× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

ভাষাণচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন স্থগিতের আহ্বান অ্যামনেস্টির

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৩, ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

বঙ্গোপসাগরের বুকে ভাষাণচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ক্যাম্পেইনার সাদ হাম্মাদি এক বিবৃতিতে ভাষাণচরে এরই মধ্যে যেসব রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন তাদেরকে পরিবারের কাছে এবং বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডে তাদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া শরণার্থীদের যেকোন রকম পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণাঙ্গ ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বিবৃতিতে সাদ হাম্মাদি আরো লিখেছেন, ভাষাণচরে এত বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে পুনর্বাসন করায় নিরপেক্ষ মানবাধিকার বিষয়ক পর্যবেক্ষকদের জন্য মারাত্মক এক উদ্বেগের বিষয় হবে। কারণ, ওই দ্বীপে সবার যোগাযোগের সুযোগ সীমিত। বিশেষ করে মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপ ও সাংবাদিকদের সেখানে যেতে হলে আগে থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তিনি আরো লিখেছেন, শরণার্থীদের সেখানে পুনর্বাসনের যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে ভাষাণ চরে বসবাসের উপযোগিতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে জাতিসংঘ, অধিকার বিষয়ক গ্রুপ ও মানবাধিকার বিষয়ক এজেন্সিগুলোকে অনুমোদন দিতে হবে বাংলাদেশের । এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে তাদের পূর্ণাঙ্গভাবে এবং তাদের সম্মতি ছাড়া ভাষাণচরে বা অন্য কোথাও পুনর্বাসন পরিকল্পনা করা উচিত নয়।
সাদ হাম্মাদি বলেছেন, ওই চরে অবস্থানকারী কিছু শরণার্থী এরই মধ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরেছেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাছে। তাদেরকে তাদের পরিবার ও সম্প্রদায় থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অন্য সদস্যদের শুধু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষিত করাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়, একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণাঙ্গ এবং অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগরের বুকে পলিমাটি জমে সৃষ্টি হয়েছে ভাষাণ চর। সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Dr. Md Abdur Rahman
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৬:৪৪

In my opinion, Bangladesh should recruit only Rohingya from 18 years to 40 years to take extensive Military Training in Bhasan Char. Bhasan Char should be a Mini Cantonment and no foreigners should be allowed there. At least 300,000 young and adult Rohingya should take the Guerrilla Training. Ultimately they will be sent back to Rakhine state and our soldiers will be behind them backed by NAVY and Air Force. Total about 500.000 Guerilla and regular soldiers with huge influx of Bangladeshi trained common people inside Myanmar is the only solution. I am confident In Sha Alla within a month Bangladesh can occupy whole Rakhine and Chin States which are very needed for us.

Amir
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:১৪

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল,,,,,,,,এক বিবৃতিতে ভাষাণচরে এরই মধ্যে যেসব রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন তাদেরকে পরিবারের কাছে এবং বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডে তাদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানিয়েছেন।------বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান না করে মায়ানমারকে এই আহ্বানটি করলে উত্তম হত !

Kazi
৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৩:১০

HUMAN RIGHTS COMMISSION can you find land for them in heaven. Vashanchar is part of land of Bangladesh. Government reserves right to place them there, better living condition.

অন্যান্য খবর