× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার

ঢাকার হারের হ্যাটট্রিক

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
৩০ নভেম্বর ২০২০, সোমবার

জেমকন খুলনার বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরে টানা তিন ম্যাচেই পরাজয়ের স্বাদ পেল বেক্সিমকো ঢাকা। সোমবার (৩০ নভেম্বর) জেমকন খুলনাকে ১৪৬ রানে আঁটকে দিয়ে বেক্সিমকো ঢাকা গুটিয়ে যায় ১০৯ রানে। ঢাকার হ্যাটট্রিক হারের দিনে খুলনা পেল টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয়। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আরেক দফায় ব্যর্থ হয়েছে জেমকন খুলনার টপ অর্ডার। রুবেল হোসেন, শফিকুল ইসলামের তোপে ৩০ রান তুলতেই হারায় তিন উইকেট। ওপেন করতে নেমে রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে সাকিব আল হাসান ফিরেছেন ১১ রান করে। দুই অঙ্ক ছুতে পারেননি আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় (৫) ও জহরুল ইসলাম অমিও (৪)। সেখান থেকে ৫৬ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ইমরুল কায়েস।
২৭ বলে ২৯ রান করে নাইম হাসানের বলে ফিরতে হয় ইমরুলকে। এরপর দলকে একাই টেনে নেন মাহমুদউল্লাহ, তাকে সঙ্গ দেন আরিফুল হক। ১১ বলে আরিফুল করেছেন ১৯ রান। ব্যক্তিগত ৩০ রানে জীবন পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ৪৭ বলে ৪৫ করে ফিরেছেন ৭ম ব্যাটসম্যান হিসেবে। আরিফুল, রিয়াদ দুজনকেই ফেরান ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকার সেরা বোলার রুবেল হোসেন। ২৮ রান খরচায় তিন উইকেট পাওয়া রুবেলের পকেটে যেতে পারতো আরও একটি উইকেট। শেষ ওভারে মিড অফে শহিদুল ইসলামের (১) সহজ ক্যাচ ছাড়েন তানজিদ হাসান তামিম। শেষদিকে শুভাগত হোমের ৫ বলে ১৫ রানের পরও ১৫০ এর আগে থামে জেমকন খুলনার ইনিংস। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলকে ৮ উইকেটে ১৪৬ রানে আঁটকে দেওয়ার পথে দুইটি উইকেট শিকার করেন শফিকুল ইসলাম। একটি করে নেন নাসুম আহমেদ ও নাইম হাসান। লক্ষ্য তাড়ায় খুলনার চাইতেও বাজে অবস্থা বেক্সিমকো ঢাকার। ১৪ রান তুলতেই বিদায় নেয় দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (৪), নাইম শেখ (১) ও সাব্বির রহমানের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পাওয়া রবিউল ইসলাম রবি (৪)। দুই ওভারের প্রথম স্পেলে কোন রান না দিয়ে নাইম শেখের উইকেট তুলে নেন সাকিব। সেখান থেকে দলের হাল ধরার চেষ্টা অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও এক ম্যাচ বিরতি দিয়ে একাদশে ফেরা ইয়াসির আলি রাব্বির। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৫৭ রান। ততক্ষণে বলের সাথে অবশ্য পাল্লা দিয়ে বাড়ে প্রয়োজনীয় রান। কিন্তু ৮ রানের ব্যবধানে দুজনেই ফিরে গেলে সেই চাপ আর সামলাতে পারেনি বেক্সিমকো ঢাকা। হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ইয়াসির আলি করেছেন ২১ রান। ৩৭ রান করা মুশফিকুর রহিমকে ফিরিয়েছেন শুভাগত হোম। ১০৯ রানেই অলআউট হওয়া ঢাকার লেজের ব্যাটসম্যানরা শেষদিকে কেবল হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। দুই ওভারের প্রথম স্পেলে কোন রান না দিয়ে ১ উইকেট শিকার করা সাকিব ৪ ওভারের কোটা শেষ করেন মাত্র ৮ রান খরচায়। জেমকন খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম ও শুভাগত হোম। দুইটি শিকার হাসান মাহমুদের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর