× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

ট্রাম্পের পরাজয়েও টিকে থাকবে পপুলিজম

বিশ্বজমিন

এঞ্জেলা দেওয়ান
(১ মাস আগে) নভেম্বর ৩০, ২০২০, সোমবার, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

চার বছর ধরে বিশ্বজুড়ে ডানপন্থি লোকরঞ্জনবাদের (পপুলিজম) ঝাণ্ডাধারি ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প লোকরঞ্জনবাদের প্রবর্তক নন, কিন্তু তিনি একে এমনভাবে রপ্ত করেছেন যেটা আর কোনো নেতা পারেননি। পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে এই আন্দোলনকে তিনি মূল ধারায় নিয়ে এসেছেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয় বিশ্বজুড়ে পপুলিস্ট (লোকরঞ্জনবাদী) নেতা ও বিশেষ করে তাদের অনুসারীদের উপর বড় আঘাত হেনেছে। ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী, বিদেশিভীতি, নারীবিদ্বেষী ও সমকামিতাবিদ্বেষী নীতিমালাকে ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে অনেক নেতা নিজেদের ক্ষমতাকে সুসংহত করেছে। ট্রাম্পের পরাজয়ের কারণে সেই ঢাল এখন আর থাকবে না।  কিন্তু তার মানে এই নয় যে, পপুলিজমও স্তিমিত হয়ে গেছে। বাস্তবতা হচ্ছে, পপুলিজমের আবেদন যুক্তরাষ্ট্রেও কমেনি; কমেনি বিশ্বজুড়েও।

নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভোট পেয়ে জিতেছেন। কিন্তু এই জয় এসেছে মাত্র গুটিকয়েক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে অল্প ব্যবধানে জয়ী হওয়ার কারণে।

মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ, অর্থাৎ, ৭ কোটি ৩০ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন ট্রাম্প। অর্থাৎ এই ফলাফল দেখে মনে হওয়ার কারণ নেই যে, ট্রাম্পকে প্রত্যাখ্যান করেছে আমেরিকানরা। যুক্তরাষ্ট্রে পপুলিজমের প্রতি সমর্থন কমলেও, কমার হার খুবই সামান্য। বাকি বিশ্বের অবস্থাও অনেকটা এমনই।

চলমান করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতেও বৈশ্বিক পপুলিজমের প্রভাব তেমন একটা কমেনি। ট্রাম্পকে অবশ্য এই ভাইরাসের কারণে রাজনৈতিকভাবে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এক নির্বাচনী বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে, ৫২ শতাংশ ভোটার মনে করেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা অর্থনীতিকে সচল রাখার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মহামারি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের পদক্ষেপ ছিল জোড়াতালি দেয়ার মতো। ভাইরাসে সংক্রমণে আমেরিকায় মারা গেছেন ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। তারপরও দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার ট্রাম্পের পক্ষেই ভোট দিয়েছে।

গণতান্ত্রিকভাবে যেসব দেশ বেশি মজবুত, সেসব দেশ পপুলিস্ট একনায়ক নেতাদের শাসনাধীন দেশগুলোর চেয়ে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে বেশি সফলতা পেয়েছে। কিন্তু মহামারির ওঠা-নামার মধ্যে সে ধারণা অনেকটাই পাল্টে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো পপুলিস্ট নেতা রয়েছে ব্রাজিল ও ভারতে। এই দেশ দুটিতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেশি। কিন্তু একই অবস্থা দেখা গেছে উদারমনা গণতন্ত্রের ঘাঁটি পশ্চিম ইউরোপেও। এমনকি জার্মানি প্রথমদিকে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক প্রশংসিত হলেও, সম্প্রতি দেশটির হাসপাতালগুলো প্রায় ভরে যাচ্ছে। মহামারিটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে জার্মান সরকারও।

মহামারির মাঝামাঝি অনেক স্বৈরশাসক বা পপুলিস্ট নেতার জনপ্রিয়তায় ধাক্কা লাগলেও, এখন তারা তা আবার পুষিয়ে নিয়েছেন। আমেরিকার তুলনায় ব্রাজিল করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু তারপরও সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, দেশটির প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর প্রতি সমর্থনের হার এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর পেছনে অবশ্য ভূমিকা রেখেছে জনগণকে দেওয়া সরকারের সহায়তা ও অনুদান। মহামারির মধ্যে কাজ হারানো বা আয় কমে যাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রাষ্ট্র। খুব শিগগিরই সে সহায়তা প্রদান শেষ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু মহামারি নিয়ন্ত্রণে এত বিশৃঙ্খল পদক্ষেপ নিয়েও যে বলসোনারো এতদূর কোনো ক্ষতি ছাড়াই আসতে পেরেছেন, এতেই প্রমাণিত হয় যে, ব্রাজিলিয়ানরা তাকে কতটুকু বিশ্বাস করেন।

রাশিয়ায়ও একই ধারা দেখা গেছে। লেভাদা সেন্টার অনুসারে, মে মাসে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জনপ্রিয়তার হার ইতিহাসে সর্বনিম্নে নেমে এসেছিল- ৫৯ শতাংশ। তখন রাশিয়ায় সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছিল। কিন্তু বর্তমানে, করোনার দ্বিতীয় প্রবাহ মোকাবিলার মাঝেও পুতিনের জনপ্রিয়তার হার আবারও ৬৯ শতাংশে উঠে এসেছে। গত দুই বছর ধরে তার প্রতি সমর্থনের হার গড়ে এমনটাই ছিল।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগানও মহামারির মধ্যে ভালো অবস্থান ধরে রেখেছেন। মহামারির শুরুর দিকে তার জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বসন্ত ও গ্রীষ্মে তার অনুমোদন হার ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। তবে সে পতন থেকে আবার উপরে উঠে এসেছেন তিনি। বর্তমানে তার জনপ্রিয়তার হার সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ রয়েছে বলে দেখা গেছে মেট্রোপোলের এক জরিপে। যদিও তুরস্কে আক্রান্তের সংখ্যা এখন উর্ধ্বগামী।

এশিয়ার পপুলিস্ট নেতাদের জনপ্রিয়তাও কমার লক্ষণ নেই। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)—একটি হিন্দু জাতীয়তাবাদী ডানপন্থি দল— ও তাদের মিত্ররা এই মাসে করোনার মধ্যে অনুষ্ঠিত বিহার রাজ্য নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। যদিও ধারণা করা হয়েছিল, তারা হেরে যাবে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তের জনপ্রিয়তার হারও গত মাসে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গত মাসে দেখা গেছে, মধ্য-ইউরোপের কিছু নেতা তাদের বিভেদমূলক নীতিমালা আরো জোরদার করা শুরু করেছেন। পোল্যান্ডে ক্ষমতাসীন দল ল অ্যান্ড জাস্টিস (পিআইএস) গর্ভপাতবিরোধী একটি মধ্যযুগীয় আইন পাস করার চেষ্টা করছে। যদিও আইনটির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। এদিকে, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান দেশটিতে তার ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করতে চাইছেন। দেশটির পার্লামেন্টে তার নেতৃত্বাধীন দলের ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সম্প্রতি তিনি দেশটির নির্বাচনি আইন পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া, দেশটিতে তৃতীয়লিঙ্গ-বিরোধী আইন পাস করতে চাইছেন তিনি।

এমনকি যেসব দেশে পপুলিস্ট নেতারা ক্ষমতায় নেই, সেসব দেশেও এই পপুলিস্ট বিভিন্ন ধরণের মতবাদ ব্যাপক গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফ্রেঞ্চ ইন্সটিটিউট অব পাবলিক অপিনিয়নের এক সাম্প্রতিক জরিপ অনুসারে, নভেম্বরে যদি ফ্রান্সে নির্বাচন হতো, তাহলে প্রথম দফায় মারিন ল্য পেন-এর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল র‍্যালি দল, দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোর নেতৃত্বাধীন দলের সমান ভোট পেতো।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কেনেডি স্কুল অব গভার্নমেন্টের পিপা নরিস বলেন, ‘পপুলিস্ট আন্দোলন তৈরি হয় দীর্ঘমেয়াদী সাংস্কৃতিক পরিবর্তন থেকে। তাই এই মতবাদের বৈশ্বিক নেতা হিসেবে ট্রাম্প পরাজিত হওয়ায় এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হলেও, খুব দ্রুত এ মতবাদ চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।’

নরিস বলেন, চলমান পপুলিস্ট ধারার শুরু হয়েছিল ২০০৭-০৮ এর বৈশ্বিক মহামন্দা ও ২০১৫ সালে ইউরোপে শরণার্থীদের ঢল নামার মতো কিছু বড় বড় ঘটনার মাধ্যমে। ইউরোপে শরণার্থী ঢল নামার পর ওই অঞ্চলে অভিবাসন-বিরোধী দলগুলো জনপ্রিয়তা পায়। তিনি বলেন, আর ঠিক এরপরই ২০১৬ সালে এলো ব্রেক্সিট। ব্রেক্সিট নির্বাচন যদি শরনার্থী সংকটের সময় না হতো, তাহলে হয়তো এর ফলাফল ভিন্ন হতো। নরিস যোগ করেন, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ওইসময়ে ঘটা পরিবর্তনগুলোর পরিণতি হিসেবেই ট্রাম্পের উত্থান হয়েছে।

এরপর কী?

নরিস যেমনটা বললেন, সংকটের সময়, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংকটের সময় পপুলিজমের জনপ্রিয়তা পায়।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের অনুমান অনুসারে, চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ৪.৪ শতাংশ সংকুচিত হওয়ার কথা রয়েছে। এমনটা ঘটলে, তা বৈশ্বিক মন্দার পর ২০০৯ সালে ঘটা অর্থনৈতিক সংকোচনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি হবে। ওই বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছিল ১ শতাংশ। বিশ্বজুড়ে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২১ কোটি ২০ লাখে দাঁড়িয়েছিল। ২০০৭ সালের, অর্থাৎ, মন্দা শুরুর আগের সময়ের তুলনায়, বেকারের সংখ্যা বেড়েছিল ৩ কোটি ৪০ লাখ।

আবার মহামারি নিয়ন্ত্রণে যেসব নেতারা তুলনামূলকভাবে সফল হয়েছেন, তাদেরও জনপ্রিয়তা বেড়েছে— যেমন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আরডার্ন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আবার যথাযথ পদক্ষেপ না নিয়েও একইরকম জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি উপভোগ করছেন বলসোনারো, পুতিন ও এরদোগানের মতো নেতারা।

ইউরোপের ক্ষেত্রে, ট্রাম্পের পরাজয়ের চেয়ে বাইডেনের জয়ের দিকে মনোনিবেশ করাই বেশি কার্যকরী। ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের ডাফনে হালিকিওপৌলো বলেন, মার্কিন নির্বাচন ইউরোপের বাম ও মধ্য-বামপন্থাকে জাগিয়ে তুলতে পারে। ইউরোপে এই দুই মতবাদের অনুসারীরা ২০০৭-০৮ এর মহামন্দা মোকাবিলায় বড় পরিসরে ব্যর্থ হয়েছিল। যার ফলে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়।

হালিকিওপৌলো বলেন, ‘যদি ট্রাম্প জয়ী হতো, তাহলে (উগ্র ডানপন্থি পপুলিস্টরা) উল্লাস করতো। কারণ, তারা তখন বলতে পারতো, দেখো, আমাদের মতবাদ মূলধারার।’ তিনি বলেন, কিন্তু মার্কিন নির্বাচন থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা হচ্ছে, বামপন্থিরা আবার উঠে আসতে পারবে। এখান থেকেই হয়তো নির্বাচনী সফলতার রেসিপির সন্ধান পেতে পারে তারা।

ব্রাজিলে এখন পৌরসভা নির্বাচন চলছে। এই নির্বাচন থেকে হয়তো ধারণা পাওয়া যাবে যে, দেশটিতে পপুলিস্ট নেতারা আর কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। তবে এ বিষয়ে সত্যিকারের ফলাফল দেখা যাবে ২০২২ সালে। ওই বছর বলসোনারো দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচনে লড়বেন।

কনসালটেন্সি সংস্থা ব্রাজিলওয়ার্কের পরিচালক মার্ক লাঙ্গেভিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি ফলাফল নিয়ে দৃশ্যত হতাশ বলসোনারো। কারণ, এতে দুই বছর পর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তার সম্ভাব্য পরিণতি ফুটে উঠেছে। তবে লাঙ্গেভিন মনে করেন, তবে ট্রাম্পের পরাজয় থেকে ইতিমধ্যেই শিক্ষা নিয়েছেন বলসোনারো। জনসম্মুখে ট্রাম্পের প্রশংসা করা কমিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তার দলের পরামর্শ মেনে, ট্রাম্পের চেয়ে আগ্রাসীভাব কমাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বলসোনারোকে গণমাধ্যমের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক সীমিত রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন ব্রাজিলের যোগাযোগমন্ত্রী ফাবিয়ো ফারিয়া। তিনি বলসোনারোকে, ব্রাজিলজুড়ে বিভিন্ন দলের সঙ্গে ঘুরে-বেড়াতেও বলেছেন। এসব সফরে অবশ্য বলসোনারো নিজে খুব বেশি কিছু বলেন না। কিন্তু তাকে বিভিন্ন স্থানীয় রাজনীতিকদের সঙ্গে পেস্ট্রি খেতে দেখা যায়। আর এসব পদক্ষেপ তার পক্ষে দারুণভাবে কাজ করছে। ব্রাজিলিয়ানরা এসব পছন্দ করে।

২০২২ সাল হবে বিশ্বজুড়ে সত্যিকার অর্থে পপুলিজমের বিস্তার পরিমাপের বছর। কেবল ব্রাজিলে নয়, ফ্রান্স, হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোতেও ওই বছর নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই। ওই বছর দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ওই নির্বাচনে মার্কিনিরা বাইডেনের প্রতি তাদের সমর্থন জোরদার করবেন নাকি রিপাবলিকানদের হাতে ক্ষমতা বাড়িয়ে দিবেন তা দেখা যাবে। রিপাবলিকান পার্টিকে নতুন জীবন দিয়েছেন ট্রাম্প। এত সহজে ট্রাম্পের পপুলিজম তাদের ত্যাগ করার কথা নয়।

(সিএনএন থেকে অনুদিত)

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২৯ নভেম্বর ২০২০, রবিবার, ১০:৪০

বাঙলা দেশের মত আমেরিকার রিপাবলিকান দলের রাজনীতি রাজনীতিকদের হাতে নাই।

অন্যান্য খবর