× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি

ওয়াজে লাউড স্পিকারে দুর্ভোগ হলে ব্যবস্থা

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

সাতক্ষীরায় ওয়াজ মাহফিলে মাইক বা লাউড স্পিকার ব্যবহার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় উঠেছে। সম্প্রতি ওয়াজ মাহফিলে লাউড স্পিকার ব্যবহারে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়।

সাতক্ষীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ইন্দ্রজিত সাহা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংসদের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৬ষ্ঠ বৈঠকের সুপারিশ বা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সকল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই সুপারিশে যা বলা হয়েছিলে তা হলো- দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলে লাউড স্পিকার ব্যবহারে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় তা লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এমতাবস্থায় বর্ণিত সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
তবে ধর্ম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য যিনি ওই ৬ষ্ঠ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ওই বৈঠকে এ ধরনের কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোস্তফা কামালও গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এ ধরনের কোনো সার্কুলার নেই।
আমরা নিজেরাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় এমনিতেই ওয়াজ মাহফিলের মতো অনুষ্ঠান বেশি হয় এবং সেখানে লাউড স্পিকার ব্যবহার করা হয়। আর এ কারণেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। লাউড স্পিকার ব্যবহারের কারণে যদি শ্রবণ মাত্রার চেয়ে বেশি ডেসিবলের শব্দ তৈরি হয় এবং যদি কেউ অভিযোগ করে তাহলে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, এটা শুধু ওয়াজ মাহফিলের ক্ষেত্রে নয় বরং যেকোনো অনুষ্ঠান বা প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে যদি পরিবেশ দূষণ হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, পরিবেশ আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল্লুর রহমান বলেন, কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্থানীয় ইমামদের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। যারা ওয়াজ মাহফিল করেন তাদের সঙ্গেও আমরা কথা বলবো, তাদের মধ্যে একটা সচেতনতা সৃষ্টি হবে। স্থানীয় কোনো অসুস্থ রোগী কিংবা শিক্ষার্থীদের যাতে সমস্যা না হয় সে বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা চালানো হবে বলেও জানানো হয়।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
চৌধুরী আমীরুল হোসেন
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৬:০৭

মহান আল্লাহ বলেন, “তোমার কন্ঠস্বর নিচু করো। নিশ্চয়ই গাধার কন্ঠ বড়ই কর্কশ।” -সুরা লোকমান, আয়াত ১৯। সুতরাং সবখানেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

Abdul Hannan
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৫

প্রসঙ্গ ওয়াজ মাহফিলে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নতুন আদেশ! একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে টার্গেট করে পক্ষপাতমূলক আদেশ এদেশের জনগন মেনে নিবে না। যা অতিতেও নেয় নি। যদি জনদুর্ভোগ লাগবের প্রশ্ন তুলে সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় তাহলে অন্য ধর্মের অনুসারীরা যখন মাসব্যাপী মাইক, ঢোল, তবলা ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজায় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে শতশত মাইক ব্যবহার করা হয় ও চরিত্র ধ্বংসে ডিজে পার্টি করা হয় আদেশের মধ্যে এসব বিষয়ে কোন সংযুক্তি নেই কেন? সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি বুদ্ধিলেস? নাকি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন? অথবা ইচ্ছা করে ইসলামকে কোনঠাসা করার ঘৃন্য কৌশল অবলম্বন করছেন। অথবা প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে অতিমাত্রায় অন্যধর্মের লোক নিয়োগের উদ্দেশ্যমূলক গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এমন আদেশটি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সরকারের নীতি-নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আপনারা এমন কোন সিদ্ধান্ত দিবেন না বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এমন কোন কাজ করতে দিবেন না যা আপনাদের এত ত্যাগ ও কষ্টের অর্জনকে ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বেদনা দায়ক হবে।

SM
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৯

Appreciable decision. Considering it as a public health issue, not otherwise, same announcement should be circulated in the other area of the country.

এ কে এম মহীউদ্দীন
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:০১

আমাদের তথাকথিত আলিমদের কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজের ফল ফলতে শুরু হোল কেবল। বেআক্কেল এই সব আলিম হয়ে গেছে ইসলামের জন্য বোঝা।

রফিকুল ইসলাম
২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ৬:৪৩

ওয়াজ মাহফিলেও লাউট ব্যাবহার হবে না এটা হতে পারে না। এর পেছনে হিন্দূ মৌলবাদীরা আছে। ওরা আমাদের ব্যাবহার করে।

Kochi
২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ৬:১৮

Good job . Thanks

samsulislam
২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ১২:৫০

এত দিনে মানুষের বিবেক জাগ্রত হল।

Abdul matin
২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ১২:৪৪

তার মানে বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের প্রতি অঘোষিত অবরোধ,যাহা খৃস্টান এবং হিন্দু রাস্ট্রগুলিতে হয়ে থাকে, আমরা ধরে নিতে পারি মুসলমানরা এখন বাংলাদেশে সংখ্যালগু ।

অন্যান্য খবর