস্য নব কুমার কর্মকার। তিনি বলেন, রেলের জন্য খ্যাত সিরাজগঞ্জ এক সময় রেলশূন্য হয়ে গিয়েছিল। রেলের সেই যৌবন ফিরিয়ে আনতে হলে সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে বগুড়া পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের বিকল্প নেই। এটি এখন পুরো সিরাজগঞ্জবাসীর দাবিতে পরিণত হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ জানান, এই রেলসেতু নির্মাণের ফলে একদিকে সময় সাশ্রয়ী হবে এবং ব্যবসা- বাণিজ্যে চাঞ্চল্য ফিরে আসবে। যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফিরে আসবে সিরাজগঞ্জসহ পুরো উত্তর বঙ্গের প্রাণ।  
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ চালু হয়। প্রথমে ব্রডগেজ ও মিটারগেজের ৪টি ট্রেন  দৈনিক ৮ বার পারাপারের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রী চাহিদার কারণে বাড়তে থাকে সেতুর উপর দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা। এ ছাড়া ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ফাটল দেখা দেয়ায় কমিয়ে দেয়া হয় ট্রেনের গতি। বর্তমানে ৩৮টি ট্রেন নিয়মিত স্বল্পগতিতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলেও সময় অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে শিডিউল বিপর্যয়। এতে বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি। ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন ঘটাতে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মাণ করা হচ্ছে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘের দেশের সর্ব বৃহৎ ডেডিকেটেড ডাবল লেনের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু। এই সেতুর উপর দিয়ে একশ’ কিলোমিটার বেগে দু’টি ট্রেন এক সঙ্গে চলাচল করতে পারবে। উন্মুক্ত হবে সকল প্রকার পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল। যার ফলে সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং ব্যবসা- বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, সেই সঙ্গে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে, দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছা যাবে- বলছেন সাধারণ মানুষ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর