× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার
রয়টার্সের প্রতিবেদন

চীনের টিকা নিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা ও পরিবারের সদস্যরা!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ১, ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:২৭ অপরাহ্ন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এবং তার পরিবারের সদস্যদেরকে পরীক্ষামূলক করোনা ভাইরাসের টিকা সরবরাহ দিয়েছে চীন। এই টিকা তাদের ওপর প্রয়োগও করা হয়েছে। জাপানের গোয়েন্দা বিষয়ক দু’টি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশ্লেষক এ তথ্য দিয়েছেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে। ওয়াশিংটনের থিংকট্যাংক বলে পরিচিত সেন্টার ফর দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের উত্তর কোরিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হ্যারি কাজিয়ানিস বলেছেন, কিম জং উন ও তার সিনিয়র বেশ কিছু কর্মকর্তাকে ওই টিকা দেয়া হয়েছে। তবে কোন কোম্পানির টিকা কিম জং উনকে দেয়া হয়েছে এবং তা কতটা নিরাপদ সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য মেলে নি। অনলাইন আউটলেট ১৯ফোর্টিফাইভ-এ একটি প্রতিবেদনে কাজিয়ানিস লিখেছেন, দুই থেকে তিন সপ্তাহের ব্যবধানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন, তার সরকারের উচ্চ পদস্থ কিছু কর্মকর্তা ও নিজের পরিবারের অনেক সদস্যকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়া হয়েছে। এই টিকা তাদেরকে সরবরাহ করেছে চীন সরকার। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল বিশেষজ্ঞ পিটার জে হোটেজ বলেছেন, চীনে কমপক্ষে তিনটি কোম্পানি টিকা নিয়ে কাজ করেছে।
এর মধ্যে রয়েছে সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটিডে, ক্যানসিনোবায়ো এবং সিনোফার্মা গ্রুপ। এর মধ্যে সিনোফার্মা বলেছে, তাদের টিকা চীনে প্রায় ১০ লাখ মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে এই টিকার তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা প্রকাশ্যে কোনো কোম্পানিই করেছে বলে জানা যায়নি। কিম জং উনকে টিকা দেয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কিছু বিশেষজ্ঞ।
২০১২ সালে উত্তর কোরিয়া ছেড়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান নিয়েছেন সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ চোই জাং-হুন। তিনি বলেছেন, যদিও চীনা কোনো টিকা অনুমোদিত হয় তাহলে সেই টিকা কিম জং উন নেবেন এমনটা ভাবার কারণ নেই। কারণ, কোনো টিকাই এখন পর্যন্ত পারফেক্ট নয়। এই অবস্থায় কিম জং উন ঝুঁকি নিতে চাইবেন না। কারণ, তিনি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে আইসোলেশনে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে সুর মিলান ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অন ওয়ার্ল্ড পিস-এর পূর্ব এশিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক ও সহযোগী সম্পাদক মার্ক বেরি। তিনি বলেন, যদি ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে যথাযথভাবে প্রমাণিত ও অনুমোদিত টিকা চীন সরবরাহ দিতে পারে তাহলে সেটি নিতে পারেন কিম জং উন। চীনে উৎপাদিত টিকা তার জন্য নেয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু তিনি চীনা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করে সন্তুষ্ট।
উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ায় কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস এমন দাবি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। কারণ, চীনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার রয়েছে বাণিজ্য। জনগণের সঙ্গে জনগণের দেখাসাক্ষাত, মেশামেশা হয়েছে। তবে গত জানুয়ারিতে তারা সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।
গত মাসে মাইক্রোসফট বলেছে, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা বিভিন্ন দেশের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করেছে। এর মাধ্যমে তারা করোনা ভাইরাসের টিকার ডাটা চুরি করার চেষ্টা করেছে। তবে এক্ষেত্রে তারা কোনো সুনির্দিষ্ট কোম্পানিকে টার্গেট করেনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর